<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Kabir Aahmed, Author at NE NEWS</title>
	<atom:link href="https://nenews.news/author/kabiraahmed/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link></link>
	<description>people&#039;s agenda</description>
	<lastBuildDate>Tue, 28 Apr 2026 08:50:22 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	

<image>
	<url>https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/06/cropped-NE-NEWS-LOGO-scaled-1-32x32.png</url>
	<title>Kabir Aahmed, Author at NE NEWS</title>
	<link></link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বাধা ইউনূসের ‘গোলামির চুক্তি’</title>
		<link>https://nenews.news/bangladesh-ogrogoti-badha-golami-chukti/</link>
					<comments>https://nenews.news/bangladesh-ogrogoti-badha-golami-chukti/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 08:50:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[অগ্রগতি]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[চুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ড. মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[পারমানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[বাধা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিদ্যুৎকেন্দ্র]]></category>
		<category><![CDATA[রূপপুর]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=11495</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইউনূস-রেজিমের অপশাসন দেশের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। তারেক রহমানের সরকারের সাহস হচ্ছে না গোলামির চুক্তি অগ্রাহ্য করতে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladesh-ogrogoti-badha-golami-chukti/">বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বাধা ইউনূসের ‘গোলামির চুক্তি’</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। দেড় দশকে শেখ হাসিনার সরকার যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে, আগামী ৫০ বছরেও এটা করতে পারা সম্ভব কি না— এই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গেছি আমরা। এর কারণ মূলত ইউনূস-রেজিমের ভয়াবহ অপশাসন, লুটপাট, দুর্নীতি এবং দেশের ভিত্তি ধ্বংস করে দেওয়ার ভয়াবহ নীলনকশা।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ক্ষমতা ছাড়ার আগ-মুহূর্তে ইউনূস আমেরিকার সঙ্গে যে ‘গোলামির চুক্তি’ করেছে, তার খেসারত দিয়ে যেতে হবে আগামীর বাংলাদেশকে। বর্তমান তারেক রহমানের সরকারসহ ভবিষ্যতের সরকারগুলো যতবার বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে, ততবারই প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াবে ইউনূসের গোলামির চুক্তি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশ আজ এমনই এক জায়গায় দাঁড়িয়ে, যেখানে আমদানি করতে আমেরিকার অনুমতি চাওয়া লাগে। কিছুদিন আগেও এটা আমরা দেখেছি। ইউনূস-রেজিমের দুর্বিষহ অপশাসন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। তারেক রহমানের সরকারের সাহস হচ্ছে না গোলামির চুক্তি অগ্রাহ্য করতে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধু রাশিয়া। সেই রাশিয়ার সহায়তা আওয়ামী লীগ যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে, তার সুফল আজ বাংলাদেশের দ্বারপ্রান্তে। আজ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র যে অবদান রাখবে, তাতে আমাদের বিদ্যুৎ আমদানি-নির্ভরতা অনেকাংশে লাঘব হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">‘মুজিব শতবর্ষে’ বাংলাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্ভব হয়েছে। রূপপুরের বিদ্যুৎকেন্দ্র সঠিকভাবে পরিচালনা এবং দুই ইউনিটের পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়ায় গেলে ২০২৭ সাল নাগদ ওখান থেকে বাংলাদেশ পাবে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এরআগে আজ যে এক ইউনিট চালু হচ্ছে তাতে আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র যখন নির্মাণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন শুরু কয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার, তখন তৎকালের বিরোধীদল বিএনপি-সহ ডান-বাম, কথিত পরিবেশবাদীরা এর বিরোধিতা করেছিল। এই বিরোধিতাগুলো ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায়’ অগ্রাহ্য করার কারণেই আজ বাংলাদেশ ঐতিহাসিক দিনের দ্বারপ্রান্তে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উন্নয়ন এমনই যা অস্বীকারের উপায় নেই। এখানে যত ইচ্ছে ট্যাগ দেন, সত্য তো সত্যই; হাজারবার অস্বীকার করলেও সেটা সত্য থেকেই যাবে!<br>এখন আমরা বিদ্যুতের জন্যে ভারতের আদানি গ্রুপের ওপর নির্ভরশীল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র শতভাগ উৎপাদন করতে পারলে বিদ্যুৎ আমদানি-নির্ভর বাংলাদেশ তখন পৌঁছাবে রপ্তানি-সক্ষমতায়!</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমাদের এ ঐতিহাসিক যাত্রা হয় এভাবে- ২০১০ এ জাতীয় সংসদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত, ২০১২ সালে বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি রেগুলেটরি অ্যাক্ট পাস শেষে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে আজ ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সেই ঐতিহাসিক যাত্রার আরও একটা মাইলফলক।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladesh-ogrogoti-badha-golami-chukti/">বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বাধা ইউনূসের ‘গোলামির চুক্তি’</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bangladesh-ogrogoti-badha-golami-chukti/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণভোটের প্রকৃত গণিত, ৬২% মানুষ সরাসরি “না” অথবা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।</title>
		<link>https://nenews.news/gonovote-62-percent-no-vote/</link>
					<comments>https://nenews.news/gonovote-62-percent-no-vote/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Feb 2026 15:24:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[গণভোট]]></category>
		<category><![CDATA[গনিত]]></category>
		<category><![CDATA[না ভোট]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভোটের ফলাফল]]></category>
		<category><![CDATA[হিসাব]]></category>
		<category><![CDATA[হ্যাঁ ভোট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=10420</guid>

					<description><![CDATA[<p>সরকারি হিসেবে গণভোটের গাণিতিক ব্যবচ্ছেদ করলে দেখা যায়, মোট ভোটারের বিশাল একটি অংশ—৬২.২৯% মানুষ আসলে এই সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় একমত নন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/gonovote-62-percent-no-vote/">গণভোটের প্রকৃত গণিত, ৬২% মানুষ সরাসরি “না” অথবা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>গণভোটের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু সংখ্যার আড়ালে যে প্রকৃত সমীকরণ লুকিয়ে আছে তা নিয়ে এখন দেশজুড়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সরকারি হিসেবে গণভোটের গাণিতিক ব্যবচ্ছেদ করলে দেখা যায়, দেশের মোট ভোটারের বিশাল একটি অংশ—৬২.২৯% মানুষ আসলে এই সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় একমত নন। গণিত কি মিথ্যা বলে? না, বলে না। চলুন তবে সংখ্যাতত্ত্বের আয়নায় দেখে নেওয়া যাক ‘জুলাই সনদ’ বা গণভোট নিয়ে দেশের মানুষের প্রকৃত রায় ঠিক কি ছিল।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading">ভোটের মাঠের সংখ্যাতত্ত্ব</h3>



<p class="wp-block-paragraph">নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যমতে, দেশে মোট ভোটার <strong>১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন</strong>। তবে শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত থাকায় প্রকৃত ভোটার সংখ্যা ছিল <strong>১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৬ জন</strong>।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইসি সচিব আখতার আহমেদের তথ্য অনুযায়ী, গণভোটে ভোট পড়েছে <strong>৬০.২৬%</strong>। মজার ব্যাপার হলো, একই দিনে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে <strong>৫৯.৪৪%</strong>। একই সময়ে, একই পদ্ধতিতে দুই নির্বাচনে ভোটের হারের এই সামান্য পার্থক্য নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থাকলেও, আমরা সচিবের দেওয়া তথ্যকেই বিশ্লেষণের ভিত্তি ধরছি।</p>



<h3 class="wp-block-heading">‘হ্যাঁ’ বনাম ‘না’-এর প্রকৃত চিত্র</h3>



<p class="wp-block-paragraph">ইসি সচিবের তথ্য অনুযায়ী, ৪ কোটি ৮০ লাখ মানুষ ‘হ্যাঁ’ এবং ২ কোটি ২৫ লাখ মানুষ ‘না’ ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এই হিসাবটি শুধুমাত্র প্রদত্ত ভোটের ওপর ভিত্তি করে। যদি আমরা মোট ১২ কোটি ৭৩ লাখ ভোটারের দৃষ্টিকোণ থেকে পুরো বিষয়টি দেখি, তবে চিত্রটি দাঁড়ায় নিম্নরূপ:</p>



<figure class="wp-block-table"><table class="has-fixed-layout"><thead><tr><td><strong>ভোটের ধরণ</strong></td><td><strong>ভোটার সংখ্যা (প্রায়)</strong></td><td><strong>শতাংশ (%)</strong></td></tr></thead><tbody><tr><td><strong>“হ্যাঁ” ভোট (সরাসরি সমর্থন)</strong></td><td>৪ কোটি ৮০ লাখ</td><td><strong>৩৭.৭১%</strong></td></tr><tr><td><strong>“না” ভোট (সরাসরি প্রত্যাখ্যান)</strong></td><td>২ কোটি ২৫ লাখ</td><td><strong>১৭.৬৮%</strong></td></tr><tr><td><strong>ভোট দেননি (অনাগ্রহ/অংশগ্রহণহীনতা)</strong></td><td>৫ কোটি ৬৭ লাখ</td><td><strong>৪৪.৬১%</strong></td></tr></tbody></table></figure>



<p class="wp-block-paragraph"></p>



<h3 class="wp-block-heading">হিসাব করলে দেখা যায়, সরাসরি ‘না’ দেওয়া ১৭.৬৮% এবং ভোটকেন্দ্রে না যাওয়া ৪৪.৬১% ভোটারকে যোগ করলে মোট সংখ্যাটি দাঁড়ায় <strong>৬২.২৯%</strong>। অর্থাৎ, দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ হয় সরাসরি এই প্রক্রিয়ার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন, অথবা ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে এই প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন।</h3>



<p class="wp-block-paragraph">রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ‘নো বোট, নো ভোট’ ক্যাম্পেইন এবং বিএনপির ভোটারদের একটি বড় অংশের নীরব অবস্থান এই পরিসংখ্যানে বড় প্রভাব ফেলেছে।</p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow">
<p class="wp-block-paragraph"><em>&#8220;সংবিধানকে সংশোধন করতে অসাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সংবিধান যেহেতু শাস্তির বিধান রেখেছে, সেহেতু সংবিধান প্রতিপালন প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অবশ্য-কর্তব্য।&#8221;</em></p>
</blockquote>



<h3 class="wp-block-heading">সার্বভৌম সংসদ ও আগামীর পথ</h3>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপি জুলাই সনদের কিছু বিষয়ে আগেই ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা আপত্তি জানিয়েছিল। বর্তমান সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় এই গণভোটের ফলাফল আইনিভাবে কতটা টিকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যেহেতু এই গণভোট হয়েছে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে, সেহেতু সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা রয়েছে এই অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইন হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, তারা কেবল সেই বিষয়গুলোই বাস্তবায়ন করবেন যেগুলোতে তাদের সম্মতি ছিল। ফলে একতরফাভাবে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সংস্কার বা গণভোটের রায় দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সংবিধানকে সংশোধন করতে অসাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সংবিধান যেহেতু শাস্তির বিধান রেখেছে, সেহেতু সংবিধানকে প্রতিপালন প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অবশ্য-কর্তব্য।</p>



<p class="wp-block-paragraph">[হ্যাঁ/না ভোটের শতাংশের হিসাব যদি পালটায়, তবে সংখ্যারও বদল হবে]</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/gonovote-62-percent-no-vote/">গণভোটের প্রকৃত গণিত, ৬২% মানুষ সরাসরি “না” অথবা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/gonovote-62-percent-no-vote/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, সরকার গঠন কবে?</title>
		<link>https://nenews.news/nirbachon-ganovote-antorborti-sorkar/</link>
					<comments>https://nenews.news/nirbachon-ganovote-antorborti-sorkar/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 15:52:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[এনসিপি]]></category>
		<category><![CDATA[গণভোট]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=9793</guid>

