<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Susupto Pathok, Author at NE NEWS</title>
	<atom:link href="https://nenews.news/author/susupto-pathok/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link></link>
	<description>people&#039;s agenda</description>
	<lastBuildDate>Sun, 18 Jan 2026 14:21:08 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	

<image>
	<url>https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/06/cropped-NE-NEWS-LOGO-scaled-1-32x32.png</url>
	<title>Susupto Pathok, Author at NE NEWS</title>
	<link></link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ভোটের আগেই টেবিলে ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গেলে তার কোন মূল্য নেই</title>
		<link>https://nenews.news/bangladesh-nirbachon-2026-shorojontro/</link>
					<comments>https://nenews.news/bangladesh-nirbachon-2026-shorojontro/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 14:21:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভোটের ফলাফল]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[ষড়যন্ত্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=9679</guid>

					<description><![CDATA[<p>যে নির্বাচন ছিল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মানুষ এখন দেখছে সেই নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্র।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladesh-nirbachon-2026-shorojontro/">ভোটের আগেই টেবিলে ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গেলে তার কোন মূল্য নেই</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় যখন তিনি বলতেন, দেশের শত্রুরা সব একজোট হয়েছে, ষড়যন্ত্র করছে- এসব শুনতে খুবই বিরক্ত লাগত। উনি যখন বলতেন, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা সব একজোট হয়ে গোপন ষড়যন্ত্র করছে- তখন মনে হতো মুক্তিযুদ্ধকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে তিনি ফয়দা লুটতে চান, তাতে উল্টো পাবলিক বিরক্ত। কিন্তু দেড় বছর পর একদম সাধারণ জনগণ বলছেন শেখ হাসিনা ঠিকই ছিল। কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের ক্যামেরার সামনে সাধারণ রিকশা অটোওয়ালারা দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলেছেন, শেখ হাসিনাই ঠিক ছিলেন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এক পারমানবিক বিদ্যুত প্রকল্প করেই আন্তর্জাতিক নেতাদের মাথা খারাপ করে দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। এরপর জ্বালানির উপর বাংলাদেশ বিগ ব্রাদারদের উপর নির্ভর করবে না। একটা গরীব দেশের সরকার পদ্মা সেতুর মত প্রকল্প বাস্তবায়ন করে ফেলাটাও বিদেশীদের ইগোতে গিয়ে লেগেছিল। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রো রেল একটা গরীব দেশে করে ফেলা দেশের শত্রুদের ভালো লাগেনি। </p>



<p class="wp-block-paragraph">বিদেশী বড় বড় পুরস্কার পাওয়া দেশের শত্রু, বিগ মিডিয়া হাউস, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দোকানের মার্কেটিং অফিসাররা আর প্রো-পাকিস্তান, বামপন্থী, মার্কিন ডলারখেকো সুশীল সবাই মিলে মরিয়া হয়ে লেগেছে আওয়ামী লীগকে ফেলে দিতে হবে! শুধু ফেলে দেয়া নয় এই দেশে যেন কোনদিন আওয়ামী লীগের জায়গা না হয়। ফলে গণহত্যা, দেশ স্বাধীন হওয়া, শহীদ, জুলাই চেতনা এইসব ন্যারেটিভ খাড়া করা হয়েছিল। নতুন নতুন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর উদয় হয়েছিল, তারা গুরুগম্ভীর স্বরে বলছিল, গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লবে বিতাড়িত কোন দলের ফিরে আসার কোন নজির নেই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এইসব বিজ্ঞানীদের কোন ধারণা নেই, যেই দলের পেছনে জনগণ থাকে তাদের ফেরা কেবলই সময়েরই ব্যাপার। আওয়ামী লীগ ফিরছে তার জনসমর্থনের জন্য। আওয়ামী লীগ ফিরছে সেই সব সুইং ভোটারদের কারণে যারা এখন মনে করছে শেখ হাসিনাই ঠিক ছিলেন। আওয়ামী লীগ ফিরছে কারণ এখন সাংবাদিকরা সাহস করে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলে ফেলছে, আওয়ামী লীগ আমলে তাদের কথা বলার যে স্বাধীনতা ছিল এখন তা নেই। দেড় বছরে একটা দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বানিয়ে ফেলা আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ই আওয়ামী লীগ আমলের সঙ্গে নিজের তুলনা করে আওয়ামী লীগের সময়কে সুশাসন হিসেবে দেখিয়ে দিয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যে নির্বাচন ছিল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, মানুষ এখন দেখছে সেই নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্র। একটা দলকে নিষিদ্ধ করে তাদেরকে নির্বাচন করতে না দেওয়াকেই তারা সংজ্ঞা দিচ্ছে &#8216;ইনক্লুসিভ নির্বাচন!&#8217; আমরাও এক সময় বলতাম, শেখ হাসিনা একতরফা নির্বাচন করেছে। কিন্তু তখন কেউ নিষিদ্ধ ছিল না। তখনকার প্রধান বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করেছিল। এখন দল নিষিদ্ধ করে নির্বাচন করা যাচ্ছে যাতে আওয়ামী লীগ জিতে যেতে না পারে সেই ভয়ে! নির্দলীয় নির্বাচনের দাবী করে শেখ হাসিনাকে যারা বর্জন করেছিল তারা ইউনুসের দলীয় পক্ষপাতিত্ব সরকারের অধিনে নির্বাচনে যাচ্ছে কেন? কারণ নির্বাচনটি আঁতাতের নির্বাচন হচ্ছে। হাজার কোটি টাকা খচর করে একটা নির্বাচন করা হবে যা আগেই ফিক্সিং করা থাকবে। এরকম একটি রাজনৈতিক বেশ্যাবৃত্তিতে যারা যোগ দিচ্ছে, যেসব মিডিয়া সেই নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করছে তাদের চরিত্র প্রকাশিত হওয়াটাও জরুরী ছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ভয় ভীতি দেখিয়ে কোথাও কোথাও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কেন্দ্রে নেওয়া যাবে ঠিকই। কিন্তু সম্মলিতভাবে আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে দ্ব্যর্থহীন ভোটাররা এই নির্বাচন বয়কট করেই আছে। কাজেই তথাকথিত গণভোটের হ্যাঁ ও না নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যথা নেই। আজ হোক কাল হোক এই ইন্টেরিম সরকারের অবৈধভাবে ক্ষমতা গ্রহণের বিচার হবেই। কাজেই এইসব গণভোটের কোন মূল্যই নেই। যে ভোটের ফলাফল আগেই টেবিলে হয়ে গেছে তার কোন মূল্য নেই।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladesh-nirbachon-2026-shorojontro/">ভোটের আগেই টেবিলে ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গেলে তার কোন মূল্য নেই</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bangladesh-nirbachon-2026-shorojontro/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আপনাদের শোকটা কিসের উপর ভিত্তি করে?</title>
		<link>https://nenews.news/osman-hadi-life-ideology-legacy/</link>
					<comments>https://nenews.news/osman-hadi-life-ideology-legacy/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 17:22:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[আদর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[ইনকিলাব মঞ্চ]]></category>
		<category><![CDATA[ডানপন্থী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শরিফ ওসমান হাদি]]></category>
		<category><![CDATA[শোক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=8861</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইনকিলাব মঞ্চের প্রধান ছিল হাদী, সেই মঞ্চের পরিচিত মুখগুলোই ভাঙতে গিয়েছেে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, ছায়ানট, উদিচি এবং ধানমন্ডি ৩২।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/osman-hadi-life-ideology-legacy/">আপনাদের শোকটা কিসের উপর ভিত্তি করে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>গণজাগরণ মঞ্চের যে কর্মীটি বাড়ি ফেরার পথে খুন হয়েছিল তাকে নিয়ে আপনি কখনোই জামাত-শিবির, বিএনপি, স্বাধীনতা বিরোধী, ইসলামপন্থী তাদের কোন সমর্থকদের আফসোস করতে দেখেননি। কেউ বলেনি, তার রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে আমি একমত নই কিন্তু তার যে তেজ, যে তারুণ্য তা দেশের জন্য খুব দরকার ছিল। কেউ বলেনি। </strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু ডানপন্থী হাদী, গত দেড়বছরে হাদী, ফুয়াদ, হাসনাত এরা খোদ ঢাকা শহরের ভিন্নমতের মানুষদের স্তব্ধ করে দিয়েছে। খোদ ঢাকাবাসী কোন মেয়ে সন্ধ্যাবেলা তার একা চলাফেরা, তার পোশাক নিয়ে শংকিত হয়ে পড়েছে। কারণ চরম ডানপন্থী শক্তির উত্থান ঘটে গেছে। সেই হাদীর মৃত্যু, যে কোন মৃত্যু, হোক তা শত্রুর- তবু উল্লাস করা বর্বরতা। কিন্তু একটা দেশকে চরমমাত্রায় মব ভায়োলেন্স দিয়ে আক্রান্ত করা কারোর মৃত্যু দেশের জন্য ঠিক কিসের ক্ষতি? </p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে দাবী করেন, বাংলাদেশকে একটা প্রগতিশীল দেশ দেখার স্বপ্ন তাদের আছে বলে দাবী করেন- তাদের শোকটা কিসের উপর ভিত্তি করে? হাদীর আইডল ছিল কুখ্যাত কাদের মোল্লা। আপনি দেখেছেন, এই ঘরোনার কেউ অভিজিত রায়ের মৃত্যুর পর বলেছে, অভিজিত রায়ের বিশ্বাসের সঙ্গে একমত নই কিন্তু তার মত লেখকের বাংলাদেশে দরকার ছিল। আমরা সবাই অভিজিত, বলতে দেখেছেন? দেখেননি। এখানেই পার্থক্য। এখানেই আমরা অনৈক্য। এখানেই আদর্শের দুর্বলতা।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">২৪ এর আন্দোলনে বিএনপির কেউ মরেনি। আবু সাঈদ শিবির করত। মুগ্ধ অরাজনৈতিক। হাদী জামাত ক্রিয়েটেড ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী- তার সঙ্গে বিএনপির কোন সম্পর্ক নেই। ফলে ২৪ নিয়ে চিত্কার করে বিএনপির কোন লাভ নেই। দেখুন, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিল আওয়ামী লীগ- ফলে আওয়ামী লীগের নাম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথাই শুরু করা যাবে না। এই সীমাবদ্ধতার ক্ষোভ থেকেই বলা হতো, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করে। আসলে আপনার পুঁজি থাকলেই তো ব্যবসা করতে পারবেন। ফলে ২৪ নিয়ে বিএনপি ব্যবসা করতে পারবে না। </p>



