ইরানের ৩২ প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টি হামলার শিকার
শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা শুরু করে। শুধু হরমোজগান প্রদেশেই পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছে।
শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা শুরু করে। শুধু হরমোজগান প্রদেশেই পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশগুলোর সবকটিতেই মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। ফলে যুগপৎভাবে বিস্ফোরণের ঘটনায় পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলাগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকাগুলোতে আঘাত হানে।
শনিবার সকালে ইরানের রাজধানীসহ একাধিক শহরে ইসরায়েল হামলা চালায়। এর জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলাও প্রক্রিয়াধীন।
আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, দেশটির বাহিনী কয়েকশ হালকা ও ভারী অস্ত্র জব্দ করেছে এবং কয়েকজন সেনাকে জীবিত আটক করেছে।
আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা থিঙ্কট্যাংক সংস্থা ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স (ওসিন্ট) এর ইউরোপ শাখা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহতের খবরটি জানিয়েছে।
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা বৃহস্পতিবার কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতজুড়ে উভয় দেশের বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের পর শুক্রবার সকালে আফগানিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে বোমা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানি বাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক একাধিক হামলার পেছনে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ‘ক্যাম্প ও আস্তানা’ লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে।