কার্যকারিতা হারাচ্ছে গণভোটসহ ২০টি অধ্যাদেশ

গণভোটসহ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাতে যাচ্ছে। সংসদের চলতি অধিবেশনে এসব অধ্যাদেশ উত্থাপন না করার সুপারিশ করেছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটি।

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ ২০২৪ সরাসরি রহিতকরণের সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশই গত ১২ মার্চ নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। পরে এগুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সরকার ও বিরোধীদলীয় সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করে সংসদ।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ওই কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন সংসদের বৈঠকে প্রতিবেদন পেশ করেন। বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বিশেষ কমিটির ওই প্রতিবেদনে ১৩৩ অধ্যাদেশের ৯৮টি অপরিবর্তিত অবস্থায় এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংসদে বিল আকারে উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে কমিটি। বাকি ২০টির মধ্যে ১৬টি এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময় যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল হিসেবে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। চলতি অধিবেশনে উত্থাপন না হওয়ায় এই ১৬টি অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার কার্যকারিতা হারাবে।

সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে বলা আছে, অধ্যাদেশ জারির পর তা পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করতে হবে এবং উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে পাস না হলে তা বাতিল হয়ে যাবে। সেই হিসেবে আগামী ১২ এপ্রিলের পর এই ১৬ অধ্যাদেশ কার্যত বাতিল হয়ে যাবে।

বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে চারটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ ও হেফাজতের জন্য এখনই সংসদে বিল আনার সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ ইতোমধ্যে যেসব কাজ হয়েছে, তার বৈধতা দিয়ে এই ৪ অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যাবে।

১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দল জামায়াতের তিন সদস্য– মুজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান ও জিএম নজরুল ইসলাম ১৯টি সুপারিশে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) জানিয়েছেন।

সরাসরি বাতিল চার অধ্যাদেশ

সংবিধানে বিচারক নিয়োগে আইন করার কথা থাকলেও এতদিন এটা হয়নি। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ জারি করে। এতে বলা হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করবে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে স্বতন্ত্র এই কাউন্সিল যোগ্য ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতি বরাবর সুপারিশ করবে।

আর অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান-সংক্রান্ত বিষয়াদি পালন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ করা হয়। এ অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা হলে অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে এই সচিবালয়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন। এ দুটি অধ্যাদেশ বাতিল বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট আছে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের।

কমিটির এই সুপারিশে ভিন্নমত দিয়ে জামায়াতে ইসলামী বলেছে, এই অধ্যাদেশ বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এ অধ্যাদেশের অধীনে প্রধান বিচারপতিকে প্রশাসনিক প্রধান করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ নামে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় গঠন করা হয়েছে, যা বিচার বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনায় একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রদান করে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ এখনই পাস না করতে বিশেষ কমিটির সুপারিশে নোট অব ডিসেন্টে জামায়াতের সদস্যরা বলেন, এই অধ্যাদেশের ফলে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং পেশাগত বিচক্ষণতার সমন্বয় ঘটবে, যা একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুসংহত হবে এবং জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। বিচার বিভাগকে আরও শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

আইনজীবী ড. শাহ্দীন মালিক বলেন, এ দুটি অধ্যাদেশ জারির পর কয়েক মাস প্রয়োগ হয়েছে। এখন এসব অধ্যাদেশ সংশোধন এবং যাচাই-বাছাই করে নতুন করে আইন করা বাঞ্ছনীয়। তবে এটা করতে গিয়ে যদি সরকার মাসের পর মাস সময় অতিবাহিত করে তাহলে বুঝতে হবে, এই সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চায় না। বিচার বিভাগ স্বাধীন না হলে দেশে গণতন্ত্র, জবাবদিহি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা– সবই বুলিতে পরিণত হবে।

কার্যকারিতা হারাচ্ছে ১৬ অধ্যাদেশ

কমিটির প্রতিবেদনে ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুন বিল উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়। অর্থাৎ এই অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। যার মধ্যে ১১টিতে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) দিয়েছে বিরোধী দল।