<p class="wp-block-paragraph">মাহফুজকে মাস্টার মাইন্ড হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন ইউনুস সাহেব। বিএনপি সেখানে কেবলই শূন্য হাত। অথচ দেখেন কনক চাঁপা বা আসিফ আকবর- এরা বিএনপি করে, ২৪ নিয়ে এদের এখনো যে অবস্থান সেটি তাদের দলের কোন অর্জন নয়। কাজেই ‘বিএনপি করে’ বা ‘বিএনপি সমর্থক’ বলতে কিছু নেই। বিএনপি করে মানে এন্টি-আওয়ামী লীগ, এন্টি-মুক্তিযুদ্ধ শিবির। ধরেন হাদীর বোন যদি এখন ভোটে দাঁড়ায় বিএনপির কিছু ভোট সেখানে গিয়ে পড়বে!</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>প্রথম আলো ডেইলি স্টার নাকি বারবার ফোন দিয়েও সরকার থেকে কোন সাহায্য পায়নি। পরদিন এই দুটি পত্রিকার কর্তৃপক্ষ দাবী করেছে, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে একটি মহল চক্রান্ত করছে! বিএনপির থেকে প্রথম আলো ডেইলি স্টারের অবস্থান পরিস্কার। তারা জুলাইয়ের মিডিয়া পার্টনার। নুরুল কবীর মতিউর রহমান মাহফুজ আনামদের পরিণতি যেটাই হোক এখন তারা পিছে ফিরে তাকাতে পারবে না। জুলাইয়ের অংশিদার তারা। </strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এখন অন্য অংশিদারদের হাতে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হলে কার নিন্দা করবে? অবস্থানটা পরিস্কার করেছে সরকার। ছায়ানট পোড়ানোর একদিন পর শুক্রবার জুম্মার পর উদিচি পোড়ানো হবে আগাম ঘোষণা থাকার পরও সরকার তার সেনাবাহিনী পুলিশ দিয়ে সেটাকে রক্ষা করেনি। তারপরও কিছু লোক গর্তে মাথা ঢুকিয়ে কারা হামলা করতে পারে সেই গবেষণা শুরু করেছে! প্রথম আলো তো তাদেরই বিজ্ঞাপন উটপাখীর মত মাথা বালুতে ঢুকিয়ে বিশ্লেষণ করছে! আনিসুল হকের অন্ধকারে একশো বছর উপন্যাস এখন তাকে দেখেই হাসছে!</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>গবেষকরা বুঝতে পারছে না কারা এগুলো করতে পারে! শত শত ফুটেজ রয়েছে। রাতজেগে সবাই লাইভ দেখলো দেড়টা বছর জুড়ে সেই মুখগুলো যারা ৩২ নম্বর ভেঙেছে তারাই ছিল এখানে। এখন সেই একই মুখগুলোকে মোদির এজেন্ট বানানোর চেষ্টা হচ্ছে! এটা করতে হলে একদম শুরু থেকে ন্যারেটিভ চেঞ্জ করতে হবে। বলতে হবে শেখ হাসিনা মোদির সহায়তায় ৩২ নম্বর ভেঙেছিলেন। না হলে ইনকিলাব মঞ্চ যেটার প্রধান ছিল হাদী, সেই মঞ্চের পরিচিত মুখগুলোই ভাঙতে গেছে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, ছায়ানট, উদিচি। </strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে ফল আনতে নাকি মোদি বাংলাদেশে পর পর এই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে। তাহলে শত শত এইসব মোদির এজেন্ট তথা ভারতের দালালদের ৪৮ ঘন্টা পরও সরকার একজনকে গ্রেফতার করতে পারলো না কেন? তাহলে খোদ ইউনুস সরকার ভারতের দালাল? দেশে বৈষম্য বিরোধীদের এত পোলাপান, এনসিপির হাসনাত যে হুংকার দিয়েছে, এদেশে এত জামাত শিবির- তাদের মধ্যে মোদির এজেন্টরা বুক ফুলিয়ে এত বড় বড় ঘটনা দুদিন ধরে করে গেলো, ক্যামনে সম্ভব?</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="847" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Mohiuddin-statement-about-Hadi-murder-NE-NEWS-847x1024.jpg" alt="" class="wp-image-8863" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Mohiuddin-statement-about-Hadi-murder-NE-NEWS-847x1024.jpg 847w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Mohiuddin-statement-about-Hadi-murder-NE-NEWS-248x300.jpg 248w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Mohiuddin-statement-about-Hadi-murder-NE-NEWS-768x929.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Mohiuddin-statement-about-Hadi-murder-NE-NEWS-1270x1536.jpg 1270w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/12/Mohiuddin-statement-about-Hadi-murder-NE-NEWS.jpg 1693w" sizes="(max-width: 847px) 100vw, 847px" /></figure>
<p>The post <a href="https://nenews.news/osman-hadi-life-ideology-legacy/">আপনাদের শোকটা কিসের উপর ভিত্তি করে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/osman-hadi-life-ideology-legacy/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভারত কি বাংলাদেশের বিজয় দিবস পালন করছে?</title>
		<link>https://nenews.news/bijoy-dibos-bharot-bangladesh/</link>
					<comments>https://nenews.news/bijoy-dibos-bharot-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 11:38:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১৬ ডিসেম্বর]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজয় দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=8775</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিয়াজী আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েছিল ভারতীয় বাহিনীর কাছে যাতে তারা জেনেভা কনভেনশনের সুবিধা পায়, বাংলাদেশের স্বীকৃত সেনাবাহিনী ছিল না। </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bijoy-dibos-bharot-bangladesh/">ভারত কি বাংলাদেশের বিজয় দিবস পালন করছে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">১৬ ডিসেম্বর কিন্তু ভারতেরও বিজয় দিবস, এটা তারাও পালন করে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করে ২৬ মার্চ। সারা পৃথিবীর মিডিয়াতে পরদিন নিউজ প্রকাশিত হয়েছে পূর্ব পাকিস্তানের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। বিশ্বাস না হলে সেই সময়ের সংবাদপত্র চেক করে দেখতে পারেন। </p>



