<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>History Archives - NE NEWS</title>
	<atom:link href="https://nenews.news/category/history/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://nenews.news/category/history/</link>
	<description>people&#039;s agenda</description>
	<lastBuildDate>Fri, 01 May 2026 07:25:46 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	

<image>
	<url>https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/06/cropped-NE-NEWS-LOGO-scaled-1-32x32.png</url>
	<title>History Archives - NE NEWS</title>
	<link>https://nenews.news/category/history/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আজ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন</title>
		<link>https://nenews.news/aj-shromojibi-manush-odhikar-aday-din/</link>
					<comments>https://nenews.news/aj-shromojibi-manush-odhikar-aday-din/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 01 May 2026 07:25:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[আদায়]]></category>
		<category><![CDATA[দিন]]></category>
		<category><![CDATA[দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[মানুষ]]></category>
		<category><![CDATA[মে]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রমজীবী]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রমিক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=11516</guid>

					<description><![CDATA[<p>১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সে ঘটনায় তখন সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে ওঠে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-shromojibi-manush-odhikar-aday-din/">আজ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ মহান মে দিবস। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে এ দিবস পালিত হয়ে হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই হলো দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। শিল্প, কৃষি, নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">রাষ্ট্রপতি বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক এবং শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার মাধ্যমে একটি উন্নত শ্রমিকবান্ধব সমাজ এবং মানবিক ও ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বাংলাদেশ- এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলেছেন, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>প্রেক্ষাপট</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময়সীমা আট ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন দাবি আদায়ের জন্য পথে নেমে এসেছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু বিক্ষোভ দমনে সেদিন বর্বর কায়দা অবলম্বন করা হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সে ঘটনায় তখন সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে ওঠে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পায় শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-shromojibi-manush-odhikar-aday-din/">আজ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/aj-shromojibi-manush-odhikar-aday-din/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস</title>
		<link>https://nenews.news/aj-oitihasik-mujibnagar-dibos/</link>
					<comments>https://nenews.news/aj-oitihasik-mujibnagar-dibos/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 07:47:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১৭ এপ্রিল]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[ঐতিহাসিক]]></category>
		<category><![CDATA[দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[মুজিবনগর]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাধীনতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=11387</guid>

					<description><![CDATA[<p>গত বছর সংক্ষিপ্ত আকারে মুজিবনগর দিবস পালন করা হলেও এবার এই ঐতিহাসিক দিবসটি পালনের রাষ্ট্রীয় কোনো আনুষ্ঠানিকতা রাখেনি বর্তমান সরকার।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-oitihasik-mujibnagar-dibos/">আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতি বছরের ১৭ এপ্রিল নানা আনুষ্ঠানিকতায় পালিত হতো দিবসটি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও সংক্ষিপ্ত আকারে মুজিবনগর দিবস পালন করা হয়েছে। তবে এবার মুজিবনগর দিবস পালনের রাষ্ট্রীয় কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় জানান, তারা মৌখিকভাবে জানতে পেরেছেন যে এবার মুজিবনগর দিবস পালন করা হচ্ছে না। তবে কোনো লিখিত চিঠি পাননি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">দেশের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানীখ্যাত মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর অন্যতম। এ আম্রকাননেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করা হয়। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রথম মুজিবনগরকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার স্মৃতিকে ধরে রাখতে ২৩ স্তম্ভবিশিষ্ট স্মৃতিসৌধ গড়ে তোলেন। এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় গিয়ে ৮০ দশমিক ৪২ একর জমি অধিগ্রহণ করে মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতি কমপ্লেক্স গড়ে তোলার কাজ শুরু করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী মানচিত্রে মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরকে ভাগ করে প্রায় ৬০০টি ভাস্কর্যের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ছুটে যেতেন ঐতিহাসিক মুজিবনগরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে। অথচ সেই ভাস্কর্যের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ভাস্কর্যগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে এখানে-সেখানে। গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর সারাদেশের মতো মেহেরপুরের মুজিবনগরে ছাত্র-জনতা আনন্দ মিছিল করতে রাস্তায় নেমে আসেন। এ সুযোগে কিছু দুষ্কৃতকারী মুবিজনগর সরকারের শপথ স্থানে নির্মিত ভাস্কর্য ভাঙচুর করে। এসব ক্ষত বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স।</p>



