১০ ডিসেম্বর ১৯৭১: বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সূচনা
১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রখ্যাত সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনকে আলবদর বাহিনীর সহযোগিতায় ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রখ্যাত সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনকে আলবদর বাহিনীর সহযোগিতায় ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
পুরুষ সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্মুখসমরে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন তারামন বিবি। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
ভারতীয় মিত্রবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা বলেন, ‘আমরা এখন বড় ধরনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত’।
করুণার তখন দিশেহারা অবস্থা, বুকে তাঁর শিশু সন্তান, স্বামী সদ্যমৃত। কী করবেন? শিশুকে মায়ের কাছে রেখে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে।
ভারতের লোকসভার সদস্যরা দাঁড়িয়ে ইন্দিরা গান্ধীর ঘোষণাকে স্বাগত জানান। অধিবেশনে হর্ষধ্বনির সঙ্গে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারিত হয়।
সর্বত্র মুক্তিযোদ্ধাদের জয়জয়কার। ঢাকার আকাশ পুরোপুরি দখল করে নেয় মিত্রবাহিনীর বিমান। পাকিস্তানের জঙ্গি বিমান প্রায় সবই তখন শেষ।
বিভিন্ন সেক্টরে পাকিস্তানি বাহিনী বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অর্ধেকের বেশি বিমান এদিন বিধ্বস্ত হয়।
মুজিবনগর, কলকাতা ও দিল্লিতে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে ভারত যেকোনো মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেবে।
দীর্ঘ ৯ মাস লড়াইয়ের পর ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে বাঙালি জাতি অর্জন করেছিল তার কাঙ্ক্ষিত মুক্তি, পেয়েছিল সার্বভৌম নতুন মানচিত্র।
কিছু বুদ্ধিজীবীরা যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের নতুন গল্প লিখতে চাইছেন, তাদের বয়ানের বিপরীতে সম্প্রতি সিআইএ-প্রকাশিত গোপন মার্কিন নথিটি এক অপ্রতিরোধ্য দলিল