<p class="wp-block-paragraph">২৬ মার্চ থেকে চলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। ভারত কিন্তু তখনো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। পাকিস্তান ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে হামলা করলে ৩ ডিসেম্বর ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এর মানে হচ্ছে তখন বাংলাদেশ ও ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের একযোগে যুদ্ধ চলছে। ৩ ডিসেম্বর ভারত যুদ্ধ শুরু করার পরই আসলে পাকিস্তানের লাল সুতা বের হয়ে যায়। </p>



<p class="wp-block-paragraph">২৫ বছরের মৈত্রী চুক্তি হয় বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে ভারত সরকারের। এতে বলা হয় একে অপরকে সামরিক সহায়তা দিবে বিপদে পড়লে। ফলে বাংলাদেশ ভারত মিলে &#8220;মিত্র বাহিনী&#8221; গঠন করে। ভারতের বিমান পাকিস্তানে ঢুকে বোমাবর্ষণ শুরু করে। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের যে কারাগারে বন্দী ছিলেন সেখানে অবিরাম বোমাবর্ষণের শব্দ শোনা যেতো। মুজিব জিজ্ঞেস করেছিলেন, এগুলো কিসের শব্দ। তারা বলত শীতকালীন মহড়ার শব্দ এগুলো। কিন্তু যে গোয়েন্দা ছদ্মবেশে আসামী সেজে মুজিবের রুমে তাঁর জন্য রান্না ও অন্যান্য কাজ করে দিতো সে পরবর্তীতে মিডিয়ায় এক ইন্টারভিউতে বলেছিল যে, মুজিব বুঝতেন যুদ্ধ চলছে আর এগুলো ভারতের বিমানবাহিনীর গোলাবর্ষণ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যাই হোক, ১৬ ডিসেম্বর নিয়াজী আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েছিল ভারতীয় বাহিনীর কাছে কারণ তাতে তারা জেনেভা কনভেনশনের সুবিধা পাবে। বাংলাদেশের কোন স্বীকৃত সেনাবাহিনী ছিল না। ফলে ভারতের ইতিহাসে এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ জয়। এজন্য ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতও ১৬ ডিসেম্বরকে বিজয় দিবস পালন করে। ইতিহাস না জানলে সলিমুল্লাহ কলিমুল্লাহরা আপনাকে বুঝাবে সেদিন আসলে ভারতের বিজয় হয়েছিল। </p>



<p class="wp-block-paragraph">সেদিন যদি বাংলাদেশের বিজয় না হয়ে একা ভারতের বিজয় হয় তাহলে বাংলাদেশের পুরোটাই তো তাদের রাজ্য করার কথা। কাজেই কমনসেন্স খাটিয়ে ইতিহাস পড়ুন এবং জামাত ও চিঙ্কু বামদের থেকে দূরে থাকুন। আর শুনুন, নরেন্দ্র মোদি ও রাহুল গান্ধী ১৬ ডিসেম্বর তাদের যুদ্ধ জয়ের বিজয় দিবসের পোস্ট দিয়েছেন, বাংলাদেশের নাম কেন নিবে? তারা তো বাংলাদেশের বিজয় দিবস পালন করছে না। কমনসেন্স খাটান!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bijoy-dibos-bharot-bangladesh/">ভারত কি বাংলাদেশের বিজয় দিবস পালন করছে?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bijoy-dibos-bharot-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কোলকাতার বামপন্থীরা সেসময় গুজব রটিয়ে স্বাধীনতাকামীদের মন ভেঙে দিচ্ছিল</title>
		<link>https://nenews.news/kolkatar-bamponthi-gujob-1971-muktijuddho/</link>
					<comments>https://nenews.news/kolkatar-bamponthi-gujob-1971-muktijuddho/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 15:24:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[কোলকাতার বামপন্থী]]></category>
		<category><![CDATA[গুজব]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[মৈত্রী চুক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=8719</guid>

					<description><![CDATA[<p>ভারতীয় বাহিনীর যেসব সৈন বাংলাদেশে যাবে তারা কোনদিন ফিরে আসবে না, চিরস্থায়ীভাবে বাংলাদেশে থেকে যাবে। চীন বাংলাদেশেই সামরিক অভিযান চালাবে...</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/kolkatar-bamponthi-gujob-1971-muktijuddho/">কোলকাতার বামপন্থীরা সেসময় গুজব রটিয়ে স্বাধীনতাকামীদের মন ভেঙে দিচ্ছিল</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>১৯৭১ সালের আগস্টে ভারত সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তির গুরুত্বটা পরে টের পাওয়া গেলো। জুলফিকার আলী ভূট্টো আগ বাড়িয়ে গণমাধ্যমে বললেন, ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে তাদের অকৃত্রিম বন্ধু চীন পাশে এসে দাঁড়াবে এবং তাদের সৈন্যরা এসে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করবে। </strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ভারতের চালে সোভিয়েত ইউনিয়ন তার মঙ্গোলিয়া সীমান্তে সৈন্য মোতায়েন করে। মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে চীনের সীমান্ত। এর মানে হচ্ছে চীন পাকিস্তানে সৈন্য পাঠালে সোভিয়েত সৈন্য চীনে ঢুকবে! রাজনীতির দাবা খেলায় ভারতের ঘোড়া চালে চীন তার সৈন্য পাকিস্তানে পাঠাবে কি, নিজের নিরাপত্তার জন্য সৈন্য পিছিয়ে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ মনে করলো। ফলে পাকিস্তান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতকে জব্দ করতে চীনের সহায়তা আর পেলো না। সেদিন এই খবরটি মুজিবনগর সরকারে আনন্দ বয়ে এনেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আরো একটি বড় ঘটনা ছিল ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি। এই প্রথম বিশ্ব মানচিত্রে ভারত ‘বাংলাদেশ’ নামে কোন দেশের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি করল। দিল্লি গিয়ে তাজউদ্দীন-নজরুল ইসলাম ভারত সরকারের সঙ্গে এই চুক্তি ছিল বাংলাদেশ নামের দেশটিকে ভারত সরকারের অঘোষিত স্বীকৃতি। এটা আগস্ট মাসের ঘটনা। কোলকাতা ফিরে সেদিন তাজউদ্দীনের সঙ্গে সকলের কোলাকুলি হয়েছিল যুদ্ধ জয়ের মত। কারণ এবার ভারত সরাসরি প্রকাশ্যে যুদ্ধে যোগ দিবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>কিন্তু খুশির মাঝেই খবর বের হলো মার্কিন সপ্তম নৌবহর রওনা হয়েছে বঙ্গপোসাগরের উদ্দেশ্যে। এই খবরে সবার মুখ শুকিয়ে গেলো। তাজউদ্দীনের কোলকাতা অফিসে কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের শংকার কথা জানালে তিনি বলেন, আসুক ওরা। আমরা তো আর একা নই। ভারত ও সোভিয়েত নেভী ভারত মহাসাগর থেকে বঙ্গোপসাগরে ঢোকার মোহনা মুখে মাইন পেতে রেখেছে। ওরা আস্ত ফিরে যেতে পারবে না&#8230;।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>সত্যি সত্যি ভারত-সোভিয়েত সমুদ্রের নিচে পোঁতা মাইনের জন্য আর সপ্তম নৌবহর আসতে পারেনি।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">কোলকাতার বামপন্থীরা সেসময় ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি নিয়ে কী রকম গুজব রটিয়ে স্বাধীনতাকামীদের মন ভেঙে দিচ্ছিল তার কিছু কথা জানিয়েছেন মুজিবনগর সরকারের গণসংযোগ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। কোলকাতার বামরা বলাবলি করতো, ভারতীয় বাহিনীর যেসব সৈন এখন বাংলাদেশে যাবে এরা কোনদিন আর ফিরে আসবে না। এরা চিরস্থায়ীভাবেই বাংলাদেশে থেকে যাবে। এর ফলে চীন তোমাদের দেশেই সামরিক অভিযান চালাবে। আর তোমাদের মুক্তিবাহিনী ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে চীনের বিরুদ্ধে লড়বে। তোমাদের স্বাধীনতার দাবী পড়ে যাবে চাপা। তোমাদের স্বাধীনতাও অনিশ্চিত হয়ে যাবে&#8230;।</p>