					<description><![CDATA[<p>গণভোটে যদি “হ্যাঁ” জেতে, তাহলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ আরও ৯ মাস বর্ধিত হওয়ার সুযোগ থাকবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার জন্য। </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/nirbachon-ganovote-antorborti-sorkar/">ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, সরকার গঠন কবে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে স্বাভাবিকভাবেই এর অব্যবহিত পর পরই নতুন সরকার গঠন হয়ে যাওয়ার কথা। এর ভিন্ন কিছু হয়ে যাওয়াও যে সম্ভব—এবার সেটা নিয়ে কথা বলব। যদিও বলছি না, এমনটাই ঘটবে; যদিও বলছি না নতুন সরকার গঠন হতে হতে আরও ছয়-নয় মাস চলে যাবে; তবে বলছি এর পথ খুলে যাওয়ার আশঙ্কাও আছে এবং এমনটা ঘটতে পারে, যদি গণভোটে যদি “হ্যাঁ” জেতে। বলছি, “হ্যাঁ” জিতলে ২০২৬ সালের পুরোটাই থাকা সম্ভব অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">স্মরণ করে দেখুন, দুই সপ্তাহ আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং মার্চে মুহাম্মদ ইউনূসের জাপান সফরের একটা তথ্য দিয়েছিল। প্রেস উইংয়ের এই তথ্য প্রকাশের পর অনেকেই বলছিলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে মার্চে কীভাবে প্রধান উপদেষ্টার বিদেশ সফর এবং এই তথ্য কেন এখন জানাবে প্রেস উইং, কারণ তখন স্বাভাবিকভাবে তার সরকারপ্রধান থাকার কথা না। ক্ষমতায় আসবে নতুন সরকার।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এর কিছু উত্তর আছে; এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলেও মার্চে সরকারপ্রধান হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের জাপান সফর সম্ভব। এবার দেখি সেটা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হয়ে গেলে একটা নির্বাচিত সরকারের হাতে দেশ চলে যাওয়ার তো কথা। কিন্তু সেটা হবে কিনা—এ নিয়ে ধোঁয়াশা আছে। বিশেষত গণভোটে যদি “হ্যাঁ” জিতে যায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>খেয়াল করুন “হ্যাঁ” ভোটের পরের ধাপগুলো:</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>১.</strong> জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়ন।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>২.</strong> এটা বাস্তবায়নে গঠিত হবে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>৩.</strong> সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা। তারা একইসঙ্গে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে থাকবেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>৪.</strong> তারা পরিষদের সভাপ্রধান ও উপ-সভাপ্রধান নির্বাচিত করবেন। খেয়াল করে দেখুন, এখানে নতুন জাতীয় সংসদের নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। অর্থাৎ এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রক্রিয়া। [দেখুন: জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫-এর ১০। ১ ও ২ ধারা]</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>৫.</strong> জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের একটা সময়সীমা রয়েছে। এটা “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫” অনুযায়ী প্রথম অধিবেশন শুরু থেকে ৯ মাস অর্থাৎ ২৭০ দিন পর্যন্ত। [বাস্তবায়ন আদেশের ৮।(গ)]</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>৬.</strong> বাস্তবায়ন আদেশের ৮। (ঙ) পরিষদ দফা (গ) এ উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে উহার কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে সংবিধান সংস্কার বিল পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং তাহা সংবিধান সংস্কার আইনরূপে কার্যকর হইবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গণভোটে “হ্যাঁ” জয়ের পরের ধাপ এগুলো। এই সময়ে এমপিরা শপথ নিলেও নির্বাচিত সরকার কি গঠিত হবে—এই প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। সরকার নাকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণভোটের আলোকে সংবিধান সংশোধনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে, তবেই কি বিদায় নেবে—এই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>এ-ক্ষেত্রে আরও একটা তথ্য স্মরণ করিয়ে দিই, গত ১১ জানুয়ারি উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রধান উপদেষ্টা মূলত তিনটি বিশেষ ক্ষেত্রে মনোযোগ দেবেন। ডিজিটাল হেলথকেয়ার, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি ও সামাজিক ব্যবসা ও উন্নয়ন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এর অর্থ কী দাঁড়ায়? নির্বাচনের পরেও আমরা ভাবছি সরকারের মেয়াদ শেষ, নতুন সরকারের শুরু; কিন্তু আজাদ মজুমদারের বক্তব্যে বুঝা যাচ্ছে এর পরেও সরকারের হাতে অনেক কাজ আছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এবার উত্তর কি মিলল? ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাদে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ গণভোটের ফলের ভিত্তিতে জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ। ওখানে যদি “হ্যাঁ” জেতে, তাহলে তাদের মেয়াদ আরও ৯ মাস বা ২৭০ দিন বর্ধিত হওয়ার পথ খুলে গেল। ভাবছেন, এসব তো সংবিধান, কোনো আইন, কোনো বিধিবিধানে উল্লেখ নাই; তাহলে কীভাবে সম্ভব? সম্ভব সেভাবেই যেভাবে সংবিধানে না-থাকা গণভোটের আয়োজন হলো; সম্ভব সেভাবে যেভাবে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের নামে হচ্ছে সব।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>এটা তো এরিমধ্যে বুঝে গেছেন—নির্বাচিত সরকারের হাতে জুলাই সনদকে ছেড়ে দেবে না সরকার। গণভোটে “হ্যাঁ” জিতিয়ে তারা নিজেরা এটা বাস্তবায়ন করে, তবেই ছাড়বে ক্ষমতা। সরকার ভালোভাবেই জানে, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ হচ্ছে অস্থায়ী আইন, এবং সংসদ এটা পাশ না করলে অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে তারা কোনোকিছুই অন্যের হাতে ছাড়বে বলে মনে হয় না। এখানে যেখানে যত সাংবিধানিক সংকটের বিষয় আসবে, ততবারই তারা দ্বারস্থ হবে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">সরকারের মেয়াদ যদি দীর্ঘায়ত হয়, তবে মানবে না জনগণ— অনেকেই হয়ত এটা বলবেন। কিন্তু এই যুক্তি মেনে নেওয়ার কারণ আমি দেখি না। কারণ নির্বাচনে জিতবে কোন একটা পক্ষ; হয় বিএনপি, না-হয় জামায়াত-এনসিপি জোট। এখানে মনে রাখা দরকার যারা হারবে সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তরে তারাই অনাগ্রহ দেখাবে। গত দেড় বছরের দেশ শাসনে অন্তত এটা সরকার বুঝতে পেরেছে দেশের ক্রিয়াশীল কোন রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা নেই তাদেরকে ক্ষমতাচ্যুত করার। ফলে এখানে গণভোটের ফলাফলের আলোকে বিশেষ করে “হ্যাঁ” জিতলে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের নামে আরও ৯ মাসের দেশ শাসনের সুযোগ তাদের সামনে এসে যাবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখানে আবার জিতে যাওয়া পক্ষও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য হিসেবে বিবিধ সুবিধা উপভোগের কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেশশাসনে বাগড়া দেবে বলেও মনে হচ্ছে না। সংস্কারের নামে এতদিন অপেক্ষা করা যখন গেলই, তখন না-হয় আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করা ছাড়া উপায়ও নেই তাদের!</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>ক্ষমতা হস্তান্তরে তালবাহানা অথবা দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ নেওয়ার কারণ আছে। এর প্রধান কারণ “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫” নামে যে আদেশ প্রণীত হয়েছে, তাতে কোন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছিল না। এটা ছিল সরকারের একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আবারও স্মৃতি হাতড়াতে বলি—গত বছরের অক্টোবরে “জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫”-এর অঙ্গীকারনামায় সই হয়ে যাওয়ার পর এনসিপি এর আইনি ভিত্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। জামায়াতও এতে সায় দিয়েছিল। বিএনপি বলেছিল, নির্বাচিত সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এনসিপি ছিল নাছোড়বান্দা। এরপর সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছিল। কোন দল এখানে এগিয়ে না-আসার পর সরকার ১৩ নভেম্বর বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে। এনসিপি-জামায়াত ও তাদের শরিকরা বাদে অধিকাংশের মতামত ছিল এটা সরকারের একতরফা সিদ্ধান্ত। </p>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকের সিদ্ধান্তের বাইরে অন্য কিছু প্রতিপালনে রাজনৈতিক দলগুলোর বাধ্যবাধকতা নেই। বাস্তবায়ন আদেশের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার সেই ভাষণের পর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া সরকারের জন্যে ইতিবাচক ছিল না। এখানে সরকারের আশঙ্কা জন্মেছে যে, এই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে না কেউ। আর যারা করতে চায়, ভোটে জিতে আসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>এজন্যে গণভোটে “হ্যাঁ” জিতিয়ে সংসদের সমান্তরালে একটা পৃথক পরিষদ গঠন করে, সংসদের ক্ষমতাকে খর্ব করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাইবে এমন একটা ব্যবস্থা, যেখানে চাইলেও নির্বাচিত সরকার যেন হাত না-দিতে পারে। আমার আশঙ্কা তাই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন মানে, ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার নয়; নতুন সরকার হলেও সরকারের সমান্তরালে আরেক সরকার গঠন করে জুলাই সনদ দিয়ে সংবিধানকে সংশোধন করে ফেলা!</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">গণভোটে “হ্যাঁ”-এর জয় এই অনিশ্চয়তা পথ খুলে দেবে বলে আমার আশঙ্কা। এটাই যে শেষ কথা এমনটা বলছি না, তবু আশঙ্কার কথা উল্লেখ করলাম। মার্চে জাপান সফর নিয়ে যে তথ্য শুনেছিলাম প্রায় দুই সপ্তাহ আগে, সংসদের সমান্তরাল যে পরিষদ এবং এর ক্ষমতা ও কার্যবিধি, এগুলো অনেক কথাই বলে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/nirbachon-ganovote-antorborti-sorkar/">ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, সরকার গঠন কবে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/nirbachon-ganovote-antorborti-sorkar/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণভোট: গুলির নিশানা তোমার দিকে</title>
		<link>https://nenews.news/bangladesh-referendum-2026-gonovote/</link>
					<comments>https://nenews.news/bangladesh-referendum-2026-gonovote/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Jan 2026 11:34:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[গণভোট]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=9606</guid>

					<description><![CDATA[<p>গণভোট তফসিলে উল্লিখিত ৩০টি প্রস্তাব, ত্রিশের মধ্যে একুশটিতে রয়েছে বিভিন্ন দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ অথবা ভিন্নমত।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladesh-referendum-2026-gonovote/">গণভোট: গুলির নিশানা তোমার দিকে</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার করতে যাচ্ছে ‘গণভোট’। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে এটা বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করছে সরকার এবং সরকারের প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণকারীরা।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">গণভোটে যে চার বিষয় আর এক উত্তর—এর অর্থ ‘হ্যাঁ’ বলা মানে সবগুলোতে ‘হ্যাঁ’; আর ‘না’ মানে সবগুলোতে ‘না’। এটা অনেকটাই কাঠগড়ায় দাঁড়ানো আসামিকে আইনজীবীর প্রশ্ন আপনাকে ‘হ্যাঁ/না’ একটা মাত্র শব্দে উত্তর দিতে হবে, অন্য কিছু বলার সুযোগ নাই, সে স্বাধীনতা আপনার নাই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">চার প্রশ্নে একটা মাত্র এক শব্দের উত্তর মানে ‘লাইন অব ফায়ার’; গুলির নিশানা তোমার দিকে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ তোমার নাই।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>এই যে চার বিষয়, সেখানে আছে গণভোট অধ্যাদেশের তফসিলে উল্লিখিত ৩০টি প্রস্তাব, যা সকল দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রণীত বলে দাবি করা হয়েছে। অথচ এটা মিথ্যা বয়ান। আমি লাইন ধরে ধরে দেখিয়ে দিতে পারব যে, এখানে থাকা ত্রিশের মধ্যে একুশটিতে রয়েছে বিভিন্ন দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ অথবা পুরোটা কিংবা খানিকটা ভিন্নমত।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আমরা জানি ‘নোট অব ডিসেন্ট’ মানে ‘আপত্তিপত্র’ অথবা ‘ভিন্নমত পোষণ করা’। আলী রীয়াজদের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যে সব প্রস্তাবে ভিন্নমত পোষণ করেছিল, সেই সব ভিন্নমতকে অগ্রাহ্য করে কমিশন অথবা সরকার গণভোট অধ্যাদেশের তফসিলে এটাকে দেখিয়ে দিয়েছে ‘ঐকমত্য’। এটা সকল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেওয়া সকল দলের প্রতি একটা অপমান। বাস্তবায়ন আদেশের কথা আছে আবার, যেখানে নতুন কিছু আরোপ করা হয়েছে যা নিয়ে বৈঠকে আলাপই করেনি কমিশন। এমন অভিযোগ করেছে খোদ বিএনপিই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">রাজনৈতিক দলগুলো এখন এমনই একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, বৈঠকে ‘ভিন্নমত’ দিলেও অধ্যাদেশের তফসিলকে মেনে নিতে হচ্ছে, অথবা অপমানটা গিলে ফেলতে হচ্ছে। বসতে হচ্ছে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যে বিষয় উল্লেখপূর্বক গণভোট তাতে সকল দলের সকল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ অগ্রাহ্য হতে যাচ্ছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-কে জিতিয়ে তারা তাদের নিজেদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’-কে ‘না’ বানিয়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতার পথে। এখানে ‘হ্যাঁ’ জিতলে সকল দলের আগের সকল আপত্তি ‘Null and void.’ এমনকি বিএনপি-জামায়াতের আপত্তিগুলোও বাতিল হয়ে যাচ্ছে, চলে আসছে প্রতিপালন ও বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা। যে অঙ্গীকারনামায় সই করে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বাস্তবায়নের, সে দস্তখত এখন দাসখত হয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়। এছাড়া আর উপায় নেই তাদের।</p>



<p class="wp-block-paragraph">৩০ দল ও জোট ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ রচনা প্রক্রিয়ায় ছিল। এদের মধ্যে এনসিপিসহ ৫টি দল এতে সই করেনি। তবে এনসিপি হচ্ছে সে চার দলের একটা দল, যারা জুলাই সনদের কোন প্রস্তাবেই ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেয়নি। কোনো নোট অব ডিসেন্ট না দেওয়া অপর ৩ দল হচ্ছে—বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন ও ইসলামী ঐক্যজোট। </p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>সত্যি কথা বলতে কী জুলাই সনদ হচ্ছে এই চারটা ক্ষুদ্র দল ও সরকারের কর্মসূচি। অন্য যারা এখন ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বলছে, এরা হয় প্রতারণা করছে, নয়তো প্রতারিত হয়েছে, না-হয় নিজেদের মেরুদণ্ড খুঁজে পাচ্ছে না, অথবা মেরুদণ্ডের আবশ্যকতা বুঝতে পারছে না। কারণ এখন যদি তারা আপত্তিতেও সম্মতি জানায়, তবে কমিশনের বৈঠকে আপত্তি করল কেন তারা? এটা কি দ্বিচারিতা নয়?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">যেকোনো রাজনৈতিক দলের এগিয়ে যাওয়ার এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রথম শর্ত হচ্ছে প্রতারণা না করা, নিজেদের অবস্থানকে ধরে রাখা, এবং প্রতারিত না হওয়ার মতো অবস্থান তৈরি করা। এটা করতে ব্যর্থ সকল দলই। তারা চাপের মুখে হোক, আর মেরুদণ্ডের অস্তিত্বহীনতায় হোক, নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। এক্ষেত্রে তারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে চায়, তবে তার আগে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে কমিশনের বৈঠকে দেওয়া সকল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রত্যাহার করুক। এতে অন্তত জবাবদিহি নিশ্চিত হবে তাদের।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে এই জুলাই সনদ যে স্রেফ কাগুজে এক দলিল এর প্রমাণ প্রথম সুযোগেই দিয়ে রেখেছে রাজনৈতিক দলগুলো। জুলাই সনদের একটা অন্যতম শর্ত ছিল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নে ৫ শতাংশ নারী মনোনয়ন। এটা তারা অগ্রাহ্য করেছে। এই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে যত যাই দাবি করা হোক না কেন, এর আইনি ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ, এটাকে তাই আমি ‘লঙ্ঘন’ বলব না। এটা বলা যায়, পাত্তা না দেওয়া; কোনো দলই এই জুলাই সনদকে পাত্তা দেয়নি; এমনকি যে চারটি দল বৈঠকে বসে—“সাহেব কহেন, ‘চমৎকার! সে চমৎকার!’/ মোসাহেব বলে, ‘চমৎকার সে হতেই হবে যে!/ হুজুরের মতে অমত কার’?” নীতিতে ছিল, তারাও এটাকে পাত্তা দেয়নি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গণভোটে ‘হ্যাঁ/না’ তাই কেবল রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়; এটা আত্মসম্মানবোধেরও। অবশ্য টের পাওয়ার মতো আত্মসম্মানবোধটাও জরুরি এখানে!</p>



<p class="wp-block-paragraph"><br>কবি শঙ্খ ঘোষের একটা বিখ্যাত কবিতা ‘হামাগুড়ি’। <br>“কি খুঁজছেন? <br>মিহি স্বরে বললেন তিনি: মেরুদণ্ডখানা।<br>সেই মুহুর্তে বিদ্যুৎ ঝলকালো ফের। <br>চমকে উঠে দেখি: একা নয়, বহু বহু জন, একই খোঁজে হামা দিচ্ছে এ-কোণে ও কোণে ঘর জুড়ে।” </p>



<p class="wp-block-paragraph">কবিরা আসলে এমনই, স্বকালে বসে লেখেন মহাকালের কবিতা, যা চিরকালীন সত্য হয়ে সামনে আসে বারবার। খুঁজবেন কেউ?</p>



