হাম ও উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু
গত ১৫ মার্চ থেকে ১২ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫১ হাজার ৫৬৭ জন আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ২৪ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে ১২ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫১ হাজার ৫৬৭ জন আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ২৪ জন।
এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৩৫২ শিশুরপরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ নজর না দিলে পরিস্থিতি আরো কঠিন হবে।
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যু দিন দিন বেড়েই চলেছে। ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ২১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১৫ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১৬ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়কালে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮১১ শিশু।
শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৭৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৩ জন শিশুর।
হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৬ দিনে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ১৪ হাজার ৫৬১ শিশু।
দেশে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব। গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
‘অপারেশনাল প্ল্যান’ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে অনেক স্বাস্থ্য সহকারীর চাকরি চলে যায়। এতে মাঠ পর্যায়ের টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশনার প্ল্যান (ওপি) বাতিল হলে টিকা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।