<p class="wp-block-paragraph">নিজ দেশের সরকার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এই রকম গুজব কেবল চিঙ্কু বামেরাই পারে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">৩ ডিসেম্বর কোলকাতায় আসবেন ইন্দিরা গান্ধী। ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ তখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইন্দিরা কোলকাতার আসার খবরে শরণার্থী ও মুজিবনগর সরকারের মধ্যে একটা আনন্দ অশ্রু বয়ে গেলো। যেন কী একটা আসন্ন সুখবর তারা পেতে যাচ্ছে। সারা কোলকাতা তখন ইন্দিরার জন্য অপেক্ষা করে আছে। কি বলবেন তিনি সবাই শুনতে অধীর হয়ে আছে। গড়ের মাঠের দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছে এপাড় বাংলার শরণার্থীরা, শ্লোগান দিচ্ছে, ‘ইন্দিরা তুমি এগিয়ে চলো, মুজিব বাঁচাও, বাঙালি বাঁচাও’ ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা-মেঘনা-যমুনা’ ‘এক বাংলা একদেশ, বিশ্ব কবির সোনার বাংলা মুজিব-নজরুলের বাংলাদেশ’, ‘বীর বাঙালী অস্ত্র ধরো বাংলাদেশ স্বাধীন করো’!</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইন্দিরা এলেন, স্বাধীনতাকামী জনতা, শরণার্থীদের উদ্দেশ্যে বললেন, তোমরা যারা এদেশে এসেছো তারা আমার সন্তানের মত, ভাই-বোনের মত। তোমাদেরকে আমি নিরাপদেই স্বদেশে পাঠাবো। কোন বধ্যভূমিতে পাঠাবো না। আমাদের একটা মানবতাবোধ দায়িত্ববোধ আছে। আমরা এই দায়িত্ববোধ থেকে পিছু হটে যেতে পারি না। তোমরা নিশ্চিত থাকো আমি তোমাদের স্বাধীন দেশেই পাঠাবো নিরাপদে। যেন তোমরা মালসামান নিয়ে স্বাধীন দেশে যেতে পারো সব ব্যবস্থা করে দিবো। তোমাদের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কথা হয়েছে।&#8230;</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>ইন্দিরার সেদিনের এই আশ্বাস সুখবর স্বাধীনতাকামী জনতকাকে ভরসা দিয়েছিল। ইন্দিরা যে মিথ্যে স্বপ্ন দেখাননি তার মাত্র ১৩ দিন পরই মানুষ চাক্ষুস করেছিল। ইন্দিরা সেদিন তার ভাষণে আরো বলেছিলেন, অনেক ইচ্ছে ছিল তোমাদের সুখ দুঃখের কথা একান্তে শুনবো। কিন্তু এখন আমরা নিজেরাই আক্রান্ত। পাকিস্তান আক্রমন করেছে আমাদের। আমি কথা দিচ্ছি তোমাদের নেতা শেখ মুজিবকে আমরা ফিরিয়ে আনবো। আবার তোমাদের সঙ্গে কথা হবে মেরা ভাই আওর বহিন&#8230;’</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">৩ ডিসেম্বর ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো আক্রান্ত হবার পর। এই খবরে সেদিন মুক্তিযোদ্ধা, মুজিবনগর সরকার, সাধারণ শরণার্থী, কোলকাতাবাসীর মাঝে উত্তেজনা আশা ভরসা খুশির মিলিত এক স্রোত বয়ে গিয়েছিল। এতদিন কেবল সবার মুখে এক কথা- ভারত কেন যুদ্ধ ঘোষণা করছে না&#8230;কবে দেশে ফিরবো&#8230; ভারত কেন কিছু করছে না&#8230;</p>



<p class="wp-block-paragraph">তারপর ডিসেম্বরের বাকী দিনগুলো কেবলই বিজয়ের সংবাদ। ১৬ ডিসেম্বর রেডিওতে ভারতীয় সেনা প্রধানের ঘোষণা বাজছিল, আত্মসমর্পন করতে। ভারতীয় বিমান ঢাকার আকাশে উড়ছিল। শুধু বেছে বেছে পাকিস্তানী সৈন্য ঘাঁটিতে বোমা হামলা করছিল। জনতা ছাদে উঠে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে যেন ভারতীয় বায়ুসেনাকেই ধন্যবাদ জানাচ্ছিল। বিমান থেকে উর্দুতে আত্মসমর্পনের লিফলেট ছড়ানো হচ্ছিল। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালকে জেনেভা কনভেশনের আওতায় নিরাপদ স্থান ঘোষণা করা হয়েছিল। সেখানে পাকিস্তানী সৈন্যরা জীবন বাঁচাতে আশ্রয় নিয়েছিল। আত্মসমর্পনের খবর যখন রেডিওতে ঘোষিত হলো তখন ঢাকাবাসী সবাই ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। আজ থেকে তারা স্বাধীন, মুক্ত&#8230;। সেই থেকে ডিসেম্বর মাসটা আমাদের বিজয়ের মাস।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>ঠিক একই কারণে এই ডিসেম্বর মাস আসলেই পরাজিত স্বাধীনতা বিরোধীদের কেবলই অস্বস্তি বিরক্তি বিকৃতি’র লক্ষণ দেখা দেয়। এই মাস এলেই এদের মানসিক স্বাস্থ্য শোচনীয় হতে থাকে। যে করেই হোক বাংলাদেশের বিজয়কে বিতর্তিক করাই তখন তাদের লক্ষ্য। আপনার আশেপাশে এরকম ছুপা বিকৃতকারীদের এই ডিসম্বরে চিনে নিন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/kolkatar-bamponthi-gujob-1971-muktijuddho/">কোলকাতার বামপন্থীরা সেসময় গুজব রটিয়ে স্বাধীনতাকামীদের মন ভেঙে দিচ্ছিল</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/kolkatar-bamponthi-gujob-1971-muktijuddho/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৭ নভেম্বর বিএনপির জন্য ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’,  আওয়ামী লীগের জন্য ‘মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’</title>
		<link>https://nenews.news/7november-biplob-dibos-bnp-ziaur-rahman/</link>
					<comments>https://nenews.news/7november-biplob-dibos-bnp-ziaur-rahman/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 07 Nov 2025 14:09:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[৭ নভেম্বর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জিয়াউর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লব ও সংহতি দিবস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=7435</guid>