<p class="wp-block-paragraph">গণভোটে ‘হ্যাঁ/না’ যাই জিতুক—আমাকে আগ্রহী করছে না; আমার আগ্রহ কেবলই মেরুদণ্ডে! আমি আমার মেরুদণ্ডে হাত দিয়ে, দেখতে বসেছি অন্যের অবস্থা!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladesh-referendum-2026-gonovote/">গণভোট: গুলির নিশানা তোমার দিকে</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bangladesh-referendum-2026-gonovote/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিসিবিতে উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপ,  স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরকারি এখতিয়ার কতটুকু?</title>
		<link>https://nenews.news/bcb-cricket-asif-nazrul-icc/</link>
					<comments>https://nenews.news/bcb-cricket-asif-nazrul-icc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 13:51:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[Sports]]></category>
		<category><![CDATA[আসিফ নজরুল]]></category>
		<category><![CDATA[উপদেষ্টা]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রিকেট বোর্ড]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রিকেটার]]></category>
		<category><![CDATA[বিসিবি]]></category>
		<category><![CDATA[মোস্তাফিজুর রহমান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=9411</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিসিবিতে সরকারি হস্তক্ষেপ হতে যাচ্ছে কেবল একজন উপদেষ্টার অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত ও ফেসবুকের লাইক কামানোর অভীপ্সা থেকে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bcb-cricket-asif-nazrul-icc/">বিসিবিতে উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপ,  স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরকারি এখতিয়ার কতটুকু?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিসিবিতে যে হস্তক্ষেপ করেছেন, এটা তিনি নিয়ম অনুযায়ী পারেন না। কারণ বিসিবি একটা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটা সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান নয়। এর নিজস্ব গঠনতন্ত্র ও নিজস্ব পরিচালনা পরিষদ রয়েছে। এটা কোন কোম্পানি আইন দ্বারাও পরিচালিত নয়, নয় কোন ট্রাস্ট আইন দ্বারাও পরিচালিত।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">বিসিবি পরিচালনা হয় নিজস্ব গঠনতন্ত্র দিয়ে। এর কার্যক্রমের তদারকি ও এতে নিজেদের প্রতিনিধি থাকলেও জাতীয় ক্রীড়া <a></a>পরিষদেরও (এনএসসি) ক্ষমতা নাই বিসিবির কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা। কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ারও ক্ষমতা নাই এখানে কারও। বিসিবিতে সরকারের সরাসরি সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকে না, সরকার এখানে প্রভাব রাখে শুধু এনএসসির দ্বারা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিসিবির যে গঠনতন্ত্র, এটাও পরিবর্তন করতে পারে না ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, এমনকী কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা এনএসসিও পারে না। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে বিসিবি নিজেই গঠনতন্ত্র সংশোধনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত। অর্থাৎ সরকার সরাসরি এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আইসিসি বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপকে কঠোরভাবে দেখে। এরআগে শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের ওপর আইসিসির নিষেধাজ্ঞা আমরা দেখেছি, এবং এগুলো হয়েছে ক্রিকেটে দেশগুলোর সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>এবার ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে বাংলাদেশের ইন্তেরিম সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল যা করেছেন, এটা ক্রিকেটে সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপ। বিশ্বকাপে দল না পাঠানোর প্রকাশ্য নির্দেশনা দিতেও দেখেছি আমরা তাকে ফেসবুকে। তার নির্দেশ প্রতিপালনে বিসিবি সে অনুযায়ী চিঠিও দিয়েছে আইসিসিকে। এখানে আইসিসিকে বিসিবির যে চিঠি, সে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নিজস্ব সিদ্ধান্তের কোনো চিঠি নয়, এটা সরকারি নির্দেশনায় হয়েছে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ইএসপিএন-ক্রিকইনফো যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে—আইসিসি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধকে গ্রাহ্য করেনি। উলটো পয়েন্ট কেড়ে নেওয়ার কথা বলছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ রয়েছে ভারতে। আইসিসি যখন বাংলাদেশের অনুরোধ রাখবে না বলে জানাচ্ছে, তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি, ইংল্যান্ড ও নেপালের বিপক্ষে চারটি ম্যাচ থেকেই পয়েন্ট হারাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ গ্রুপ পর্বেই কোনো ম্যাচ না খেলেই বাদ পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>বিসিবিতে সরকারি এই হস্তক্ষেপের কারণে এতে বাংলাদেশের সর্বনাশ হয়ে গেল। এটা হতে যাচ্ছে কেবল একজন উপদেষ্টার অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত ও ফেসবুকের লাইক কামানোর অভীপ্সা থেকে। এটা দুর্ভাগ্যজনক।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">উপদেষ্টা আসিফের এই ফেসবুক স্ট্যাটাস ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বিসিবিতে সরকারি হস্তক্ষেপে, বাংলাদেশের ক্রিকেটের এই সর্বনাশের একটা জায়গা বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারা, অন্য সমস্যার হতে পারে ভবিষ্যতে। এর জের ধরে আইসিসি থেকে নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে পারে বাংলাদেশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উপদেষ্টা আসিফের নির্দেশনাকে কি এখানে অগ্রাহ্য করতে পারত না বিসিবি? পারত, যদি মেরুদণ্ডখানা জায়গামতো থাকত। বিসিবির প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল ক্রিকেটার হিসেবে ছিলেন আমাদের পছন্দের, এবং অন্য উচ্চতার; কিন্তু প্রশাসক হিসেবে তিনি অন্তত সেই উচ্চতাকে ধরে রাখতে পেরেছেন বলে প্রমাণ হয়নি। একটা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার যে ব্যক্তিত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা-যোগ্যতার দরকার ছিল, তার অভাব প্রকট রূপে ধরা পড়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>ব্যক্তিকেন্দ্রিক একটা ক্ষুদ্র সমস্যাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে অনাহুত উত্তেজনা ও অযাচিত প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন রীতিমতো ক্রসরোডে। আমাদের সামনে এখনই কেবলই অন্ধকার।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">সাংগঠনিক দক্ষতা আর ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি’ দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ২০০০ সালে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পেয়েছিল আইসিসির পূর্ণ সদস্যপদ। ফেসবুক লাইকের নিদারুণ আকাঙ্ক্ষা, সাংগঠনিক অদক্ষতা, ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যা এবং অযাচিত সরকারি হস্তক্ষেপে সে মর্যাদা আজ পড়ে গেল শঙ্কায়।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bcb-cricket-asif-nazrul-icc/">বিসিবিতে উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপ,  স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরকারি এখতিয়ার কতটুকু?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bcb-cricket-asif-nazrul-icc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাত্র ১০ মাসে নাহিদ ইসলামের ১০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে ২৩ লক্ষ, বেড়েছে অন্যান্য সম্পদ</title>
		<link>https://nenews.news/ncp-nahid-islam-sompod-briddhi/</link>
					<comments>https://nenews.news/ncp-nahid-islam-sompod-briddhi/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 15:07:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ সম্পদ]]></category>
		<category><![CDATA[এনসিপি]]></category>
		<category><![CDATA[নাহিদ ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[হলফনামা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=9277</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিজেকে ১০ হাজার টাকার মালিক দাবি করা নাহিদ ইসলাম, এনসিপির দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১০ মাসে নগদ অর্থ বেড়েছে প্রায় ২১৮ গুণ, সম্পদ ৩০ লক্ষ টাকার</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/ncp-nahid-islam-sompod-briddhi/">মাত্র ১০ মাসে নাহিদ ইসলামের ১০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে ২৩ লক্ষ, বেড়েছে অন্যান্য সম্পদ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>আপনাদের কি মনে আছে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে পদত্যাগ করা তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের ফেসবুক পোস্ট? পোস্টে তিনি তাঁর সম্পদের তথ্য জানিয়েছিলেন দেশবাসীকে, ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলেন তাঁর ‘একমাত্র’ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য। প্রকাশিত ব্যাংক হিসাব বিবরণীতে দেখা গিয়েছিল ওই তারিখ পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে তাঁর স্থিতি ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">নাহিদ ইসলাম লিখেছিলেন—“উপদেষ্টা পদে যোগদানের আগে আমার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। ২১ <a></a>আগস্ট উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানী গ্রহণের লক্ষ্যে সরকারিভাবে সোনালী ব্যাংকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলি। উক্ত অ্যাকাউন্টে ২১ আগস্ট ২০২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত লেনদেনের হিসাব জনগণের কাছে উপস্থাপন করছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উক্ত হিসাবে ১০,০৬,৮৮৬ (দশ লক্ষ ছয় হাজার আটশত ছিয়াশি) টাকা জমা হয়েছে এবং ৯,৯৬,১৮৮ (নয় লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার একশত আটাশি) টাকা উত্তোলিত হয়েছে। উল্লেখ্য, সোনালী ব্যাংকের এই অ্যাকাউন্টটি ছাড়া আমার অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট নেই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন, আমার বা আমার পরিবারের কোনো সদস্যের (স্ত্রী/মা/বাবা) নামে বাংলাদেশের কোথাও জমি বা ফ্ল্যাট নেই বা আমার বা আমার পরিবার কর্তৃক ক্রয় করা হয়নি।”</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>নাহিদ ইসলাম সরকারের উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করে এরপর দায়িত্ব নিয়েছিলেন কিংস পার্টি হিসেবে পরিচিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি-এনসিপির। এই সময়ে অনেকেই ফেসবুকে প্রশ্ন রেখেছিলেন সাড়ে ১০ হাজার টাকার মালিক নাহিদ ইসলাম কীভাবে এত বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন।</strong></p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="634" height="509" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2026/01/Nahid-Islam-post-screenshot.jpg" alt="এনসিপি দলের প্রধান নাহিদ ইসলামের ফেইসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট যেখানে তিনি তার নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখিয়ে নিজের নিম্ন আয় প্রমান করতে চেয়েছিলেন।" class="wp-image-9278" style="width:840px;height:auto" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2026/01/Nahid-Islam-post-screenshot.jpg 634w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2026/01/Nahid-Islam-post-screenshot-300x241.jpg 300w" sizes="(max-width: 634px) 100vw, 634px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>এনসিপি দলের প্রধান নাহিদ ইসলামের ফেইসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট।</em></figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">সাড়ে ১০ হাজার টাকার মালিক নাহিদ ইসলাম পদত্যাগের সাড়ে ১০ মাস পর যখন নির্বাচনী হলফনামা দাখিল করলেন, তখন দেখা যাচ্ছে—এখন তিনি বিপুল অর্থ এবং সম্পদের মালিক। পিতা যখন বর্তমান আছেন, তখন পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সম্পদ বলার সুযোগ এখানে নেই। ৩০ লক্ষ টাকার সম্পদের মালিক তিনি, স্ত্রীর নামে আছে আরও ১৫ লক্ষ টাকার সম্পদ। আছে স্বর্ণের গয়না, আছে ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও আসবাবপত্র।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>নিজের পেশা হিসেবে হলফনামায় তিনি বলছেন—‘পরামর্শক’। অথচ আমরা তাঁকে দেখে আসছি এনসিপি নামের দলের প্রধানের দায়িত্ব পালন করতে। অনেকেই এই পরামর্শ পরিষেবাকে ‘তদবিরবাজি’, কেউ কেউ আবার আরও চটুল ভাষায় একে ‘দালালি’ রূপে বর্ণনা করছেন। আমি এখানে কোন মন্তব্য করব না। শুধু আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখব তাঁর সম্পদ নিয়ে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব বিবরণী প্রকাশ করে সাড়ে ১০ হাজার টাকা দেখিয়েছিলেন নাহিদ, এখন এটাকে তিনি নিয়ে গেছেন সাড়ে ১৯ লক্ষ টাকায়; আগে যেখানে বলেছিলেন সোনালী ব্যাংক ছাড়া আর কোথাও তাঁর অ্যাকাউন্ট নেই, এখন তিনি বলছেন—ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর নামে জমা আছে ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা। অর্থাৎ পদত্যাগের পর তিনি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্ট করেছেন। অন্য সম্পদের তথ্য বাদ দিলেও কেবল সাড়ে ১০ হাজার টাকার অর্থসম্পদই তাঁর ছাড়িয়ে গেছে ২৩ লক্ষ। দশ মাসে নগদ অর্থ ২১৮ গুণ বেড়ে গেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>নাহিদ ইসলামের আগের অবস্থা আর বর্তমান অবস্থা অন্য কারো অনুসন্ধানী কিছু নয়। এগুলো তাঁর নিজের দেওয়া তথ্যই। ফেব্রুয়ারিতে তাঁর সততা নিয়ে গলা উঁচা করা লোকজনেরা কি শুনছেন? এটা তো দৃশ্যমান, যা প্রকাশ না করলেই নয়। এরবাইরের অর্থসম্পদ নিয়ে না-হয় কথা আমরা আপাতত না-ই বললাম! নাহিদ নিজে নিজের সম্পর্কে যে তথ্য দিচ্ছেন, সেটাও তো ভয়াবহ!</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি অনেককে আবেগের আতিশয্যে নাহিদ ইসলামকে ‘ইমাম’, ‘গণতন্ত্রের ইমাম’, ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’—ইত্যাদি নানা অভিধা দিতে দেখেছি। নিজের বয়ানে এই যদি হয় তাঁদের ‘ইমাম’-এর অবস্থা। তাহলে কোনো এক ধর্মীয় বক্তার টুকরো মন্তব্যকে ধার করে বলতে হয়—“মুরুব্বি-মুরুব্বি, উহুউউউউহু…”</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/ncp-nahid-islam-sompod-briddhi/">মাত্র ১০ মাসে নাহিদ ইসলামের ১০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে ২৩ লক্ষ, বেড়েছে অন্যান্য সম্পদ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/ncp-nahid-islam-sompod-briddhi/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খালেদা জিয়াকে কি চিকিৎসার মাধ্যমে কিংবা বিনাচিকিৎসায় &#8216;মাইনাস&#8217; করা হচ্ছে?</title>
		<link>https://nenews.news/khaleda-zia-bnp-minus-formula/</link>
					<comments>https://nenews.news/khaleda-zia-bnp-minus-formula/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 18:08:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[খালেদা জিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[চিকিৎসা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[মাইনাস]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=8416</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিএনপির বহিস্কৃত নেতা মেজর (অব) আখতারুজ্জামানের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টা খালেদা জিয়াকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি...</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/khaleda-zia-bnp-minus-formula/">খালেদা জিয়াকে কি চিকিৎসার মাধ্যমে কিংবা বিনাচিকিৎসায় &#8216;মাইনাস&#8217; করা হচ্ছে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতাদের বেশিরভাগ কতটা বিএনপির, বিশেষ করে মুমূর্ষু অবস্থায় থাকা খালেদা জিয়ার জন্যে নিবেদিত, আর কতটা সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ব্যস্ত—এটা নিয়ে পরিস্কার দ্বিধায় পড়ে গেছি। এই দলের বহিস্কৃত নেতা মেজর (অব) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বক্তব্যের পর এই সন্দেহ আরও বেশি দৃঢ় হয়েছে। তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় অবহেলার কথা বলছেন। একটি টকশোর আলোচনায় রঞ্জনের বক্তব্যকে অতিরঞ্জন মনে হয়নি, মনে হয়েছে তিনি সত্যই বলছেন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আখতারুজ্জামান রঞ্জন <a></a>বিএনপির অনুকম্পাপ্রত্যাশী নন। তিনি খালেদা জিয়াকে ‘দেশমাতা’ সম্বোধন করে কথা বলেন। এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখে এসেছেন তিনি। দূর থেকে দেখা এসব। কেউই এখানে কাছে যেতে পারে না; সে সুযোগ নেই। তিনি দেহের আত্মার বিযুক্তির কথা বলেছেন। এটা ভয়ানক দুঃসংবাদ। এই দুঃসংবাদ কেবল বিএনপির জন্যেই নয়, এটা দেশের গণতন্ত্রকামী বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্যে দুঃসংবাদ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বেগম খালেদা জিয়া বিএনপি নেত্রী হলেও তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির দুই বটবৃক্ষের একজন। ব্যক্তি-দলীয় ও শাসক হিসেবে যত সমস্যা থাকুক না কেন খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতির অপরিহার্য দুই নাম। তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু ও অব্যাহত থেকেছে। এই দুজনের ক্ষমতাচ্যুতিতে বাংলাদেশ এখন অতল অন্ধকারে নিমজ্জিত। এখন সংসদ নেই, সংসদীয় গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্রে ফেরার সম্ভাবনাও নেই। বাংলাদেশ এখন যেখানে দাঁড়িয়ে, সেখানে উটকো ঝামেলা সংবিধানের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংবিধানকে রক্ষা করার নামে সংবিধান লঙ্ঘনের প্রাতিষ্ঠানিকতা সম্পন্ন দেশে। এখান থেকে ফেরার রাস্তা নেই। অর্থাৎ এ-দুই নেত্রীর নির্বাসন ও প্রস্থান আয়োজনের সব কার্যাদি সম্পন্নের পর বাংলাদেশ এখন দক্ষিণপন্থীদের হাতে চলে যাওয়ার উপক্রম।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় দিয়ে শেখ হাসিনার রাজনীতি শেষ করে দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখান থেকে ফিরে আসা ‘মিরাকল’ ছাড়া আর কিছু নয়। আবার আখতারুজ্জামান রঞ্জন যা বলছেন, তাতে মিরাকলেরও সম্ভাবনা নাই। এদিকে, তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। তিনি স্পষ্ট বলছেন, দেশে ফেরা তার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। আবার সরকারের লোকজন এমন কিছু করছেন, যা দরদের মতো দেখালেও ভিন্ন উদ্দেশ্য পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে। অতি-উৎসাহকে সবসময়ই ভিন্ন চোখে দেখা হয়, এখানেও তাই। আমরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি খন্দকার মোশতাকের অতি-দরদেরও কথা শুনেছিলাম।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" width="820" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Tariq-Zia-Travel-Pass-820x1024.jpg" alt="" class="wp-image-8417" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Tariq-Zia-Travel-Pass-820x1024.jpg 820w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Tariq-Zia-Travel-Pass-240x300.jpg 240w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Tariq-Zia-Travel-Pass-768x960.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Tariq-Zia-Travel-Pass-1229x1536.jpg 1229w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Tariq-Zia-Travel-Pass.jpg 1639w" sizes="(max-width: 820px) 100vw, 820px" /></figure>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ যেখানে খালেদা জিয়ার প্রতি অতিরিক্ত দরদ দেখানো হচ্ছে, সেখানে এই অতিরিক্ত দরদের আড়ালে যে ভিন্ন কিছু নেই—সে কে বলবে! দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির কিছু নেতা এখানে সহচর হয়েছেন। আখতারুজ্জামানের অভিযোগ—হাসপাতালে নেওয়ার চব্বিশ ঘণ্টা বেগম খালেদা জিয়াকে কোনোপ্রকার চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। তিনি বলছেন, সশস্ত্র বাহিনী দিবসে অগ্রহায়ণের শীতে খালেদা জিয়াকে নিয়ে গিয়ে তাকে ঠান্ডা লাগানো হয়েছে, ফলে এই অবস্থা হয়েছে তার। তার অভিযোগ এখানে বিএনপির শীর্ষ নেতারাও জড়িত। স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে শুরু হয়েছে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন এই দ্বন্দ্ব। তারেক রহমান যখন বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার আগে দেশে স্থায়ীভাবে ফেরা কঠিন, তখন তার মন্তব্যকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার এভারকেয়ার হাসপাতালের পাশে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান মহড়া করবে। এটা নিয়ে কেউ যেন আতঙ্কিত না হয়, এ পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ভাবুন তো, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে যেখানে খালেদা জিয়া, সেখানে সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে সরকার। এই প্রশিক্ষণ বিমানের শব্দে কি সমস্যা হবে না খালেদা জিয়ার? এটা নিয়েও বিএনপি নেতারা চুপ। এখানে এই বিমানগুলো যদি খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্যে নিয়ে আসার কথা বলো হতো, তবে এখানে সমস্যা ছিল না; কেউ আপত্তিও জানাত না। কিন্তু এটা প্রশিক্ষণের জন্যে। প্রশিক্ষণের নাম করে তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্যে বলা হতো তবে কে এখানে আপত্তি করত? কেউ না। লোকসমাগম ও ভিড় ঠেকাতে যদি প্রশিক্ষণের নাম নেওয়া হয়, তবে এটা যে ছলচাতুরী ও মিথ্যাচার; এটা কেন করা হলো? এই ভিড় নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা কি নেই সরকারের?</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপির এক শ্রেণির নেতা বলতে শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের আমলে খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা পাননি। এটা শাসকের প্রেসক্রিপশন। এই প্রেসক্রিপশন বাতলে দেওয়া হয়েছে মূলত গত ১৭ মাসের চিকিৎসায় অবহেলার দায় ঢাকতে। গত ১৭ মাসে কী চিকিৎসা করেছেন তারা খালেদা জিয়ার? একবার বিদেশ নিয়ে গেছেন। একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে। এরবাইরে জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তারা সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে নিয়ে গেছেন, হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে অবজারভেশনে রেখেছেন চব্বিশ ঘণ্টা বিনাচিকিৎসায়। বলতে পারেন—অবজারভেশনও চিকিৎসার অংশ, কিন্তু একজন মুমূর্ষু রোগীর জন্যে কতটা প্রযোজ্য সেটা কি ভাবার মতো নয়? এটা কি অদ্যকার অবস্থার জন্যে দায়ী নয়?</p>



