বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সন্ত্রাসে ডুবে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিদেশি স্বার্থে বাংলাদেশের সম্পদ ও এলাকা কার্যত বিনামূল্যে দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতার পরিকল্পনা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। দেশকে ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়ার পর শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভারতে প্রথম সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। দিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন তিনি।
‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র বাঁচাও’ শিরোনামে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন গত আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক প্রাক্তন মন্ত্রী ও সদস্যরা। সশরীরে শেখ হাসিনা সেই অনুষ্ঠানে হাজির হননি। তবে দর্শক ভর্তি হলে তাঁর বক্তব্য সম্প্রচার করা হয়। তাতে তিনি ইউনূসকে “খুনি ফ্যাসিস্ট,” “সুদখোর,” “অর্থ পাচারকারী” এবং “ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক” বলে সম্বোধন করেন।
হাসিনা বলেন, দেশ সন্ত্রাসের যুগে নিমজ্জিত। গণতন্ত্র এখন নির্বাসনে। জীবন ও সম্পত্তির কোনো নিরাপত্তা নেই। আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে তিনি বাংলাদেশের মানুষের উদ্দেশে বার্তা দেন, আশা ছাড়বেন না। যারা আমাদের দেশকে ধ্বংস করতে চায় তাদের হাত থেকে আমাদের দেশকে ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনর্গঠনে আমাদের সাহায্য করুন।