					<description><![CDATA[<p>জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদ মোশাররফের ক্যারিয়ার নিয়ে জেলাসি ছিল। সেনাবাহিনীর আরেকটা বড় সমস্যা ছিল পাকিস্তান ফেরত অ-মুক্তিযোদ্ধা অফিসাররা।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/7november-biplob-dibos-bnp-ziaur-rahman/">৭ নভেম্বর বিএনপির জন্য ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’,  আওয়ামী লীগের জন্য ‘মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। এই দিনকে বুঝতে হলে একটু পিছিয়ে এসে আগস্ট মাসে আসতে হবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সকালবেলা সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ ও উপসেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান একজন জুনিয়র <a></a>সেনা অফিসার ডালিমের (বখাস্ত) পিছু পিছু রেডিও স্টেশনে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রেসেডেন্টকে হত্যার খবর দেশবাসীকে জানাতে! পুরো একটা জাতিকে হাইকোর্ট দেখানোর এমন নজির পৃথিবীর আর কোন সেনাবাহিনীর ইতিহাসে নেই! পুরো একটা সেনাবাহিনী খুবই জুনিয়র ও গুটিকয়েক অফিসারের ভয়ে জিন্মি হয়েছিল এটা বিশ্বাস করতে হবে আমাদের? আমাদের জানতে হবে যে জেনারেল ওসমানী সাহেব বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীত্ব চেয়ে পাননি বলে তিনি গোস্বা করেছিলেন। ওসমানী পরে খন্দকার মোস্তাকের কাছ থেকে ‘নিরাপত্তা উপদেষ্টা’ মন্ত্রী পদমর্যাদার পদটি উপহার পান।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের খুনি ডালিম ফারুক এরা সবাই ৪৬ বিগ্রেডের অধীনে ছিল যার প্রধান ছিলেন কর্ণেল শাফায়াত জামিল। বিস্ময়কর যে তিনি এই খুনি চক্রকে গ্রেফতার করেননি! কেন? কারণ তিনি ভয় পাচ্ছিলেন! এই কয়জন জুনিয়রকে ভয়? আসলে তা নয়। সেনাবাহিনী তখন সাবেক পাকিস্তান আদর্শে দীক্ষিত অফিসার ও বাম ঘরানার অফিসারদের বলয় মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, সোভিয়েত-ভারত ঘেঁষা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এক সুরে কথা বলতে থাকে। এর প্রমাণ হচ্ছে জিয়া ও তাহের দুই মেরুর লোক ছিলেন। তাহের বাম, জিয়া প্রো-পাকিস্তান মাইন্ডের মডারেট ভার্সন। জিয়ার সঙ্গে খালেদ মোশাররফের ক্যারিয়ার নিয়ে জেলাসি ছিল। সেনাবাহিনীর আরেকটা বড় সমস্যা ছিল পাকিস্তান ফেরত অ-মুক্তিযোদ্ধা অফিসাররা। মেজর রশিদ ও মেজর ফারুক কেউ-ই মুক্তিযুদ্ধ করেনি। রশিদ ১৯৭১ সালে নভেম্বর মাসে ও ফারুক ১২ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যখন বুঝতে পারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সময়ের ব্যাপার মাত্র। ফারুক যুদ্ধের পুরোটা সময় ছুটিতে মধ্যাপাচ্যে ছিলো। যখন দেখলো পাকিস্তানের পরাজয় সময়ের ব্যাপার তখনই ১২ ডিসেম্বর যশোরে মেজর মঞ্জুরের অধিনে এসে যোগ দেয়। মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন স্বাধীনতার পর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল হিসেবে সেনাবাহিনীর কারা মুক্তিযোদ্ধা তার স্বীকৃতির দায়িত্বে ছিলেন। মেজর মইনুল ফারুককে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেননি নানা দিক থেকে আসা চাপ সত্ত্বেও।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিস্ময়কর যে সেনাবাহিনীর দন্ড বিধির আইনে ৩১ ধারা অনুযায়ী ১৫ আগস্টের খুনিদের তখনই গ্রেফতার করে কোর্টমার্শাল করার কথা। এই আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড! এমনকি বেসমারিক কেউও যদি এই ষড়যন্ত্রে যোগ দিয়ে থাকে তাকেও কোর্টমার্শালে বিচার করার কথা বলা আছে। কিন্তু খুনিরা সবাই সেনাসদরে ও বঙ্গভবনে অবাধে ঘুরে বেড়াতে লাগলো।</p>



<p class="wp-block-paragraph">খন্দকার মোস্তাকের নিয়োগে জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হলেন। শফিউল্লাহকে ন্যস্ত করো হলো পরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রদুত করার জন্য। পাকিস্তান ফেরত অমুক্তিযোদ্ধা জেনারেল এরশাদকে কয়েক ধাপ পদন্নতি দিয়ে একলাফে উপসেনাপ্রধান করা হলো। মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় জার্মানিতে ছুটি কাটানো এবং মুক্তিযুদ্ধে যোগদানে অনিহা প্রকাশকারী তোয়াবকে বিমানবাহিনীর প্রধান করা হলো। বিস্ময়কর যে এইসব নিয়োগ দেয়া হচ্ছিল ডালিম ফারুক রশিদদের পরামর্শে! ফারুক বঙ্গভবনের একটা কালো মার্সিডিজে করে ঘুরে বেড়াতো। তাদের ক্ষমতার উত্স কোথায় এটা ভেবে সেনাবাহিনীর সত অফিসাররা বিস্মত হয়ে যেতো। সেপ্টেম্বর মাসে মোস্তাক ১৫ আগস্টের খুনিদের কোন রকম বিচার করা যাবে না বলে ইনডেমিনিটি অধ্যাদেশ জারি করে যা জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে টিকিয়ে রাখে। এখানে বলে রাখা ভালো যে রক্ষীবাহিনীকে নিয়ে বিএনপি আওয়ামী লীগকে অভিযুক্ত করে অথচ জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হয়েই নির্দেশ দেন দ্রুত রক্ষীবাহিনীকে সেনাবাহিনীতে আত্মিকরণ করা হোক।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জিয়া মুজিব হত্যাকারীদের কোন রকম আয়ত্ব করার চেষ্টাই করেননি। তিনি ডালিম ফারুকদের পছন্দনীয় ছিলেন। ওদিকে জেনারেল ওসমানীর পছন্দ ছিল খালেদ মোশাররফ। কিন্তু মোস্তাক জিয়াকেই বেছে নেন সেনাপ্রধান হিসেবে। জিয়া ও খালেদ পরস্পরকে ঘৃণা করতেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">খন্দকার মোস্তাক সরকারের জন্য সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসারদের সমর্থন একান্ত দরকার ছিল। মোস্তাক মূলত ডালিম রশিদদের বিদেশী প্রভুদের উপর নির্ভর ছিলো। ফলে বঙ্গভবনে এক চা চক্রে সিনিয়র অফিসারদের মোস্তাক নিমন্ত্রণ জানায় তাদের মনোভাব জানতে। শাফায়াত জামিল এই চা চক্রে যোগ দিতে ভয় পাচ্ছিল। তার ধারণা ছিল এর মাধ্যমে মোস্তাক তাদেরকে গ্রেফতার অথবা হত্যা করতে পারে। মুক্তিযোদ্ধা অফিসাররা সেদিন একটা মেরুদ্বন্ড দেখানোর মত ঐতিহাসিক কাজ করেছিলেন জাতির জন্য। সিনিয়র অফিসাররা সেনা প্রধান জিয়াকে জানান বঙ্গভবনে যদি ডালিম ফারুক রশিদ এই চা চক্রে যোগ দেয় তাহলে তারা কেউ যাবেন না। জিয়া তাদের এই মতামত ওসমানীকে জানাতে বলেন। ওসমানী প্রেসিডেন্ট মোস্তাককে এই কথা জানানোর পর সিদ্ধান্ত হয় খুনিচক্র সেখানে উপস্থিত থাকবে না। এই ঘটনার পরই মোস্তাক আসলে তার পায়ের নিচের মাটি সরে যেতে দেখতে পায়। মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন লিখেছেন, তার দীর্ঘ সেনা জীবনে এমন থমথমে অস্বস্তিকর চা চক্র দেখেননি। কারোর সঙ্গে কেউ কথা বলেনি। অল্প সময়ের পরই কোন আলোচনা ছাড়াই সে চা পান অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সেদিনই ডালিম রশিদ ফারুকদের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায়। সেনাবাহিনীর এই অস্থিরতা নিরসনে ব্যর্থতার জন্য শাফায়াত জামিল ও খালেদ মোশাররফ জিয়াকে দায়ী করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। এই রকম সময়েই চলে এলো ৩ নভেম্বর। বেগম খালেদা জিয়া একরাতে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মেজর জেনারেল মইনুল হোসেনকে ফোন দিয়ে বলেন, ভাই, জিয়াকে বেডরুম থেকে ধরে এনে ড্রয়িংরুমে এনে আটকে রেখেছে&#8230;।</p>