<p class="wp-block-paragraph">খালেদা জিয়ার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন, অথচ বিদেশ নিয়ে যেতে বিলম্ব করা হচ্ছে। তাকে এমন এক অবস্থায় নিয়ে গিয়ে হয়তো একটা সময়ে বিদেশে নেওয়াও হতে পারে; এটা যদি হয় তবে আগে কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো না? এই বিদেশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত কি অন্তিম সিদ্ধান্ত দেশের বাইরে থেকে আসলে সরকারের দায়মুক্তি বিষয়ক?</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>২১ নভেম্বর খালেদা জিয়ার সঙ্গে পাশাপাশি চেয়ারে বসে হাসিমুখে ছবি তুললেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। এর দুইদিন পর ওই ছবি তোলার অনুষ্ঠানে যাওয়ার কারণে ঠান্ডা লেগে হাসপাতালে গেলেন খালেদা জিয়া। সেই খালেদা জিয়াকে হুট করে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে বসল সরকার। অথচ হাসপাতালে যাওয়ার প্রথম ১০ দিন একবারের জন্যে হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ না করলেন প্রধান উপদেষ্টা। ফেসবুকে সুস্থতা কামনায় স্ট্যাটাস দিয়েছেন সত্য, আর দেখতে গেলেন ১০ দিন পর। এটা কি লোকদেখানো নয়? এই ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণাকে বিএনপির নেতারা উদযাপন করল হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে রেখে। তারা ভুলে গেল সময় এখন সরকারি ঘোষণার উদযাপন নয়, এ সময়টা স্রেফ সঠিক চিকিৎসার। বিএনপিকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে আসতে যে খালেদা জিয়া সারাজীবন ব্যয় করলেন, তার প্রতি এমন গুরুত্বহীন অনভিপ্রেত।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আজ দেশ রূপান্তর অনলাইনে একটা খবর বেরিয়েছে, খালেদা জিয়ার জন্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পাঠাত প্রস্তুত কাতার। ২৯ নভেম্বর এ অনুরোধ জানিয়েছে দেশটিকে চিঠি লিখেছিলেন বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম। এখানেও সরকারের অংশগ্রহণ নেই, যা করছে সেটা করছে কেবল দলই। অথচ লোকদেখানো ভিভিআইপি ঘোষণা করে বসে আছে সরকার। এখানে বিদেশে পাঠানো এবং এর দায়িত্ব নেওয়া কিছুই ছিল না সরকারের। তারা কেবল মুখরক্ষার একটা ঘোষণা দিয়ে বসে আছে, অথচ সবখানে রয়েছে তাদের চূড়ান্ত রকমের অবহেলা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সরকারের সবরকমের অবহেলা সত্ত্বেও বিএনপির শীর্ষ নেতারা এ বিষয়কে সামনে আনতে নারাজ। তারা বরং খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার চাইতে সরকারের একটা ঘোষণার মাহাত্ম্য বর্ণনায় উচ্চকণ্ঠ। এটা খালেদা জিয়ার জন্যে দুর্ভাগ্যজনক। যে দলটির নেতারা খালেদা জিয়ার কারণেই আজকের এই অবস্থানে, দলের নেত্রীর এই কঠিন সময়ে তারা সমূহ অবহেলাকে অগ্রাহ্য করে সরকার-তোষণে ব্যস্ত সময় পার করছেন; একই সঙ্গে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে মরিয়া।</p>



<p class="wp-block-paragraph">খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের ‘অধ্যাপক’ যোগ্যতা নিয়ে আখতারুজ্জামান রঞ্জন বলেছেন—এটা বিএনপির ‘কোটায়’। এটা নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করব না। আখতারুজ্জামান আরও বলছেন, গত সরকারের আমলে একটা ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গড়েছেন ডা. জাহিদ গড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দেখভালের দায়িত্ব এখানে দলীয় পদ ভার দিয়ে হয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, এখানে শুরু থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণ নেওয়া উচিত ছিল। আখতারুজ্জামান বিএনপি থেকে বহিস্কৃত বলে অনেকেই তার কথাগুলোকে আমলে নিতে চাইবেন না, কিন্তু তিনি ভুল কি বলেছেন? এখন চীন ও যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বিএনপির নেত্রীর চিকিৎসা করছেন, তারা হয়তো বিদেশে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তও দেবেন; যদি দিয়ে থাকেন, তবে এটা কি দেরি হয়ে গেল না? এখানে কি সত্যি কোন ষড়যন্ত্র নেই? এখানে কি বিএনপির কেউ জড়িত নয়?</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" width="819" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Zubaida-Rahman-for-Khaleda-Zia-819x1024.jpg" alt="" class="wp-image-8418" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Zubaida-Rahman-for-Khaleda-Zia-819x1024.jpg 819w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Zubaida-Rahman-for-Khaleda-Zia-240x300.jpg 240w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Zubaida-Rahman-for-Khaleda-Zia-768x960.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Zubaida-Rahman-for-Khaleda-Zia-1229x1536.jpg 1229w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Zubaida-Rahman-for-Khaleda-Zia.jpg 1638w" sizes="(max-width: 819px) 100vw, 819px" /></figure>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>‘মাইনাস-টু’ নামে একটা প্রক্রিয়া শুরু করেছিল এক-এগারো তত্ত্বাবধায়ক সরকার। চব্বিশের জুলাই-সরকার দিয়ে তার শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হলো তবে? শেখ হাসিনাকে বিচারের নামে ‘মাইনাস’ সম্পন্ন, বাকি খালেদা জিয়া, তাকে কি চিকিৎসার মাধ্যমে কিংবা বিনাচিকিৎসায়? দেশ থেকে পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির নির্মূল করা হবে বলে এতদিন বলছিল যারা, তারা কি এর মাধ্যমে সফল হতে যাচ্ছে?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">হাসিনা নাই, খালেদা নাই; জয় নাই, তারেক নাই, পুতুল নাই—এই নাই-নাইদের ভিড়ে বিএনপি-আওয়ামী লীগ থাকলেও এটা আসলে নাই-ই। ফলে দক্ষিণপন্থার যে উল্লম্ফন দেখেছিলাম আমরা, তাদের হাতে কি দেশের ক্ষমতা তুলের দেওয়ার আয়োজন সারা?</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রবল সুবিধাজনক রাজনৈতিক অবস্থানে থেকে বিএনপির যারা এতদিন আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মব ও আইন-আদালতের নামে কোণঠাসা করার প্রক্রিয়ায় হাততালি দিচ্ছিলেন, তারা কি এখন নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা করতে পারছেন? কামনা করি ‘মিরাকল’ কিছু ঘটুক, খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে উঠুন; তবে কামনা আর প্রার্থনা থেকে বাস্তবতা অনেক দূর। এই সময়ে সত্যি যদি তারেক রহমান না ফিরতে পারেন তবে কেবল বিএনপির রাজনীতিরই সর্বনাশ হবে না; সর্বনাশ হয়ে যাবে দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিরও।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আপনি তারেক রহমানের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও আদর্শের প্রবল বিরোধী হলেও এই মুহূর্তে অন্তত তার দেশে ফেরাকে স্বাগত জানান। তারেক রহমান কেবল বিএনপিরই ত্রাণকর্তা হবেন না, এই মুহূর্তে তিনিই একমাত্র পারেন বাংলাদেশকে রক্ষা করতে। আমরা ধ্বংসের মুখোমুখি, দেশ বাঁচাতে এই মুহূর্তে তারেক রহমানের ফেরা ছাড়া উপায় নাই। তিনি যোগ্য নাকি অযোগ্য—এই হিসাব পরে হবে; আগে দেশ!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/khaleda-zia-bnp-minus-formula/">খালেদা জিয়াকে কি চিকিৎসার মাধ্যমে কিংবা বিনাচিকিৎসায় &#8216;মাইনাস&#8217; করা হচ্ছে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/khaleda-zia-bnp-minus-formula/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় দেবে ট্রাইব্যুনাল, আইন নাকি অধ্যাদেশের ভিত্তিতে?</title>
		<link>https://nenews.news/sheikh-hasina-tribunal-verdict/</link>
					<comments>https://nenews.news/sheikh-hasina-tribunal-verdict/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 14:10:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[অধ্যাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=7787</guid>

