চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকাগামী জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের সঙ্গে অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৪ জন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ জানান, এ ঘটনায় ৪ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য একটি লঞ্চ দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৪ মরদেহ ও হতাহত যাত্রীদের সদরঘাটে নিয়ে এসেছে।
তিনি আরও জানান, নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন একটু পরে সদরঘাটে এ বিষয়ে ব্রিফ করবেন।
চাঁদপুর নৌ বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল মান্নান বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে গভীর রাতে মেঘনা নদীতে লঞ্চ দুটির সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর লঞ্চ যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, ভোলার ঘোষেরহাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি গতকাল রাত দুইটার পর হাইমচর এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় নদীতে ঘন কুয়াশা ছিল। ঢাকা থেকে বরিশালগামী এমভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সঙ্গে ওই লঞ্চের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন।
এদিকে মেঘনায় দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চটি ঝালকাঠি টার্মিনাল থেকে জব্দ করেছে নৌ পুলিশ।
এ বিষয়ে বরিশাল নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক জানান, লঞ্চ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঝালকাঠি এসেছি। এখানে লঞ্চটি জব্দ করা হয়েছে। খোঁজ খবর নিয়ে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ মাহমুদ জানান, লঞ্চটি ঝালকাঠিতে নোঙ্গর করার পর লঞ্চের সারেং, সুকানি, সুপারভাইজার ইঞ্জিন চালক পালিয়েছে। ৪ কেবিন বয়কে পুলিশে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।