<p class="wp-block-paragraph">২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীরপ্রতীক বলেছিলেন, মুজিবনগর সরকারের নাম পরিবর্তনের ইচ্ছা অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। কারণ, ইতিহাস কখনও মোছা যায় না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি জানান, ১০ এপ্রিল সরকার গঠন হলেও শপথগ্রহণ হয়েছে ১৭ তারিখে মুজিবনগরে। দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্বে সংযোগ স্থাপন করেছে মুজিবনগর সরকার। মুজিবনগর সরকার প্রবাসী কিংবা অস্থায়ী সরকার নয়। এ সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। তাই এই সরকার হচ্ছে সাংবিধানিক সরকার। এ সরকারের শপথ গ্রহণ একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্সে যে ক্ষতি হয়েছে, তা সংস্কার করা হবে। এখানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মোছা হবে না এবং কোনো কিছু আরোপিতও করা হবে না। তবে এখনও মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স সংস্কার হয়নি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নভেম্বর-ডিসেম্বরে গণপূর্ত বিভাগ মেহেরপুর থেকে মুজিবনগর কমপ্লেক্সে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি তালিকা করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গণপূর্ত বিভাগ মেহেরপুরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জামাল উদ্দিন বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত ও খোয়া যাওয়ার তালিকা তৈরি করে পাঠানো হয়েছিল। তখন ঢাকা থেকে একটি টিম এসে পরিদর্শনও করে গেছে। ঠিকঠাক করতে ৬০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা খরচ হবে মর্মে অর্থ বরাদ্দের জন্য চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। সরকারি বাজেট না পাওয়ায় কাজ করা হয়নি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা পর্বে ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার (বর্তমান মুজিবনগর) এক আমবাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলার অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার। এ আমবাগানকে ‘মুজিবনগর’ নামকরণ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-oitihasik-mujibnagar-dibos/">আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/aj-oitihasik-mujibnagar-dibos/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ</title>
		<link>https://nenews.news/muktijuddho-soshostro-protirodh-dibos/</link>
					<comments>https://nenews.news/muktijuddho-soshostro-protirodh-dibos/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 11:41:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিরোধ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রথম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সশস্ত্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=11088</guid>

					<description><![CDATA[<p>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চে দেওয়া ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯ মার্চ অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালি সশস্ত্র সেনাবাহিনীর সামনে রুখে দাঁড়িয়েছিল।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/muktijuddho-soshostro-protirodh-dibos/">মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ ১৯ মার্চ, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের (তৎকালীন জয়দেবপুর) বীর বাঙালি গর্জে উঠে প্রথম সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চে দেওয়া ভাষণে ‘তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে,’ এই মন্ত্রবলে বলীয়ান হয়ে ১৯ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই জয়দেবপুরে অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালি সশস্ত্র সেনাবাহিনীর সামনে প্রথমবার রুখে দাঁড়িয়েছিল। হাজার-হাজার মানুষ অবতীর্ণ হয়েছিল সেই সম্মুখযুদ্ধে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে হঠাৎ পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি রেজিমেন্ট জয়দেবপুরের (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করার জন্য পৌঁছে যায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা জয়দেবপুরে এক প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন অনেকে। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান জয়দেবপুরের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে নিজ হাতে লিখে একটি বাণী দিয়েছিলেন। বাণীতে তিনি লিখেছিলেন, &#8216;১৯৭১ সালের ১৯ শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে আরো একটি স্মরণীয় দিন। ওই দিন পাক মিলিটারি বাহিনী জয়দেবপুরে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের জওয়ানদের নিরস্ত্র করার প্রয়াস পেলে জয়দেবপুর থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের যৌথ নেতৃত্বে কৃষক, ছাত্র, জনতা সবাই বিরাট প্রতিরোধের সৃষ্টি করে। ফলে মিলিটারির গুলিতে তিনটি অমূল্য প্রাণ নষ্ট হয় এবং বহু লোক আহত হয়। আমি তার কয়েক দিন মাত্র পূর্বে ৭ মার্চ তারিখে ডাক দিয়েছিলাম, যার কাছে যা আছে, তাই দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোল। জয়দেবপুরবাসীরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। আমি তাদের মোবারকবাদ জানাই। কোনো মহৎ কাজই ত্যাগ ব্যতীত হয় না। জয়দেবপুরের নিয়ামত, মনু, খলিফা ও চান্দনা চৌরাস্তায় হুরমতের আত্মত্যাগও বৃথা যায় নাই। শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। তাই আজ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের ফলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রাম শেষ হয়েছে। আসুন, আজ আমরা সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার সংগ্রামে লিপ্ত হই।’</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি জয় বাংলা লিখে বাণীটি শেষ করেন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/muktijuddho-soshostro-protirodh-dibos/">মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/muktijuddho-soshostro-protirodh-dibos/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘ধামাইল: উৎসের সন্ধানে’ প্রকাশ</title>
		<link>https://nenews.news/dhamail-utser-sondhane-boi-prokash/</link>
					<comments>https://nenews.news/dhamail-utser-sondhane-boi-prokash/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 18 Mar 2026 08:12:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Art & Culture]]></category>
		<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[অসীম চক্রবর্তী]]></category>
		<category><![CDATA[উৎসের]]></category>
		<category><![CDATA[গান]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রন্থ]]></category>
		<category><![CDATA[ধামাইল]]></category>
		<category><![CDATA[প্রকাশ]]></category>
		<category><![CDATA[বই]]></category>
		<category><![CDATA[লোকসংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সন্ধান]]></category>
		<category><![CDATA[সন্ধানে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=11066</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় রচিত এই বইয়ে ধামাইলের উৎপত্তি, ঐতিহাসিক বিকাশ, সাহিত্যিক প্রভাব এবং সমকালীন চর্চা নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ সংযোজিত হয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/dhamail-utser-sondhane-boi-prokash/">‘ধামাইল: উৎসের সন্ধানে’ প্রকাশ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোর একটি ধামাইলকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়েছে নতুন গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ‘ধামাইল: উৎসের সন্ধানে’। বইটি সম্পাদনা করেছেন গবেষক, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ড. অসীম চক্রবর্তী এবং প্রকাশ করেছে ঢাকার ভাষাচিত্র প্রকাশনী।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলা ও ইংরেজি-দুই ভাষায় রচিত এই সংকলনে ধামাইলের উৎপত্তি, ঐতিহাসিক বিকাশ, সাহিত্যিক প্রভাব এবং সমকালীন চর্চা নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ সংযোজিত হয়েছে। এতে লিখেছেন ড. সায়মন জাকারিয়া, ড. সাইদুর রহমান লিপন, সুমনকুমার দাশ এবং ড. মোস্তাক আহমদ দীন। বইটির প্রচ্ছদ নির্মাণ করেছেন মৌনি মুক্তা চক্রবর্তী।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গ্রন্থটিতে ধামাইলের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও নন্দনতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিশ্লেষণের পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত লোকস্মৃতি, সংগীত এবং বিশেষ করে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে। ধামাইল মূলত সিলেট অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নৃত্যধারা, যা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ সমাজে নারীদের অংশগ্রহণে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংরক্ষিত হয়ে আসছে। বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক আয়োজনে নারীরা বৃত্তাকারে দাঁড়িয়ে তাল-লয়ের মাধ্যমে এই পরিবেশনা করেন, যা শুধু বিনোদন নয়, বরং সামাজিক বন্ধন ও সম্মিলিত স্মৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গ্রন্থটি একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মুক্ত আর্টস’ আয়োজিত একটি ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এর প্রকাশনা সম্পন্ন হয়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনুসন্ধান, সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া। এর আগে একই উদ্যোগে বাংলা কীর্তন ও ভাটিয়ালি সংগীত নিয়েও বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উদ্যোক্তারা মনে করেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা লোকঐতিহ্য তুলে ধরতে এ ধরনের গবেষণাধর্মী গ্রন্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইতোমধ্যে বইটি লন্ডনের একটি ঐতিহ্যবাহী লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত হয়েছে এবং সেখানে পাঠকদের জন্যও উন্মুক্ত করা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সম্পাদক ড. অসীম চক্রবর্তী আশা প্রকাশ করে বলেন, এই গ্রন্থ ধামাইল নিয়ে নতুন গবেষণা, শিল্পচর্চা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে সাংস্কৃতিক সংলাপকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তাঁর মতে, ধামাইল কেবল একটি লোকসংগীত বা নৃত্য নয়; এটি বাংলার সামাজিক স্মৃতি, আধ্যাত্মিকতা এবং সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার এক গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/dhamail-utser-sondhane-boi-prokash/">‘ধামাইল: উৎসের সন্ধানে’ প্রকাশ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/dhamail-utser-sondhane-boi-prokash/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আজ</title>