<p class="wp-block-paragraph">খালেদ মোশাররফ ও শাফায়াত জামিল মোস্তাক সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটায়। এতে সেনাপ্রধান জিয়া বন্দী হন। মনোযোগী পাঠক খেয়াল করবেন, দেশে কিন্তু তখন কোন রাজনীতি নেই। যা খেলার সব সেনাবাহিনী খেলছে। খালেদ-জামিল অভ্যুত্থান সফল হলে পরবর্তী ইতিহাস কেমন হতো সেটা অন্য আলাপ। কিন্তু তারা অভ্যুত্থান না ঘটালে মুস্তাক সরকার নিয়ে বাংলাদেশ এক অনিশ্চিত গন্তব্যে এগিয়ে যেতো। কিন্তু তখনো সেনা অভ্যন্তরে অন্য খেলোয়াড়রা বসেছিল। এরা জাসদ। এরাই তুমুল ভারত বিরোধী বামপন্থী যারা খালেদ মোশাররফ ভারতের এজেন্ট হিসেবে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে বলে সেনা সদস্যদের ক্ষেপিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল। ইতিহাস বলে বামেরা চিরকাল ইসলামী মাইন্ডের জন্য প্রেক্ষাপট তৈরি করে দিয়ে নিজেদের চরম পরিণতি ডেকে আনে। এখানেও কর্ণেল তাহেরের কপালে সেটাই ঘটেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">খালেদ-জামিল বঙ্গভবনে ডালিম ফারুক মোস্তাকদের বিনা শর্তে আত্মসমর্পেনের বার্তা দিয়ে পাঠায়। ওসমানি সাহেব খালেদ মোশাররফকে ফোন করে বলেন, কোন মতেই যেন কোন রক্তপাত না ঘটে তাহলে দেশের সমূহ ক্ষতি হয়ে যাবে। খালেদ মোশাররফ ওসমানী সাহেবকে অনুরোধ করেন তিনি যেন ডালিমদের বিনা শর্তে আত্মসমর্পনের আহ্বান জানান। অপরদিকে জিয়ার কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠানো হয় সই করে দেয়ার জন্য এবং জিয়া কথা মত সেটাই করে দেন। ডালিম ফারুক রশিদদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় তারা দেশ ছেড়ে কোন একটা দেশের উদ্দেশে চলে যাবে। ৩ নভেম্বর অভ্যত্থানের পর মোস্তাক ডালিম ফারুক এরা নিশ্চিত হয় খালেদ মোশাররফ হয়ত জেলে থাকা নজরুল ইসলাম তাজউদ্দিনদের মুক্তি দিয়ে নতুন সরকার গঠনের ব্যবস্থা নিবে। এই কারণে অতি গোপনে জেলখানায় এই চার জাতীয় নেতাদের ব্রাশ ফায়ার করে মারা হয়। ৩০ ঘন্টা পর্যন্ত এই খবর গোপন রাখা হয়। অভ্যুত্থানকারীরা কিছুই জানতে পারেনি। রাতে ডালিম ফারুকরা দেশত্যাগের পরই এই নিউজ প্রকাশ করা হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">খালেদ মোশাররফ জিয়াকে সরিয়ে সেনাপ্রধান হন। খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের পরই প্রকাশ্যে ঢাকায় আওয়ামী লীগ প্রথম মিছিল করে অভ্যত্থানকে সমর্থন করে। এই মিছিলে খালেদ মোশাররফের মা নিজে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ যে চিরকাল দুটি ভাগে বিভক্ত সেটি স্পষ্ট একটি উদাহরণ এখানে আছে। বাংলাদেশের মানুষ নির্দিলীয়ভাবেও প্রচন্ড রকমের হিন্দু ও ভারত বিরোধী। দ্বিজাতিতত্ত্বের মাধ্যমে যাদের রাজনৈতিক উত্থান, ওহাবী ও ফারাজি যাদের ইতিহাস তাদেরকে খালেদ মোশাররফ ভারতের হয়ে অভ্যুত্থান করেছে রটিয়ে উত্তেজিত করা খুব সহজ। ফলে খালেদ মোশাররফকে কোণঠাসা করে ফেলা সহজ হয়েছিল। একাধিক সেনা অফিসার তাদের জবানে বলেছেন, এই অভ্যুত্থানে ভারত বা আওয়ামী লীগের কোন সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু বামপন্থীরা এটি খুব সফলভাবে রটাতে সক্ষম হয়। স্বাধীনতা বিরোধীরা এই রটনা গোটা দেশে সফলভাবে ছড়িয়ে দিতে পেরেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">খন্দকার মোস্তাক জাতীয় চার নেতা হত্যার জন্য সন্দেহাতীতভাবে দায়ী। তাকে রাষ্ট্রপতি রাখার প্রশ্নই আসে না। খালেদ মোশাররফ বিচারপতি সায়েমকে প্রেসিডেন্ট পদ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করলে তিনি সম্মতি জানান। ৬ নভেম্বর সায়েম শপথ নেন। খালেদ মোশাররফের ভুল ছিল তিনি ৭২ ঘন্টা পার হয়ে যাবার পরও জাতির উদ্দেশ্যে কোন ভাষণ দেননি। এতে গুজব রটতে সুবিধা পায়। তিনি অনেক বিষয়ে দ্বিধান্বিত ছিলেন। ব্যক্তিত্বের প্রখরতা দেখাতে পারেননি। ফলে তিনি আসলে কেবল তার নিজের নয়, বাংলাদেশের ইতিহাসই অন্যভাবে লেখার জন্য একের পর এক ভুল করে যাচ্ছিলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">৩ থেকে ৬ নভেম্বর আসলে দেশে কোন সরকারই ছিল না! এটা খালেদ মোশাররফের ব্যর্থতা। এই সময়ে সেনানিবাসে লিফলেট বিলি করা হয় ‘বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা’ নামে। এটা ছিল জাসদের কাজ। তারা হুজব রটাতো। ভারত দেশ দখল করে ফেলেছে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">খালেদ মোশাররফের সিদ্ধান্তহীনতার সুযোগে তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে এবং জিয়াকে অভ্যুত্থানকারী মুক্ত করে এনে তার নামে জিন্দাবাদ জানাতে থাকে। জিয়া মুক্ত হয়ে বাসায় বসেছিলেন। তখন কর্ণেল তাহের তাকে রেডিও স্টেশনে গিয়ে কিছু বলার জন্য অনুরোধ জানায়। কিন্তু অন্যরা জিয়াকে রেডিওতে যেতে নিষেধ করে। কর্ণেল আমিনুল নামের একজনের সঙ্গে তখন তাহেরের তুমুল ঝগড়া লেগে যায়। আমিনুল কর্ণেল তাহেরকে ‘ভারতের বি-টিম’ বলে অভিযুক্ত করে! এটাই ট্রাজিডি যে যারা খালেদ মোশাররফকে ভারতের এজেন্ট বলে প্রচার করেছে তারাই ভারতের দালাল বলে আখ্যা পেলো!</p>