					<description><![CDATA[<p>তড়িঘড়ি করে আইসিটি আইনের সংশোধন করে অধ্যাদেশ হয়েছে। অধ্যাদেশ মানে চূড়ান্ত আইন নয়। পরের সংসদ এটাকে পাস না করলে অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যায়।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/sheikh-hasina-tribunal-verdict/">শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় দেবে ট্রাইব্যুনাল, আইন নাকি অধ্যাদেশের ভিত্তিতে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কাল রায় দেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ <strong>যতটা</strong> বড়, ততটা গুরুত্ব পায়নি এই বিচারকার্য। খুব তড়িঘড়ি করে এই বিচার হয়েছে।</strong> <strong>কেবল তড়িঘড়িই নয়, আইসিটি আইনে কি এই বিচার হলো? না, এটা অধ্যাদেশে হচ্ছে। আইসিটি আইনের সংশোধন করে অধ্যাদেশ হয়েছে। অধ্যাদেশ মানে চূড়ান্ত আইন নয়। পরের সংসদ যদি এটাকে পাস না করে, তবে রাষ্ট্রপতির এসব অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যায়।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রসিকিউশনের অভিযোগ মানবতাবিরোধী অপরাধ। অথচ মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় প্রসিকিউসনের যে যুক্তিগুলো শুনলাম তাতে অনেকেই হাসির উপাদান পেয়েছে। এই যে মাথায় গুলি, কোঁকড়া চুলে গুলি লাগার তথ্য, চুল পুড়ে গেছে; গুলির সঙ্গে সঙ্গে গুলিবর্ষণকারীরা যে সব কথা বলছিল, তৎক্ষণাৎ সেগুলো শুনে আমি নিশ্চিত অনেকেই হেসে দেবে। আমি জানি না, প্রতিটি শুনানির দিন সবাই মিলে এগুলো নিয়ে হাসাহাসি করেছিল কিনা। তাদের নিজেদের মধ্যে হাসাহাসির বিষয়টা আমরা না জানলেও আমি অনেকবার শুনে এবং মিডিয়ায় সেগুলো পড়ে বেশ হেসেছি। সঙ্গে এ ভেবেও শঙ্কিত হয়েছি এসবের মাধ্যমে আমাদের বিচারব্যবস্থা সত্যিকার অর্থে স্থায়ীভাবে জনগণের আস্থা হারায় কিনা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার সুযোগ থাকলে আমি শুনানির প্রতি শব্দ লিপিবদ্ধ করে রাখতাম। সুযোগ নাই বলে পারছি না। যেভাবেই হোক এটাও কিন্তু আমাদের একটা ইতিহাসের অংশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পুরো বিচারপ্রক্রিয়া একটা ফিকশনে রূপ পেয়েছে। উপন্যাস হিসেবে এটা জনপ্রিয়তার দিকে উপরের দিকেই থাকবে এটা। আমার কিছুটা সাহিত্যসংযোগ আছে বলে সাহিত্যরূপে এটাকে তুলে ধরলাম।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>অথচ জুলাই থেকে এর পরের কয়েক মাসের যে নারকীয়তা সেগুলো মিথ্যা নয়, এসবের হতে পারত সুষ্ঠু বিচার। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে কেবল সদিচ্ছা ও প্রতিহিংসায় দেশ পায়নি কোন বিচার। যা হয়েছে তা বিচার বলে দাবি করা হলেও আসলেই কি বিচার?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">উপরের কথাগুলো অনেকেরই ভালো লাগবে না, বিশেষ করে যারা সরকারের দোসর রূপে নিজেদের উপস্থাপন করেছে। তবু এই দোসরদের মধ্যেও কিছু সুস্থ চিন্তার মানুষ থাকবে বলেও আমার বিশ্বাস। আমার কথাগুলো তাদের উদ্দেশেই। যারা অসুস্থ তারা শক্তিশালী হলেও দিনশেষে গুরুত্বপূর্ণ নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">চন্দ্র-সূর্য যেমন সত্য তেমনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার শাস্তি ঘোষণাও সত্য। সঙ্গে এও বাস্তবতা চন্দ্র-সূর্য যেখানে চিরায়ত, সেখানে অপরটি কিছু মানুষের জন্যে অস্থায়ী আনন্দের প্রপঞ্চ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">নীতিনির্ধারকেরা ভালোভাবেই জানেন আইসিটিতে রায় ঘোষিত হলেও শাস্তি কার্যকর করা যাবে না। প্রথমত শেখ হাসিনা দেশে নাই, আসাদুজ্জামান খান কামাল দেশে নাই। প্রথম যে মামলার রায় ঘোষিত হবে তার একজন আসামি সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন কারান্তরীণ থাকলেও চূড়ান্তভাবে তিনি সর্বোচ্চ দণ্ড পাবেন না, ফলে তাকে ঝুলানোর সুযোগ থাকবে না। ফলে পুরো বিষয়টির তাৎপর্য রাজনৈতিক। তাদের উদ্দেশ্য কিছু মামলায় রায় দিয়ে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকে রাজনীতির বাইরে রেখে কয়েকটি নির্বাচন করে ফেলা। শেখ হাসিনাসহ সে সব নেতার যে বয়স তাতে বছর দশেকের মধ্যে এমনিতেই তাদের বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যা পেয়ে যাবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় দিয়ে রাজনৈতিক আনন্দ খুঁজছেন, তাদের জন্যে উদাহরণ হতে পারে বেগম খালেদা জিয়ার রায়। দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে একটা পর্যায়ে শেখ হাসিনার অনুমোদনে জেলের বাইরে তার বাসায় রাখতে হয়েছিল। এটা যে কেবল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতা ও মহানুভবতায় হয়েছিল, সেটা নয়; এটা হয়েছিল বিবিধ চাপে। বিএনপির আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আওয়ামী লীগের চাইতে শক্তিশালী ছিল না, তবু সেটা হয়েছিল। সে তুলনায় দেশে-দেশে আওয়ামী লীগের রয়েছে শক্তিশালী অবস্থান। সুতরাং ভবিষ্যৎ মোটেও অজানা নয় কারো।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>গত পনেরো মাসের অন্তত দশ মাস দেশ ছিল মব প্রভাবিত। এই সময়ের সবকিছু হয়েছে মবকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে। মব-প্রভাবে সরকারের যত কর্মসূচি, সব এখন ব্যাকফায়ার করতে শুরু করেছে। তড়িঘড়ি করে এই বিচারকার্যও এর বাইরে নয়। এর খেসারৎ এখন দিতে হবে দেশকে।</strong></p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/oborudh-in-bangladesh-1024x1024.jpg" alt="অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশের সড়কে ১ হাজার ৬০৪টি অবরোধ হয়েছে।" class="wp-image-7795" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/oborudh-in-bangladesh-1024x1024.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/oborudh-in-bangladesh-300x300.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/oborudh-in-bangladesh-150x150.jpg 150w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/oborudh-in-bangladesh-768x768.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/oborudh-in-bangladesh-1536x1536.jpg 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/oborudh-in-bangladesh.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p class="wp-block-paragraph">আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুতির পর সাবেক সরকারের বিচার যতটা জনপ্রত্যাশাকেন্দ্রিক ছিল, এখন এটা জনপ্রত্যাশার ধারেকাছেও নেই। এটা কিছু লোকের দাবি হলেও জনদাবি নয়। সংস্কার, জুলাই সনদ, গণভোট, সেইফ এক্সিট, মাৎস্যন্যায়, দুর্নীতি, নির্বাচনসহ আরও অনেক কিছু নিয়ে সরকার গুবলেট পাকিয়ে ফেলেছে। এমন অবস্থায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায়কে মানুষ তাদের আলোচনার কেন্দ্রে রাখতে পারছে না। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় দিয়ে দেশকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এর ফলে আগামীতে সৃষ্টি হতে যাওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে যায় কিনা&#8211;এটা নিয়েও আশঙ্কা আছে, আলোচনা আছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি আগে অনেকবার বিভিন্ন লেখায় অনেকবার বলেছি—রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশের বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের যত নেতাকর্মী আত্মগোপনে আছে, ঠিক ততটা সংখ্যার লোক সরকারের বিভিন্ন বাহিনীতেও নাই। সারাদেশ থেকে নির্যাতিত হয়ে সকল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী গত এক বছরে এসব এলাকায় ‘হিজরত’ করেছে। এদের সবাই নিপীড়ক ছিল না, তবু নিপীড়নের শিকার হয়ে তাদেরকে এলাকা ছাড়তে হয়েছে। বেঁচে থেকেও এই যাদের বেঁচে থাকার অধিকারকে উপভোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না, তাদের বেশিরভাগ আগ্রাসী হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। এমন মানুষেরা সুযোগ পেলে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">অনেকেই বলতে চাইবেন—আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে আবার সবাই এক হয়ে যাবে। এটা মোটেও সত্য নয়। এখন সবাই যার যার কেবলা নির্ধারণ করে ফেলেছে। বিএনপি তাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে বসে আছে, জামায়াতও তাদের লক্ষ্যে স্থির। একইভাবে অন্যরাও। কিছু লোক এখানে তবু এমন শব্দ উচ্চারণ করলেও মাঠের অবস্থা ভিন্ন। যারা এখনো এখানে বিপ্লব ফলাচ্ছে, তারা শক্তিহীন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর, কোন রাজনৈতিক দলের—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এখানে তিনি তাদের দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন, এবং এটাই বাস্তবতা। গত চৌদ্দ মাস সারাদেশে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মামলায় জর্জরিত করে, এখন বিএনপি নেতারা আওয়ামী লীগের ভোটার টানার লক্ষ্যে কাজ করছেন। জামায়াত শুরু থেকে এখানে কৌশলী অবস্থান নিয়ে অন্যের দ্বারা বিশেষ করে বিএনপিকে দিয়ে কাজ করিয়েছে। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলামকে এখন বলতে হচ্ছে—ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা তুলে নেবেন। যদিও পরে তিনি তার বক্তব্যের ‘ভুল ব্যাখ্যা’ করা হয়েছে বলে দাবি করলেও, ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে পরের দাবিকে তার অসত্য বলে মনে হয়েছে। এখানে তাই সবাই একলা চলো নীতিতে হলেও ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ নীতিতে বলে মনে করছে। অথচ দেখুন কিছুদিন আগেও বিএনপি-জামায়াতসহ সবাই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রাণ ও সম্পদকে ‘গণিমতের মাল’ রূপে দেখেছে, ফলাতে গেছে দখলের ‘অধিকার’।</p>



<p class="wp-block-paragraph">‘আওয়ামী লীগ নেই’, ‘আওয়ামী লীগ ফিরতে পারবে না, ফিরতে দেওয়া হবে না’—এই হচ্ছে সরকারঘনিষ্ঠদের বয়ান। এ বয়ানগুলো তাঁতিয়ে দিয়েছে দলটির নেতাকর্মীদের। তারা সুযোগের অপেক্ষায় আছে। দেশে এরিমধ্যে তার নিজেদের অস্তিত্বের কিছু প্রমাণ দিয়েছে। যদিও ওটা বিক্ষিপ্ত ভাবে। তবে তুমুল প্রতিকুল পরিস্থিতিতে যেখানে এমন অস্তিত্বের প্রমাণ, তখন এটাকে তাদের প্রস্তুতিপর্ব বলে আমার মনে হচ্ছে। তাদের কিছু কর্মসূচি দেখে মনে হচ্ছে তারা শক্তি ক্ষয় করছে না। ফলে ক্ষুদ্র কর্মসূচির মাধ্যমে তারা প্রথমত হারিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস ফেরাচ্ছে বড় আঘাতের অভিপ্রায়ে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ন্যারেটিভ হচ্ছে—বিরোধীদলে থেকে আওয়ামী লীগ হচ্ছে ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী। না, এটা কেবল ন্যারেটিভ নয়, এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য, এবং মানুষের বিশ্বাসের অংশ। ব্যক্তিগতভাবে আমি নব্বই দশকের মাঝামাঝি থেকে রাজনীতি বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ও লেখালেখি করি, এটা আমার দেখা বাস্তবতা। ভয়ঙ্কর আওয়ামী লীগের এই ‘বিশ্বাস’ যেখানে সত্য, সেখানে আমাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতভাবেই অনিশ্চয়তায়।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">কেউ কেউ বলতে চাইবেন—তাহলে গত পনেরো মাসে কিছুই করতে পারেনি কেন আওয়ামী লীগ? প্রশ্নটা যথার্থ। এর উত্তর আছে। ক্ষমতাচ্যুতির আগের পনেরো/ষোলো বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণ বিরোধীদলীয় সত্তায় কিছুটা জঙ ধরেছিল, এই জঙে ধরা রূপ এবং নেতাকর্মীর অনেকেই আগের রূপের সঙ্গে পরিচিত না থাকায় তার সময় নিয়েছে। নেতাকর্মীদের এই সময় নিতে দলটির নীতিনির্ধারকেরা নিয়েছে কৌশলের আশ্রয়ও। নতুনদের কোণঠাসা হয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত ক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করে তারা তাদেরকে তাঁতিয়ে দেওয়ার কাজ করেছে সংগোপনে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিচ্ছিন্ন কর্মসূচিগুলো বিশেষ করে ঝটিকা মিছিল যদি খেয়াল করেন, তবে দেখবেন এগুলো করেছে মূলত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরা সরকারের নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ সত্তা। এরা আওয়ামী লীগের বড় শক্তি হলেও মূল শক্তি নয়। যুবলীগ-আওয়ামী লীগ কিন্তু এখনো মাঠে নামেনি। শক্তি ক্ষয় না করার এই কৌশল সরকারের জন্যে ভীতিপ্রদ হতে পারে, কারণ এই সরকার বা এইধরনের সরকারগুলো রাজনৈতিক আন্দোলন মোকাবেলায় অভিজ্ঞতাহীন। এক-এগারোর সেনাসমর্থিত সরকার যেখানে পারেনি আন্দোলন ঠেকাতে, সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অপ্রকাশ্যে সেনাসমর্থিত হলেও তারা পারবে বলে মনে হচ্ছে না।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>গত পনেরো মাস ধরে আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তবে তারা নিশ্চিত তাদের কাজে আছে। নেতৃত্ব পর্যায়ের অনেকেই দেশের বাইরে থেকে দেশের বাইরে বেশ কাজ করেছে। এই কাজ এখন দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। শুরুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান শক্তি ছিল আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা। তারা সরকারের সকল কিছুতে সমর্থন দিয়েছে, বাংলাদেশে মব দিয়ে প্রকাশ্য অরাজকতা হলেও কেউ অনেকদিন চুপ থেকেছে। সাবেক সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ থাকায় তারা প্রথমে চুপ থেকেছিল। কিন্তু এখন দেখছি তাদের মুখে কথা ফুটেছে। একের পর এক বৈশ্বিক সংস্থা কথা বলতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীকে যেভাবে গুরুত্ব পাচ্ছেন—এটা অবিশ্বাস্য। এই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর গুরুত্ব দেওয়া মোটেও গুরুত্বহীন নয়।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ক্ষমতার শেষ কয়েক বছরে আওয়ামী লীগ সরকার বিদেশে ছিল বন্ধুহীন। দল থেকে সরকারের আবরণ খসে পড়ার পর এখানে বেশ কাজ করেছে দলটি। এটাকে তাদের বড় আন্দোলনের প্রস্তুতিপর্ব বলা যেতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ কয়েকজনের নেতার বিরুদ্ধে রায় ঘোষিত হলেও এটাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রায়’ বলে প্রমাণের যে কাজ করেছে আওয়ামী লীগ, তাতে পুরোপুরি সফল এখনও না হতে পারলেও ব্যর্থ বলা যাবে না।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>রাজনীতি ও কূটনীতির মাঠে আওয়ামী লীগ প্রশিক্ষিত সত্তা। তাদের বিরুদ্ধে নামা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মূলত অপ্রশিক্ষিত ও আনকোরা। টিকে থাকা তাই কঠিন তাদের জন্যে। আপনি এটা না মানলেও কঠিনই!</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">দেশের গণমাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিয়ে ইতিবাচক কোন সংবাদে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা তাদের জন্যে ইতিবাচক হয়েছে। বিদেশিরাও জানে এটা। একারণে তারাও আগ্রহ দেখাচ্ছে অধিক। এটা দেশে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানবিরোধিতার যে ধর্ম, সে ধর্ম কীভাবে জানি এগিয়ে যায়; দেশে-বিদেশে। আমাদের &#8216;এই সব দিনরাত্রি&#8217; এই সব জয়-পরাজয় দেখতে-দেখতে কেটে যাচ্ছে!</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/sheikh-hasina-tribunal-verdict/">শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় দেবে ট্রাইব্যুনাল, আইন নাকি অধ্যাদেশের ভিত্তিতে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/sheikh-hasina-tribunal-verdict/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগকে ‘পুনর্জন্ম’ দিয়েছে ৫ই আগস্ট</title>
		<link>https://nenews.news/awami-league-august-punorjonmo/</link>
					<comments>https://nenews.news/awami-league-august-punorjonmo/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 18:24:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[৫ই আগস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুনর্জন্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=7379</guid>