		<link>https://nenews.news/bangabandhu-sheikh-mujibur-rahman-jonmodin-aj/</link>
					<comments>https://nenews.news/bangabandhu-sheikh-mujibur-rahman-jonmodin-aj/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 19:16:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১০৬তম]]></category>
		<category><![CDATA[১৭ মার্চ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জন্মদিন]]></category>
		<category><![CDATA[বঙ্গবন্ধু]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=11048</guid>

					<description><![CDATA[<p>পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের প্রায় ১৩ বছরই বঙ্গবন্ধুকে বন্দি থাকতে হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আটটি জন্মদিন তিনি কারাগারেই কাটান।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangabandhu-sheikh-mujibur-rahman-jonmodin-aj/">বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আজ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মদিন আজ। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা সায়েরা খাতুন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ব্রিটিশ শাসনামলে জন্ম নেওয়া বঙ্গবন্ধু কৈশোর থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি প্রথমবারের মতো কারাবরণ করেন। পরে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি তৎকালীন প্রখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের সান্নিধ্যে আসেন এবং ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। ’৬৬-র ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া তার ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন গতি দেয়। সেই বছরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক মর্মান্তিক ঘটনায় সপরিবারে নিহত হন তিনি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সময়ে মোট ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাগারে কাটিয়েছেন। পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের প্রায় ১৩ বছরই তাকে বন্দি থাকতে হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আটটি জন্মদিন তিনি কারাগারেই কাটান।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বঙ্গবন্ধু নিজে জন্মদিন জাঁকজমকভাবে পালন করতেন না। সাধারণত দিনটি তিনি সাদামাটাভাবে কাটাতেন। পরিবারের সদস্যরা ঘরোয়া পরিবেশে শুভেচ্ছা জানাতেন আর দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জন্মবার্ষিকী স্মরণ করতেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangabandhu-sheikh-mujibur-rahman-jonmodin-aj/">বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আজ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bangabandhu-sheikh-mujibur-rahman-jonmodin-aj/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস</title>
		<link>https://nenews.news/aj-antorjatik-nari-dibos/</link>
					<comments>https://nenews.news/aj-antorjatik-nari-dibos/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 07:18:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[আজ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[কর্মসূচি]]></category>
		<category><![CDATA[দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[নারী]]></category>
		<category><![CDATA[ন্যায়বিচার]]></category>
		<category><![CDATA[পালন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=10883</guid>

					<description><![CDATA[<p>দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে নারীরা তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসকে স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-antorjatik-nari-dibos/">আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হচ্ছে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমতার প্রশ্নে দীর্ঘদিনের সংগ্রামকে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ই দিবসটির মূল বার্তা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস মূলত শ্রমজীবী নারীদের অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকরা দৈনিক ১২ ঘণ্টার শ্রম কমিয়ে আট ঘণ্টা করা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলনের সময় বহু নারী শ্রমিক গ্রেফতার হন এবং নির্যাতনের শিকার হন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পরবর্তীকালে ১৮৬০ সালের একই দিনে ‘নারীশ্রমিক ইউনিয়ন’ গঠিত হয়। এরপর ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রায় দেড় হাজার নারী শ্রমিক একই দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামেন এবং শেষ পর্যন্ত আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টার অধিকার আদায় করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">নারী শ্রমিকদের এই সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে জার্মান নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি নারী অধিকার আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পালিত হতে থাকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক নারীবর্ষ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন শুরু করে। পরে ১৯৭৭ সালে দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সংস্থাটি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বর্তমানে দিনটি শুধু উদযাপনের নয়, বরং নারীর অধিকার, সমতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার দিন হিসেবেও বিবেচিত হয়। জাতিগত, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রেই বৈষম্য দূর করে নারীর অর্জনকে মর্যাদা দেওয়ার আহ্বানই এই দিনের মূল বার্তা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে নারীরা তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসকে স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>প্রধানমন্ত্রীর বাণী</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">নারী দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি বলেন, সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি নারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>নারী দিবসের কর্মসূচি</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। এ সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য কয়েকজন নারীকে ‘অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এছাড়া আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র&#x200d;্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনও দিবসটি ঘিরে সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এদিকে ব্যাংকিং খাতেও নারী দিবস উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক নারী গ্রাহকদের জন্য সচেতনতামূলক আলোচনা ও নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা বিষয়ক আয়োজন করছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও বিশেষ আলোচনা সভা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এসব অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের সফল নারীরা তাদের সংগ্রাম, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের কথা তুলে ধরবেন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-antorjatik-nari-dibos/">আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/aj-antorjatik-nari-dibos/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ</title>
		<link>https://nenews.news/aj-oitihasik-7march/</link>
					<comments>https://nenews.news/aj-oitihasik-7march/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Mar 2026 18:09:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[৭ মার্চ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ঐতিহাসিক]]></category>
		<category><![CDATA[জাতির পিতা]]></category>
		<category><![CDATA[বঙ্গবন্ধু]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষণ]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[রেসকোর্স ময়দান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=10877</guid>

					<description><![CDATA[<p>৭ মার্চ দেয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণকে বাঙালির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের প্রেরণা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-oitihasik-7march/">আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রমনার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই ভাষণকে বাঙালির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের প্রেরণা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">রেসকোর্স ময়দানে সমবেত লাখো মানুষকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণকে ২০১৭ সালে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেসকো।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু যেমন বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেছেন, তেমনি দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এরপর ২৬ মার্চ আসে স্বাধীনতার ঘোষণা, ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আওয়ামী লীগ প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মাধ্যমে ৭ মার্চ পালন করে। দলটি ক্ষমতায় থাকতে দিবসটি পালনে রাষ্ট্রীয়ভাবেও নানা আয়োজন করা হতো। এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে দিবসটি সামনে এসেছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে বর্তমানে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/aj-oitihasik-7march/">আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/aj-oitihasik-7march/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস</title>
		<link>https://nenews.news/oitihasik-potaka-uttolon-dibos/</link>
					<comments>https://nenews.news/oitihasik-potaka-uttolon-dibos/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 08:03:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[২ মার্চ]]></category>
		<category><![CDATA[উত্তোলন]]></category>
		<category><![CDATA[একাত্তর]]></category>
		<category><![CDATA[ঐতিহাসিক]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[পতাকা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=10781</guid>