<p class="wp-block-paragraph">এই অভ্যুত্থান ছিল একটি রক্তাক্ত ইতিহাস। খালেদ মোশাররফ ও কর্ণেল হায়দারকে ১০ বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভেতরে হত্যা করা হয়। সেদিন থেকে মূলত জিয়াউর রহমানই দেশ পরিচালনা করছিলেন। বিচারপতি সায়েম ছিলেন ছায়া। কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসি দেয়া হয়। মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের যারা খালেদ মোশাররফপন্থী বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী তাদেরকে সামরিক আদালতে প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। ৭ নভেম্বর সেই রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের ইতিহাস&#8230;।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আজকে ৭ নভেম্বর বিএনপি ও এন্টি-আওয়ামী লীগের জন্য ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ও আওয়ামী লীগের কাছে ‘মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’। ঐতিহাসিক এই দিনটিতে আসলে কি ঘটেছিল সবটা মূল্যায়ন করলে এই দিনটি আসলে সামরিক বাহিনীর এই দেশের রাজনীতি ভোট গণতন্ত্রের উপর সামরিক উর্দি পরিয়ে দেয়ার দিন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/7november-biplob-dibos-bnp-ziaur-rahman/">৭ নভেম্বর বিএনপির জন্য ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’,  আওয়ামী লীগের জন্য ‘মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/7november-biplob-dibos-bnp-ziaur-rahman/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সুদানে মানবিক বিপর্যয়: বৈশ্বিক নীরবতার কারণ কী</title>
		<link>https://nenews.news/sudane-manobik-biporjoy-gonohatya/</link>
					<comments>https://nenews.news/sudane-manobik-biporjoy-gonohatya/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 12:40:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[নীরবতা]]></category>
		<category><![CDATA[বিপর্যয়]]></category>
		<category><![CDATA[বৈশ্বিক]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[সুদান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=7298</guid>

					<description><![CDATA[<p>সুদানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে দুটি মুসলিম দেশের মদদে। দেড় লাখ সুদানিকে মেরে ফেলা হয়েছে। দেড় কোটি সুদানি বাস্তুচ্যুত। </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/sudane-manobik-biporjoy-gonohatya/">সুদানে মানবিক বিপর্যয়: বৈশ্বিক নীরবতার কারণ কী</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটা অপ্রিয় সত্য বলে ফেলেছে। তারা বলেছে, সুদান বিষয়ে বৈশ্বিক আগ্রহ খুব কম! অ্যামনেস্টি ইন্টান্যাশনালও বিস্ময় নিয়ে বলেছে, সুদান নিয়ে বিশ্বের আগ্রহ কম! অথচ দেড় লাখ সুদানিকে মেরে ফেলা হয়েছে! দেড় কোটি সুদানি বাস্তুচ্যুত। এটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট বলছে জাতিসংঘ।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এত বড় মানবিক বিপর্যয়, কিন্তু কবিরা কবিতা লিখছে না, গায়ক গান গাইছে না, কলামিস্ট কলাম লিখছে না- কারণ বাজার নেই! সুদানের সবাই মুসলমান, এই সংঘাত নিয়ে তাই কারো আগ্রহ নেই। সুদানে ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তার বাইরে। অথচ দুইদিন আগেও গাজায় খাদ্য নেই বলে আহাজারী করা লোকগুলো এখন পুটুতে আঙ্গুল দিয়ে বসে আছে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিশ্ব বামাতী বুদ্ধিজীবীদের কারো সুদান নিয়ে আগ্রহ নেই। আরব আমিরাতের প্রিন্স ও মিসর সুদানের গণহত্যার দুই পক্ষকে মদদ দিচ্ছে। কিন্তু নেতানিয়াহুকে নিয়ে গালি দিলে বাজার চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই আমিরাতের বাদশাহকে কেউ কসাই বলবে না! কেউ আমিরাতের পতাকায় আগুন দেবে না!</p>



<p class="wp-block-paragraph">সুদানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে দুটি মুসলিম দেশের মদদে। তাই অরুন্ধতী বা অভিনেতা প্রকাশ রাজ এসব নিয়ে কোনো কথা বলবেন না। রাস্তায় রাস্তায় নিরীহ সুদানিদের মেরে ফেলে রাখা হয়েছে, অ-আরব মুসলমানদের ওপর জাতিগত নিধন ঘটছে, কিন্তু সেসব ছবি-ভিডিও’র বাজার খুবই খারাপ! ছবি ও ভিডিওগুলো জমা করে রাখা হয়েছে, ভবিষ্যতে রোহিঙ্গা বা গাজায় গণহত্যার বলে চালিয়ে দেয়া যাবে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়াতে বিগত দশকে যে পরিমাণ মন্দির ও গির্জা ইসলামিক মিলিশিয়া গ্রুপগুলো ধ্বংস করেছে, তার বাজার ছিল খুবই নিষ্প্রভ। কিন্তু ভারতের পরিত্যক্ত বাবরী মসজিদ, যেটিতে তখন কেউ নামাজ পড়ত না- সেটিকে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা ভাঙতে গেলে বিশ্ব বাজারে এমন শোরগোল ওঠে যে আজও ভারতকে বিশ্ব বাঁকা চোখে দেখে। অথচ সম্প্রতি হাইয়া সোফিয়া গির্জাকে মসজিদ বানিয়ে ফেলার ঘটনায় বিশ্ব লিবারেল ও বামাতী সম্প্রদায় শীতঘুমের আগে হাই তোলার কাজে ব্যস্ত ছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশের গণসংগীতের কিং ফকির আলমগীরকে দেখেছি ফিলিস্তিন নিয়ে গান গাইত, মেন্ডেলাকে নিয়ে গান বানাতো, কিন্তু কোনোদিন নিজ দেশের পাহাড়ে অন্যায়-অবিচার নিয়ে গান বানায়নি! নিজ দেশের সংখ্যালঘু নিপীড়ন নিয়ে গান বানায়নি। কারণ গানের বাজার দর আছে। সব বিষয় নিয়ে গান বানালে বাজার খাবে না!</p>



<p class="wp-block-paragraph">নিরীহ সুদানিদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছু করার নেই। পৃথিবীতে মুসলমানরা একটি সেনাবাহিনীর অধীনে উম্মাহ চেতনায় বিশ্বাস করে। তার ওপর তাদের আরব বিশ্বে আছে তেল ও সোনার খনি। আরব শেখদের কারণেই মুসলমান ইস্যুতে বৈশ্বিক হাইপ ওঠে বেশি। ফলে মুসলিমফোবিয়া, ইসলাম বিদ্বেষ, ফিলিস্তিনি, রোহিঙ্গা নিয়ে লেকচার দিলে বাজার ধরা যায়। কিন্তু দুটি মুসলমান যখন কাটাকাটি খেলে, তখন বাজার পড়ে যায়! সুদানের পড়ে গেছে!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/sudane-manobik-biporjoy-gonohatya/">সুদানে মানবিক বিপর্যয়: বৈশ্বিক নীরবতার কারণ কী</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/sudane-manobik-biporjoy-gonohatya/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পার্বত্য চট্টগ্রাম কি বাংলাদেশের বাইরে! আদিবাসী কারা আর সেটেলার কারা?</title>
		<link>https://nenews.news/parbotto-chottogram-adibasi-settler/</link>
					<comments>https://nenews.news/parbotto-chottogram-adibasi-settler/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 23:02:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[পার্বত্য চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সেটেলার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=6273</guid>