					<description><![CDATA[<p>ধ্বংসোন্মুখ দলকে বাঁচিয়ে ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগকে ‘পুনর্জন্ম’ দিয়েছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনা জীবিত অবস্থায় দেশ ত্যাগ করার কারণে দলটির এই পুনর্জন্ম হয়। </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/awami-league-august-punorjonmo/">আওয়ামী লীগকে ‘পুনর্জন্ম’ দিয়েছে ৫ই আগস্ট</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>ধ্বংসোন্মুখ দলকে বাঁচিয়ে ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগকে ‘পুনর্জন্ম’ দিয়েছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনা জীবিত অবস্থায় দেশ ত্যাগ করার কারণে দলটির এই পুনর্জন্ম হয়। কারণ এর আগে আওয়ামী লীগ নামেমাত্র রাজনৈতিক দল ছিল; দলের মধ্যে যেমন ছিল না ত্যাগী রাজনীতিবিদদের মূল্যায়ন, তেমনি দলটি হয়ে তীব্রমাত্রায় ঝুঁকে পড়েছিল ডানে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশের দীর্ঘ মুক্তির সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধকে নেতৃত্ব দিতে আওয়ামী লীগকে ‘মুসলমান’ প্রমাণ দিতে হয়নি। বরং ইসলামবিদ্বেষী <a></a>রাজনৈতিক দল—এই প্রচারণার বিপরীতে ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজা ধরে বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার দাবিকে তারা এগিয়ে নিয়ে গেছে। একাত্তরের মহাকাব্যিক মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বের মুসলমান দেশগুলোর অধিকাংশের বিরোধিতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে বিজয়ের পথে, এবং অর্জন করেছে কাঙ্ক্ষিত বিজয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকেও মুসলমান দেশগুলো সহায়তা করেনি। তবু বাংলাদেশের দেশ গঠন ও অগ্রযাত্রা থেমে থাকেনি। এর কারণ প্রগতিশীলতা। এই শব্দ কত ব্যাপক ও বিস্তৃত তার প্রমাণ আজকের এই বাংলাদেশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দেশে বৈধ-অবৈধ যত শাসক এসেছে, তারা ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়েছে। তারা সফল হয়নি দেশশাসনে। এটা হতে পারত আমাদের শিক্ষা, কিন্তু তা হয়নি। দেশ প্রবলভাবে এগিয়েছে ধর্মান্ধতার দিকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>শেখ হাসিনার বিগত শাসনে বাংলাদেশ ছিল ‘উন্নয়নের মহাসড়কে’। এটা ছিল বাহ্যিক উন্নয়ন। কিন্তু ভেতরটা আমাদের ধ্বংস হয়ে গেছে মূলত অপরাপর বৈধ-অবৈধ সকল শাসকের মতো অতি-ধার্মিকতায়। তাহাজ্জুদ পড়ে দিন শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী—এটা ছিল আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রকাশ্য বয়ান। একজনের মানুষের ব্যক্তিজীবনের অনুশীলন এমন হতেই পারে, কিন্তু এটা রাজনৈতিক প্রচারণায় যে অযাচিত, সেটা বুঝতে চেষ্টা করেনি আওয়ামী লীগ নেতারা। ৫ই আগস্টে গণভবন লুট হয়ে যাওয়ার সময়ে জায়নামাজ লুটের ঘটনাও বলছে শেখ হাসিনা ধর্মের আচার পালন করতেন। আগে যেমন ভাবতাম, এখনো তাই ভাবি—এগুলো ব্যক্তিক অনুশীলন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আওয়ামী লীগের সর্বনাশের অন্যতম কারণ হচ্ছে ধর্মব্যবসায়ীদের আশকারা। আওয়ামী লীগের আমলে সরকার ধর্মের পরিচর্যায় যত অর্থ ব্যয় করেছে—এটা অন্য কোন সরকার করেনি। এখনো অনেক ধর্মীয় নেতার সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপে তাদের মুখ থেকেই শোনা এটা আমার। তবে তারা জুলাই-আগস্টের অস্থিরতায় সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এ-প্রসঙ্গ বাদ দিই; ফিরে আসি মূল কথায়। বলছিলাম—৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগের পুনর্জন্ম হয়েছে। এই দিনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত এবং তাদের শত শত লোক নিহতের পথ রচনা হলেও দলটির পুনর্জন্ম বলছি আমি। কারণ এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের মধ্যে থাকা প্রতিক্রিয়াশীল চক্র বেরিয়ে গেছে। যে অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগে ঢুকে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছিল, তারাও সরে গেছে। এখন এই মুহূর্তে যারাই আওয়ামী লীগের পক্ষে আছে তারা শতভাগ নিবেদিত। এখন যারা আছে, তারা প্রগতিশীলতা ধারণ করে, তারা ধর্মনিরপেক্ষতাকে আঁকড়ে ধরে। এখন যারা আছে, তারা দালালশ্রেণির নয়; কারণ যেখানে প্রাণের সংশয় সেখানে এই বিরূপ পরিস্থিতিতে দলকে সমর্থন করা দালালগোত্রীয়দের জন্যে অসম্ভব।</p>



<p class="wp-block-paragraph">৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাচ্যুতি হয়েছে ঠিক, কিন্তু দলটির সমর্থকেরা দল বদল করেনি, সমর্থন প্রত্যাহার করেনি। পনেরো মাস শেষে এখন এর প্রমাণ সারাদেশে নানাভাবে মিলছে। ‘মব’ কিছুটা স্তিমিত হয়ে যাওয়ার পর এখন দলটির নেতাকর্মীরা নিজেরাও মব সৃষ্টির শক্তি অর্জন করে ফেলেছে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="633" height="455" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/Hasina.jpg" alt="" class="wp-image-7176" style="width:840px;height:auto" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/Hasina.jpg 633w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/Hasina-300x216.jpg 300w" sizes="(max-width: 633px) 100vw, 633px" /></figure>



<p class="wp-block-paragraph">আমি আমার আগের অনেক লেখায় একাধিকবার বলেছি—দেশকে ২০০৮ সালের পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সে কথা থেকে সরে আসিনি এখনও। বরং আমার বলা কথাগুলোর সত্যতা মিলছে নানা ক্ষেত্রে। সে সময় প্রতিক্রিয়াশীল চক্র ঠেকাতে আওয়ামী লীগ না করা লোকজনেরা যেভাবে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছিল, এখন সে পরিস্থিতি তৈরি হলো প্রায়। বিশেষ করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধী ইস্যু তাদেরকে এক কাতারে নিয়ে আসতে যাচ্ছে। দিন যত যাচ্ছে তত বেশি একাত্তর প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনে দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ও মহান মুক্তিযুদ্ধকে কুক্ষিগত করে রেখেছে আওয়ামী লীগ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই সময়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে অপরাধসম ভাবা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধকে নিষিদ্ধ বস্তু রূপে মূল্যায়িত হচ্ছে যেখানে, সেখানে এটা আপনা থেকেই প্রমাণিত হতে যাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যরা একাত্তরবিরোধী অপশক্তি অথবা এর সহযোগী।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">শুরুর দিকে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বলেছিল। এটা বলেছিল তারা জামায়াতকে কোণঠাসা করতে। অথচ সেদিন যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা মীর কাসিমের প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা নয়াদিগন্তের এক অনুষ্ঠানে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম যে বক্তব্য দিয়ে এসেছেন, এটা মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি অবমাননা। তিনি যুদ্ধাপরাধী মীর কাসিম, যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর নামোল্লেখ করে বলেছেন—তাদেরকে মিথ্যা অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ফখরুল ইসলামের এই বয়ান অনভিপ্রেত ও একাত্তরের ইতিহাসকে অগ্রাহ্য করার শামিল। অথচ এই ফখরুল ইসলামকে আমরা সজ্জন ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিক বলে কত প্রশংসা করতাম। এখানে আমাদের যে ভুল ধারণা ছিল, সেটা ফখরুল ইসলাম তার বক্তব্যে প্রমাণ করে এসেছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে। দখলদার স্বাভাবিকভাবেই পূর্বেকার সরকারের প্রতি আগ্রাসী হয়। তারাও এটা অনুসরণ করছে। এই পথে তারা আওয়ামী লীগকে আক্রমণ করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের উপর আঘাত করে বসেছে। মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিচিহ্ন মুছে দিয়ে জুলাই-আগস্টকে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছে। এটাই তাদের ভুল ছিল। এবং এটা এমনই এক ভুল, যে ভুলে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার পথ রচনা হয়ে গেছে কিছু না করেই।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">মহান মুক্তিযুদ্ধ এমনই এক অক্ষয় সত্তা, যার বিনাশ নাই। বরং কেউ যতবার মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়াবে, ততবার দেশ মুক্তিযুদ্ধকে আগলে রাখবে। একাত্তরে ধর্মের দোহাই দিয়ে পার পায়নি হিংস্র পাকিস্তানি ও তাদের সহযোগী জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রসংঘ, নেজামে ইসলামীসহ রাজাকার, আলবদর, আল শামস, শান্তি কমিটির সদস্যরা। ত্রিশ লাখ মানুষ শহিদ হয়েছে, তবু অর্জন করেছে বিজয়। এটা ইতিহাসের পাঠ ছিল। এই ইতিহাসের নিবিড় পাঠ জরুরি ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের, কিন্তু তারা পাঠ করেছে পাকিস্তানিদের বয়ান। ফলে একাত্তরের পরিণতি অবধারিত তাদেরও। সরকার পাকিস্তানিদের বয়ান আত্মস্থ না করে যদি বাঙালির বয়ান আত্মস্থ ও অনুশীলন করত, তাহলে ক্ষমতা গ্রহণের পনেরো মাস শেষে এসে তাদের ‘এক্সিট প্ল্যান’ করতে হতো না। তারা বিনা প্রশ্নে থেকে যেত যতদিন ইচ্ছা, ততদিন। যদিও এটা অগণতান্ত্রিক, তবু দেশ বলত সেটাই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পুনর্জন্মের যে কথা বলেছিলাম শুরুতে, সেখানে ফের দৃষ্টি দিই। অনুপ্রবেশকারী, প্রতিক্রিয়াশীল, ব্যবসায়ী এবং কর্পোরেট কালচারের দল পরিচালকেরা এখন আওয়ামী লীগ থেকে দূরে সরে গেছে। তারা মিশেছে বেশিরভাগ বর্তমান ক্ষমতাবানদের সঙ্গে। ফলে এই দুর্দিনে এখন যারা আওয়ামী লীগ করছে, তারা ত্যাগীর তকমাধারী। টানা ষোল বছরের দেশ শাসনে আওয়ামী লীগের অনেকেই দুর্দিনের দল দেখেনি। ৫ই আগস্ট তাদেরকে সেটা দেখিয়েছে। এবং এটাই মূলত আওয়ামী লীগের ইতিহাস। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ মুক্তির সংগ্রাম, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর হ ত্যাপরবর্তী একুশ বছর—এভাবেই প্রতিকূল পরিস্থিতি ছিল তাদের। এটাই কিন্তু তাদের ইতিহাস। এই সময়ের আওয়ামী লীগাররা আছে এখন সেই সময়ে, যা তারা কেবলই শুনেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আওয়ামী লীগকে নিয়ে দীর্ঘ এই লেখা দলটির প্রতি আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের প্রতিফলন যদি ভাবেন, তবে ভুল ভাববেন। গত টানা চার আমলে লেখালেখি দিয়ে আমি যেখানে সমালোচনার দরকার সেখানে সমালোচনা করেছি; যেখানে প্রশংসার দরকার সেখানে করেছিল প্রশংসা। আগে একটা শ্রেণি আমার প্রতি রুষ্ট ছিলেন, এখন অন্য একটা শ্রেণি। আমার লেখালেখির সার্থকতা দেখি আমি এখানে। জুলাই-আগস্টের অস্থিরতার সময়ে আমার কিছু লেখা যেমন আন্দোলনকারীদের পক্ষে ছিল, তেমনি কিছু লেখা ছিল সরকারের পক্ষেও। যখন ঘটনা, তখনই সে রূপ প্রতিক্রিয়া আমার—এটাই আমার অনুশীলন। আমার অনুশীলনেকে প্রশংসা করল, আর কে নিন্দা করল—এটা দেখি কমই। আর দেখলেও, সে সবে প্রভাবিত হই সামান্যই। সুতরাং যা বলছি, সেটা আমার তাৎক্ষণিক এবং সময়ের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ। ঘটনা ও ঘটনার পরম্পরায় আমার বিশ্লেষণ বদলায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আপনারা কে কীভাবে ভাবেন জানি না, আমার কথা বলি—আমার কাছে বিশ্লেষণ অকাট্য বিশ্বাস নয়; আদর্শ তো কোনোভাবেই নয়।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/awami-league-august-punorjonmo/">আওয়ামী লীগকে ‘পুনর্জন্ম’ দিয়েছে ৫ই আগস্ট</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/awami-league-august-punorjonmo/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাবিনে সই করে সংসার না করেও বেরিয়ে যেতে পারে বিএনপি</title>
		<link>https://nenews.news/july-sonod-bnp-apotti/</link>
					<comments>https://nenews.news/july-sonod-bnp-apotti/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Kabir Aahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 17:54:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[এনসিপি]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই সনদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাক্ষর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=7252</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিএনপি জুলাই সনদের মূল কপি না দেখে সই করে ফেলেছে। এখন মূল কপি দেখে তারা প্রতারিত বোধ করছে। সই করার আগে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারত।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/july-sonod-bnp-apotti/">কাবিনে সই করে সংসার না করেও বেরিয়ে যেতে পারে বিএনপি</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>জুলাই সনদ নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি বলছে—‘জুলাই সনদে সইয়ের সময় যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল, পরে মুদ্রিত পুস্তকে এর কয়েকটি দফায় অগোচরে বদল করা হয়েছে। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের দিন জুলাই সনদের চূড়ান্ত কপি কারও সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। পরে ছাপানো পুস্তকের কপিতে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সম্মত কয়েকটি দফা আমাদের অগোচরে ফের সংশোধন করা হয়’।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপির এই দাবিকে সত্য বলে ধরে নিলে এটা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ‘প্রতারণা’। এখানে প্রতারণা আমার মন্তব্য যদিও, তবে এটা বিএনপির বক্তব্য থেকেই নেওয়া। তারা এখন বলছে, ‘জুলাই সনদ দিয়ে জনগণের সঙ্গে ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে’।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>এখানে প্রতারিত হিসেবে বিএনপি নিজেদের ভিক্টিম হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে। কিন্তু সত্যি কি তারা ভিক্টিম?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><a></a>বিএনপি যত যা-ই দাবি করুক এমনই তো হওয়ার ছিল। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের দিন বিএনপিসহ নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত দলগুলো যেখানে স্বাক্ষর করেছিল ওটা ছিল একটা কাগজ। একতরফা একটা অঙ্গীকারনামা। প্রতিপালনের দাসখত দেওয়া। তারা কোন চুক্তি করেনি। পৃথক কাগজে যার যার টেবিলে বসে একটা কাগজে সই করে দিয়ে জমা দিয়েছে সরকারের গঠন করা একটা কমিশনের কাছে, এরপর সবাই একক-যৌথ এবং গ্রুপ ছবি তুলেছে। এতটুকুই!</p>



