পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্য সচিব ও ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগকে (২৫) মাথায় গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাড়া গোপালপুর স্কুলের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মোহন নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের নেতা ও জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্যসচিব ছিলেন। এছাড়া তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
জানা গেছে, রাতে বন্ধুদের সঙ্গে সাড়া গোপালপুর রেললাইনের পাশে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন সোহাগ। একপর্যায়ে তিনি দোকানের পাশে শৌচকার্য সারতে গেলে হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। ঘাতকরা তার পেট ও মাথায় গুলি করে এবং মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় সোহাগের সঙ্গে থাকা আরও একজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়, যিনি পরে আহত অবস্থায় পালিয়ে প্রাণ বাঁচান।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। নিহতের মাথার একটি অংশ কুপিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গুলি করার পর কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি জানান, পাবনা থেকে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ডিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছেন।



