জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজায় যুদ্ধ চলার সময় প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছে।
শুক্রবার সংস্থাটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংস্থাটি জানায়, ভঙ্গুর এক যুদ্ধবিরতির ছয় মাস পরও সেখানে প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। দুই বছর চলার পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ থামলেও গাজার অর্ধেকেরও বেশি অংশ ইসরায়েলি সৈন্যদের নিয়ন্ত্রণে থাকে৷ বাকি সংকীর্ণ উপকূলীয় ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণে থাকে হামাস৷
ইউএন উইমেনের প্রতিবেদন বলছে, অক্টোবর ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে গাজায় ৩৮ হাজারেরও বেশি নারী ও মেয়ে শিশু নিহত হয়েছে।
সংস্থাটির মানবিক কার্যক্রমের প্রধান সোফিয়া ক্যালটর্প জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, গাজায় আগের সংঘাতগুলোর চেয়ে (সর্বশেষ যুদ্ধে) অনেক বেশি নারী ও মেয়ে নিহত হয়েছে৷ তারাও ছিলেন স্বতন্ত্র ব্যক্তি, তাদের জীবনেও স্বপ্ন ছিল।
ইউএন উইমেন জানায়, অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও নারী ও কন্যাশিশু হত্যা অব্যাহত রয়েছে। তবে লিঙ্গভিত্তিক পৃথক তথ্যের অভাবে ঠিক কতজন মারা গেছে তা জানা যায়নি।
স্থানীয় চিকিৎসকদের মতে, গত অক্টোবর থেকে ৭৫০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন৷ এ সময়ে চারজন ইসরায়েলি সৈন্যও নিহত হয়৷ ইসরায়েল ও হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করে৷
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ শুক্রবার জানায়, গাজায় উদ্বেগজনক হারে শিশুদের নিহত ও আহত হওয়া অব্যাহত রয়েছে৷ গত ছয় মাসে সেখানে অন্তত ২১৪ জন শিশু নিহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা৷
জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় প্রায় দশ লাখ নারী ও মেয়ে শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে।