					<description><![CDATA[<p>সর্বপ্রথম পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন নেতা আ স ম আব্দুর রব। পরে বঙ্গবন্ধু নিজ বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/oitihasik-potaka-uttolon-dibos/">আজ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ ২ মার্চ। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস। একাত্তরের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা তোলা হয়েছিল। সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি মানচিত্র খচিত পতাকা। ওইদিন পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ডাকসুর সহসভাপতি আ স ম আবদুর রব।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগে সাড়া দিয়েছিল আমজনতা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রকৃতপক্ষে সেদিনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি ছাত্র-জনতা স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিমন্ত্রে উজ্জীবিত হয় এবং স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু করে। পতাকা উত্তোলনই জানান দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিকল্প নেই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">দীর্ঘ ৯ মাসের বহু ত্যাগ, রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ৯ মাস এই পতাকাই বিবেচিত হয় আমাদের জাতীয় পতাকা হিসেবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষিত হওয়ায় সকাল থেকেই দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ ঢাকার রাজপথে অবস্থান নেয়; ঢাকা পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর জুলুম, নিগ্রহ, শোষণ আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হতে থাকেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। অকুতোভয় ছাত্রসমাজ ও জনতা পাকিস্তানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জানিয়ে দেয়- বাঙালি মাথা নত করবে না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ওই পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রলীগের তৎকালীন নেতা আ স ম আব্দুর রব। তখন ছাত্র সমাবেশের নেতৃত্বে ছিলেন নূরে আলম সিদ্দিকী, আব্দুল কুদ্দুস মাখন, শাহজাহান সিরাজ, আ স ম আব্দুর রব প্রমুখ। পরে ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডিতে তার নিজ বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যদিও সেসময় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝে লাল বৃত্ত ছিল না। তখন সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝে সোনালি মানচিত্র ছিল, যা শিব নারায়ণ দাশ নকশা করেছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পরে ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে পতাকার বর্তমান রূপ গৃহীত হয়, যেখানে মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়। এর নকশা করেন কামরুল হাসান। সবুজের মাঝে লাল রঙের ভরাট বৃত্তটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/oitihasik-potaka-uttolon-dibos/">আজ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/oitihasik-potaka-uttolon-dibos/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শুরু হলো অগ্নিঝরা স্বাধীনতার মাস</title>
		<link>https://nenews.news/swadhinota-mas-march-shuru/</link>
					<comments>https://nenews.news/swadhinota-mas-march-shuru/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 09:35:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মার্চ]]></category>
		<category><![CDATA[মাস]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[শুরু]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাধীনতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=10756</guid>

					<description><![CDATA[<p>১৯৭১ সালের এই মার্চে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতার চূড়ান্ত সংগ্রামে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/swadhinota-mas-march-shuru/">শুরু হলো অগ্নিঝরা স্বাধীনতার মাস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আজ ১ মার্চ। বাঙালির জীবনে নানা কারণে এ মাস অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস। ১৯৭১ সালের এ মার্চেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেওয়ার চূড়ান্ত সংগ্রামে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৭১-এর ৭ মার্চ সাবেক রেসকোর্স ময়দান আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি শাসকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। মরতে যখন শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না। রক্ত যখন দিয়েছি, আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাঁর এই ঐতহিাসিক ভাষণের সময় মুহুর্মুহু গর্জনে উত্তাল ছিল জনসমুদ্র। লাখ কণ্ঠের একই আওয়াজ উচ্চারিত হতে থাকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। ঢাকাসহ গোটা দেশে পতপত করে উড়ছিল সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের পতাকা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার জন্য যে আগুন জ্বলে উঠছিল সে আগুন যেন ছড়িয়ে পড়ে বাংলার সর্বত্র। এর পর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সিঁড়ি বেয়ে একাত্তরের মার্চ বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে নতুন বারতা। এ বছরের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এর আগে ২৫ মার্চ রাত ১টার অল্প পরে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সৈন্যরা গ্রেপ্তার করে তার বাড়ি থেকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানিরা বাঙালির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘অপারশেন সার্চলাইট’ নামে বাঙালি নিধনে নামে। ঢাকার রাস্তায় বেরিয়ে সৈন্যরা নির্বিচারে হাজার হাজার লোককে হত্যা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষককে হত্যা করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এর পরের ঘটনাপ্রবাহ প্রতিরোধের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা হয়। আবালবৃদ্ধবনিতা যোগ দেয় মহান মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বের বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/swadhinota-mas-march-shuru/">শুরু হলো অগ্নিঝরা স্বাধীনতার মাস</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/swadhinota-mas-march-shuru/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জেনারেল ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ</title>