<p class="wp-block-paragraph">যে অঙ্গীকারনামায় তারা সই করেছে, সেটা কোনোভাবেই কোন চুক্তি নয়। চুক্তি হলে একটা জায়গায় সকল পক্ষের স্বাক্ষর থাকত, এবং স্বাক্ষর করা পক্ষগুলো স্বাক্ষরিত কপিও পেত। কিন্তু ওখানে তারা একটা কাগজে সই করে এসেছে কেবল। কীসে সই করেছে, সেটা তাদের শোনানো হলেও দেখানো হয়নি, দেওয়াও হয়নি। ফলে ওটা ছিল অন্ধকারে ঢিল তুল্য।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>‘দায়িত্বশীল’ কেউ যেকোনো কাগজে সই করার আগে সেটা দেখে। এবং সই করা কাগজ এবং একমত হওয়া বিষয়ের ওপর এরপর যাতে ছুরি না চালানো যায়, সেটা নিশ্চিত করে। এ অনুশীলনের জন্যে বিশাল যোগ্যতাসম্পন্ন কেউ হতে হয় না। একবার সই করা মানে সই করা বিষয় প্রতিপালনের অঙ্গীকার। আর এটা ছিল অঙ্গীকারনামা, এবং রাষ্ট্রীয় তরফে করা; সেক্ষেত্রে স্বাক্ষরিত বিষয় প্রতিপালন একদিকে যেমন নৈতিক, অন্যদিকে বাধ্যবাধকতার।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপি জুলাই সনদের মূল কপি না দেখে সই করে ফেলেছে। এখন মূল কপি দেখে তারা প্রতারিত বোধ করছে, ভিক্টিম সাজতে চাইছে। কিন্তু এটা অনুচিত। সই করার আগে এখানে তারা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারত। এটা পারেনি। এটা তাদের একদিকে যেমন দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, অন্যদিকে অযোগ্যতা। প্রশ্ন কি তোলা যায়— এমন অযোগ্য নেতা ও নেতৃত্বকে কীভাবে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করল বিএনপি? না, এমন প্রশ্ন করছি না, কারণ তারা বড় নেতা, এবং বড় নেতাদের প্রতি আমি ক্ষুদ্রের বেয়াদবিও হয়ে যেতে পারে। তাই স্রেফ শিষ্টাচারের স্বার্থে আমার পক্ষ থেকে এই প্রশ্ন তুললাম না। কিন্তু সত্যি কি এই প্রশ্ন কেউ করছে না, করবে না?</p>



<p class="wp-block-paragraph">মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় সই করেছিলেন। নামের ভারে, মুখের কথায় তাদেরকে যতখানি দায়িত্বশীল ভাবতাম আমরা, কিন্তু মূল দলিল না দেখে একটা কাগজে সই করে আসায়, আমাদের পূর্বের ভাবনায় ধাক্কা খেয়েছে। তাদের দৈন্য, রাজনৈতিক জ্ঞানের গরিবি কি রূপ ফুটে ওঠেনি? অথচ এই দলটি আগামীতে সরকার গঠনের সবচেয়ে বড় দাবিদার।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>যে দল সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাদের বড় দুই নেতার এমন দৈন্যে কি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে দেখা যাচ্ছে? আমি রীতিমত আঁতকে ওঠছি। এরা নিজ দেশে রাষ্ট্রীয় একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে এভাবে ‘প্রতারিত’ হলে, দেশের বাইরে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বড় পরিসরে কী করবে? পরে কি বলতেও পারে—এমন হবে আমরা বুঝিনি!</strong></p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/BNP-Salauddin-statement-1024x1024.jpg" alt="" class="wp-image-7253" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/BNP-Salauddin-statement-1024x1024.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/BNP-Salauddin-statement-300x300.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/BNP-Salauddin-statement-150x150.jpg 150w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/BNP-Salauddin-statement-768x768.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/BNP-Salauddin-statement-1536x1536.jpg 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/10/BNP-Salauddin-statement.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p class="wp-block-paragraph">মর্নিং শোজ দ্য ডে—বলে যে কথা আছে। ফখরুল ও সালাহউদ্দিনের অঙ্গীকারনামায় সই তার প্রমাণ। দেশবাসী প্রস্তুত থাকো—এমন শাসক আসতে যাচ্ছে, যারা কোথায়-কী বিষয়ে অঙ্গীকার করে সেটা জানে না। এরপর আবার লোকলজ্জার মাথা খেয়ে বড়গলায় খেলে ভিক্টিম কার্ড। নিজেদের দুর্বলতা ও অযোগ্যতা ডাকতে যেখানে তাদের চুপ থাকার কথা, সেখানে তারা উচ্চকিত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ফখরুল ইসলাম ও সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির বড় দু’নেতাই কেবল নয়, তারা বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। অনেকেই বিএনপির শাসনামল দেখেনি, অনেকেই ভুলে যাওয়ার অভিনয় করছে। কিন্তু আমরা যারা দেখেছি তারা জানি, একটা ভয়াবহ দুঃশাসনের কাল ছিল বিএনপি-জামায়াতের যৌথ শাসনামল। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, লুটপাটের মহোৎসব ছিল সে সময়। ঘরে-রাস্তাঘাটে যেমন মানুষ নিরাপদ ছিল না, তেমনি নিরাপদ ছিল না শিক্ষাঙ্গন। অস্ত্রের ঝনঝনানিতে শিক্ষাঙ্গনে প্রায়ই পড়ত লাশ। বিদ্যুৎ ছিল না, ছিল কেবল বিদ্যুতের খাম্বা। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কিছুই ছিল না। গ্যাস-পানির জন্যে বিএনপির এমপিকে দৌড়ানি দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছিল রাজধানী ঢাকায়। সার-বিদ্যুতের দাবিতে গুলি খাওয়ার ঘটনাও ছিল। ছিল অপারেশন ক্লিনহার্ট, ক্রসফায়ারের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ। অনেকেই স্লোগান দি তখন—‘ক্ষুধার জ্বালায় পেটে বিষ, আর নয় ধানের শীষ’! ওটা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্লোগান ছিল, তাই আমি এটাকে এনডোর্স করতে যাছি না।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>এখন পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধুসন্তু সাজা বিএনপির নেতাদের দেখে যেখানে কিছুটা আশাবাদী হতে যাচ্ছিল মানুষ, সেখানে বড় ধাক্কা হয়ে এল দলিল না দেখে কাগজে সই করার মতো ঘটনা। এখন তাই এনসিপির মতো কিংস পার্টিও তাদের নিয়ে মশকরা করছে। দলটির নেতারা নিজেরা জুলাই সনদে সই না করলেও এই সনদের পক্ষ নিয়ে বিএনপির দিকে তীর ছুঁড়ে বলছে—কাবিনে সই করেছ, এখন সংসার তোমাদের করতেই হবে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপিকে নিয়ে এনসিপির এই পরিহাস, এই কৌতুক যদিও চটুল, তবু এটা অসত্য নয়। যারা কাগজে সইয়ের আগে সামান্য দায়িত্বশীল হতে পারে না, তাদের জন্যে এটাই তো নিয়তি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবু বিএনপির সামনে সুযোগ আছে এখান থেকে বেরিয়ে আসার। তারা চুপ হয়ে যেতে পারে এখানে। চুপ থেকে এরপর নির্বাচনের পর যখন সরকার গঠন করবে, তখন এক ধাক্কায় এই সনদের কিছু বিষয়কে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে পারে। ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান আলী রীয়াজ যতই বলুক না কেন—সংসদ ২৭০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ পাস না করলে, এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদে প্রতিস্থাপন হয়ে যাবে। এটা জবরদস্তিমূলক সুপারিশ, এবং এই সুপারিশের আইনগত কোন ভিত্তি নেই। এটা রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে, অথবা উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তের মাধ্যমেও এখন আইনি ভিত্তি দেওয়ার চেষ্টা করলেও, এটা টিকবে না। কারণ বর্তমানের সবকিছুরই বৈধতা দেওয়ার সাংবিধানিক এখতিয়ার আগামী সংসদের। কেবল তাই নয়, এইধরনের সুপারিশ, এমনকি জুলাই সনদের অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করার প্রত্যেকে সংবিধান লঙ্ঘনে বিচারের মুখে পড়বেন কিনা—সেটাও নির্ধারণ করবে আগামীর সরকার। এখানে বিএনপি এই মুহূর্তে কোণঠাসা হয়ে থাকলেও, দাওয়াই কিন্তু তাদের হাতে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>ফখরুল ইসলাম ও সালাহউদ্দিন আহমদ জুলাই সনদ না দেখে অঙ্গীকারনামায় সই করে এসে যে ভুল করেছেন, এটা সংশোধনের সুযোগ থাকছে বিএনপির সামনে। এজন্যে তাদের অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচন পর্যন্ত। এদিকে, এখন যে পরিস্থিতির জন্ম দেওয়া হচ্ছে, সেটা নির্বাচনকে দূরে ঠেলার ভয়ঙ্কর রকমের অভিসন্ধি। বিএনপি এখানে জুলাই সনদ, গণভোট, পিআর নিয়ে চুপ করে থেকে নির্বাচন আদায় করে নিয়ে, পরে পুরো প্রক্রিয়াকে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে পারে। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারবে না ঠিক, কারণ সরকার অবৈধ ঘোষিত হলে নির্বাচনই অবৈধ হয়ে যাবে; তবে পারবে নির্বাচন বাদে বাকি সবকিছু ছুঁড়ে ফেলে দিতে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">বিএনপিকে বলি—ভিক্টিম সাজিও না, ভিক্টিম সাজতে গেলে দৈন্য প্রকাশিত হয়ে যাবে। সংবাদ সম্মেলনে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছ—এতটুকুই যথেষ্ট। এখন উচিত হবে নির্বাচন আদায় করে নেওয়া। একবার নির্বাচন হয়ে গেলে নাটাই চলে আসবে হাতে। তখন তোমাদের সামনে সুযোগ থাকবে যে সব বিষয়ে ঐক্য হয়েছে, কেবল সেসব বিষয়েই বাস্তবায়ন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/july-sonod-bnp-apotti/">কাবিনে সই করে সংসার না করেও বেরিয়ে যেতে পারে বিএনপি</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/july-sonod-bnp-apotti/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