এর মধ্যে রয়েছে– জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ ও তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ।

এর মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট করার লক্ষ্যে গণভোট অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। দুদকের তদন্ত ও গোপন অনুসন্ধান ক্ষমতা বাড়িয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করা হয় ২০২৫ সালে। এতে সরাসরি এজাহার দায়েরের বিধান, বিদেশে সংঘটিত অপরাধসহ গুরুতর আর্থিক অপরাধকেও আইনের আওতায় আনা, কমিশনের সদস্য বাড়ানো হয়।

রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশে বিদ্যমান কাঠামো পুনর্গঠন করে রাজস্বনীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম পৃথক করা হয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন রাজস্বনীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়। এটি নিয়ে কর্মকর্তারা আন্দোলনে নেমেছিলেন। মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি জারি করা অধ্যাদেশটি এখনও কার্যকর হয়নি।

দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়ে বিশেষ কমিটির সুপারিশে এ অধ্যাদেশটি আপাতত উত্থাপন না করার কথা বলা হলেও ভিন্নমত প্রকাশ করে জামায়াতের সদস্যরা কমিটিতে বলেন, কমিশনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, তদন্ত প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে দেশের স্বার্থে দুর্নীতি রোধ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অধ্যাদেশটি অপরিবর্তিত অবস্থায় পাস করা প্রয়োজন বলে মত দেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশে গুমকে চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এতে মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশে ট্রাইব্যুনালে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। অভিযোগকারী বা ভুক্তভোগীকে ব্যক্তিগত আইনজীবী নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া আছে। এ ছাড়া গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের বিধান রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশটি ল্যাপসের (বাতিল) বিষয়ে সরকারের পক্ষে যুক্তি হচ্ছে– নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তে সরকারের পূর্বানুমতি থাকতে হবে। জাতীয় নিরাপত্তার কারণে প্রয়োজনীয় কোনো আটককে গুমের সংজ্ঞা থেকে বাদ দিতে হবে।

বিরোধী দলের যুক্তি হচ্ছে– গত ১৫ বছরে গুমের শিকার পরিবারগুলো সরকারের কাছে ন্যায়বিচার পায়নি। সরকারের কাছে অনুমতি চাইলে অনুমতি কখনও মেলে না।

৯৮টি হুবহু পাসের সুপারিশ

যে অধ্যাদেশগুলো হুবহু পাস করার সুপারিশ করা হয়েছে, তার মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কিছু অধ্যাদেশ আছে। এর মাধ্যমে বিশেষ পরিস্থিতিতে ও জনস্বার্থে প্রশাসক নিয়োগের বিধান করা হয়েছিল। এই আইনের অধীনে সম্প্রতি স্থানীয় সরকারের জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে বিএনপির নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। এ ক্ষেত্রে জামায়াতের আপত্তি আছে। এ ছাড়া আছে বাংলাদেশ ব্যাংক অ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স ২০২৪, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জাতির পিতার পরিবারের সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, বিশ্ববিদ্যালয়-সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ (বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে উল্লিখিত বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, শেখ হাসিনা ইত্যাদি নামের পরিবর্তন)। গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট), জাতীয় সংসদের সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ। অনেক অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল নাম পরিবর্তন-সংক্রান্ত।

সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ ১৫ অধ্যাদেশ

১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে কোথায় কী সংশোধনী আনা হবে, তা বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

এগুলো হলো– ২০২৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ, কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট), জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ।

এর মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংশোধন করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট সত্তার কার্যক্রমকে নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করা হয় এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তার মিছিল-মিটিং, প্রকাশনাসহ যেসব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে, তার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করেছে বিশেষ কমিটি।

সূত্র: সমকাল

Tags :

News Desk

Most Discussed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More on this topic

    People’s Agenda

Copyrights are reserved by NE News © 2025