		<link>https://nenews.news/general-osmani-mrityubarshiki/</link>
					<comments>https://nenews.news/general-osmani-mrityubarshiki/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 07:11:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[আতাউল গণি ওসমানী]]></category>
		<category><![CDATA[জেনারেল]]></category>
		<category><![CDATA[বঙ্গবীর]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যুবার্ষিকী]]></category>
		<category><![CDATA[সর্বাধিনায়ক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=10457</guid>

					<description><![CDATA[<p>বঙ্গবীর জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে তিনি পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/general-osmani-mrityubarshiki/">জেনারেল ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান। সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারসংলগ্ন গোরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">জাতির এ কৃতী সন্তানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মস্থান সিলেট এবং রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ওসমানীর পৈতৃক নিবাস বর্তমান সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলার দয়ামীর গ্রামে। তার বাবা খান বাহাদুর মফিজুর রহমান ও মা জোবেদা খাতুন ছিলেন দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক ও জননী। তিনি ছিলেন ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। শৈশবে ওসমানীর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় পরিবার থেকেই। ১৯২৯ সালে ১১ বছর বয়সে ওসমানীকে আসামের গৌহাটির কটনস স্কুলে ভর্তি করা হয়। কটনস স্কুলে পড়াশোনা শেষ করার পর মায়ের ইচ্ছায় ১৯৩২ সালে সিলেট সরকারি পাইলট স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। এই স্কুল থেকে ১৯৩৪ সালে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাশ করেন এবং ইংরেজিতে কৃতিত্বের জন্য ‘প্রিটোরিয়া অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। ১৯৩৪ সালে তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তিনি ১৯৩৬ সালে আইএ পাশ করেন। ১৯৩৮ সালে বিএ পাশ করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৩৯ সালে ভূগোলে এম এ প্রথমপর্ব পড়ার সময় ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ছাত্রজীবনেই ওসমানীর মধ্যে ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের ছাপ ফুটে ওঠে। যোগ্যতার স্বীকৃতি হিসাবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ.ও.টি.সি’র (ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর) সার্জেন্ট নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদ–ন সামরিক একাডেমি থেকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন। ১৯৪১ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে তিনি ১৯৪২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ আর্মির সর্বকনিষ্ঠ মেজর হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হয়ে নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মিয়ানমার (বার্মা) রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহণে এক বিশাল বাহিনীর অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে ওসমানী তার বাবার ইচ্ছা পূরণে আইসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটেন ভারতবর্ষকে স্বাধীনতা প্রদান করলে, একই সালে ১৪ ও ১৫ আগস্ট পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বতন্ত্র দেশ বিশ্ব মানচিত্রে আবির্ভূত হয়। ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ওসমানীকে ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনাসদর অপারেশন পরিদপ্তরে জেনারেল স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয়। এখানে তাকে ১৯৫৬ সালে ১৬ মে কর্নেল পদে পদোন্নতি প্রদান করে ডেপুটি ডাইরেক্টর-এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়। এ সময় আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে ওসমানী পাকিস্তান বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ওসমানী দক্ষতার সঙ্গে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে কর্মরত থাকাকালীন ওসমানী একজন স্বাধীনচেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী। ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন ওসমানী। তিনি ১৯৭০-এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন ওসমানী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল ওসমানী।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/general-osmani-mrityubarshiki/">জেনারেল ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/general-osmani-mrityubarshiki/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
