যশোরের মনিরামপুরে রানা প্রতাপ বৈরাগী নামে (৪৩) এক যুবককে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার কপালিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।
দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে করে এসে রানাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত রানা প্রতাপ বৈরাগী কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রানা প্রতাপ বৈরাগী নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ আরেকটি চরমপন্থি সংগঠনের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।
মনোহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি আকতার ফারুক মিন্টু বলেন, কপালিয়া বাজারে রানা প্রতাপ বৈরাগীর একটি বরফকল রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় সেখানে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি জানান, রানা প্রতাপ চরমপন্থি সংগঠনের নেতা ছিলেন। বর্তমানে তিনি বরফকলের ব্যবসা করছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এমদাদুল হক ও থানার ওসি রজিউল্লাহ খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ওসি রজিউল্লাহ খান বলেন, রানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কী কারণে এবং কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্তের আগে বলা সম্ভব নয়।
এর আগে গত শনিবার রাত আটটার দিকে যশোর শহরের শংকরপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারান আলমগীর হোসেন (৫৫) নামে বিএনপির এক নেতা।
নিহত আলমগীর শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ মহল্লার মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে। তিনি বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ‘গ্রিন ল্যান্ড রিয়েল এস্টেট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন আলমগীর। প্রতিষ্ঠানটি জমি বেচাকেনার ব্যবসা পরিচালনা করে।