					<description><![CDATA[<p>সরকারি ব্যবস্থাপনায় অন্য জায়গার সেটেলার এনে এখানে আবাসন করে দেয়া হয়। তাদের জন্ম হার দ্রুতই পাহাড়ের আদিবাসীদের সংখ্যালঘুতে পরিণত করে়।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/parbotto-chottogram-adibasi-settler/">পার্বত্য চট্টগ্রাম কি বাংলাদেশের বাইরে! আদিবাসী কারা আর সেটেলার কারা?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>পার্বত্য চট্টগ্রাম কি বাংলাদেশের বাইরে! সেখানে খালি চাকমা মারমাই থাকবে? আমাদের কোন অধিকার নেই? কেউ কোনদিন বলেছে সেখানে চাকমা মারমারা ছাড়া আর কেউ থাকতে পারবে না? তাহলে সেখানে আমাদেরকে সেটেলার বলা হয় কেন? স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যে কোন জায়গায় বাস করতে পারি খালি পাহাড়ে গেলেই কেন সমস্যা হয়?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">-পাহাড়ে গিয়ে জমি কিনে তারপর বাস করো, কে মানা করছে? ধরো তোমার বাড়ি ফরিদপুর বা টাঙ্গাইল। তো তোমাদের গ্রামে সরকার চাকমা মারমাদের ঢুকিয়ে দিলো। তাদের ঘরবাড়ি বানিয়ে দিল। সরকারীভাবে তাদের গুচ্ছ গ্রাম করে দিলো। তোমাদের জমি তোমরা এভাবে তাদের দিতে দিবে? কিন্তু কোন চাকমা যদি নিজের টাকায় সেখানে জমি কিনে বাস করে তাহলে তোমাদের কি কোন আপত্তি আছে? পাহাড়ে বাংলাদেশের কয়েকটা বহুজাতিক কোম্পানি জমি কিনে হলুদ, রাবার, চাষ করে। কেউ কি তাদের বাধা দিয়েছে?</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>তাই নাকি! আমি তো জানতাম সেখানে আমরা জমি কিনতে পারবো না!</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">-সমতলের প্রায় সবাই এটাই জানে। আসলে তাদের এসবই বিকৃত করে জানানো হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>তাহলে সেটেলার কারা?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">-জিয়াউর রহমান নদী ভাঙন মানুষ, ভূমিহীন মুসলমানদের পরিকল্পিতভাবে এই তিন পার্বত্য জেলায় এনে বসতি করে দেয়। ১৯৭৯ সালে শুরু হয় এই কার্যক্রম। এর উদ্দেশ্য ছিল পাহাড়ে মুসলমান আধিপত্য বিস্তার করা। চাকমা মারমা ত্রিপুরা ম্রো লুসাই পাংখোয়া তঞ্চঙ্গ্যা&#8230; এই জাতিদের সাংস্কৃতিক ও জাতিগত আধিপত্যকে সংখ্যালঘু করে দিয়ে মুসলমান আধিপত্য প্রতিষ্ঠাই ছিল উদ্দেশ্য। ট্রাকে ভরে ভরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এইসব সেটেলারদের এনে পাহাড়িদের জমিতে তাদের জন্য ঘর তুলে দেয়া হয়। সরকার প্রতি পরিবারকে ২ থেকে ৫ একর জমি, টিনের ঘর, এক বছরের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করে। পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীরা ছিল সংখ্যাগুরু। সরকার এত বেশি সেটেলার এনে এখানে আবাসন করে দেয় ও তাদের জন্ম হার এত বেশি যে, দ্রুতই পাহাড়ের আদিবাসীরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয় এবং তারা তাদের জমি হারায়। মুসলিম আধিপত্য এখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশের মারাত্মক অবণতি ঘটায়। পরিস্থিতি কতখানি খারাপ হয় সেটি বুঝা যায় যখন পাহাড়িরা শান্তিবাহিনী গঠন করতে বাধ্য হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>তাহলে পাহাড়িরা বাঙালি মাত্রই তাদের বিরোধীতা করে না?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">-আগে থেকে যারা সেখানে বাস করে, যাদের নিজেদের কেনা জমি, তাদের নিয়ে তো কোন প্রশ্ন নেই। পাহাড়ে সেটেলার হচ্ছে অবৈধ বসতি। সমস্যা হচ্ছে স্থানীয় বাঙালি (মুসলমান) তারাও এই সেটেলারদের সমর্থন করে। আসলে এখানে তো মুসলিম আধিপত্য বাস্তবায়নই উদ্দেশ্য। বাংলাদেশে এই পাহাড়ই ছিল অমুসলিম অবাঙালি সংখ্যাগুরু এলাকা। সেটিকে যেভাবেই হোক মুসলমান বানাতেই হবে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" width="1024" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Rituporna-BD-Football-1024x1024.png" alt="বাংলাদেশের নারী ফুটবল তারকা ঋতুপর্ণা চাকমা হাত দিয়ে হার্ট শেইপ করে বাংলাদেশের পতাকা লক্ষ করাচ্ছেন" class="wp-image-3311" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Rituporna-BD-Football-1024x1024.png 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Rituporna-BD-Football-300x300.png 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Rituporna-BD-Football-150x150.png 150w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Rituporna-BD-Football-768x768.png 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Rituporna-BD-Football-1536x1536.png 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Rituporna-BD-Football-2048x2048.png 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের তারকা ঋতুপর্ণা চাকমা</em></figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph"><strong>শুনেছি সেখানে বাঙালি হিন্দু ও বড়ুয়া বাঙালি বৌদ্ধরাও সেটেলারদের হয়ে পাহাড়ীদের সঙ্গে লাগে?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">-পাহাড় যদি কোনদিন চাকমা মানমা ত্রিপুরা ম্রো লুসাই পাংখোয়া তঞ্চঙ্গ্যা&#8230; শূন্য হয়ে যায় তখন এই হিন্দু বাঙালি আর বৌদ্ধ বাঙালিদের পরিণতি হবে সমতলের হিন্দু বৌদ্ধদের মত। আসলে এমন চোদনা সম্প্রদায় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই! দেশভাগের সময় যোগেন মন্ডল হিন্দুদের সহিত থাকার চাইতে মুসলমান ভাইদের সহি থাকাই অধিক মর্যাদার বলে তার সম্প্রদায়ের লোকজনকে পাকিস্তানে রাখলো। শেষে তিনি এদের একা ফেলে কোলকাতা পালান মুসলমানদের হাতে মারা পড়ার ভয়ে। মুসলিম লীগের তাড়া খেয়ে দেশভাগের সময় যারা পশ্চিমবঙ্গ ত্রিপুরা আসামে উদ্বাস্তু হলো এদের ইতিহাসে মুসলিম লীগ শব্দটি পর্যন্ত নেই! ঋত্বিক ঘটকের সিনেমায় কোথাও মুসলিম লীগের নির্মমতার ইতিহাস নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদী নিপীড়ন সাহিত্যে সিনেমায় উঠে এলো কিন্তু পূর্ববঙ্গের হিন্দুরা কোথাও স্থান পেলো না। এদের শিক্ষা কোনদিন হবে না। এই পাহাড়ে এরা ঠিক যোগেন মন্ডলের মত ক্যারেক্টার প্লে করলে তাদের পরিণিত যোগেন মন্ডলের মতই হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>পাহাড়ের সমাধান তাহলে কি?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">-পাহাড়ে অবৈধ সেটেলার বসতি বন্ধ করতে হবে। সেনা ক্যাম্প উঠিয়ে দিতে হবে। পাহাড়ে আদিবাসীদের ভাষা সংস্কৃতি শিক্ষা প্রাধান্য দিতে হবে। ঋতুপর্ণা চাকমা বাংলাদেশের ফুটবল দলের খেলোয়াড় না? তার অন্যান্য বাঙালি টিমমেটদের জেলায় এভাবে সেনা ক্যাম্প আছে? সেখানে তাদের জেরা করা হয়? সন্দেহ করা হয়? ঋতুপর্ণা কি বাংলাদেশের পতাকার ছাপওয়ালা জার্সি গায়ে খেলে না? তাকে স্বাধীন নাগরিক মর্যাদা দাও। এটাই সমাধান। যদি না দাও, তাহলে ভবিষ্যতের যে কোন কিছুর জন্য দায় তোমাদের!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/parbotto-chottogram-adibasi-settler/">পার্বত্য চট্টগ্রাম কি বাংলাদেশের বাইরে! আদিবাসী কারা আর সেটেলার কারা?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/parbotto-chottogram-adibasi-settler/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পাহাড়িদের স্বাধীন নাগরিকের মর্যাদা দাও</title>
		<link>https://nenews.news/pahari-nagorik-morzada/</link>
					<comments>https://nenews.news/pahari-nagorik-morzada/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 13:26:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক]]></category>
		<category><![CDATA[পাহাড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[মর্যাদা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাধীন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=6275</guid>

					<description><![CDATA[<p>পাহাড়ে অবৈধ সেটেলার বসতি বন্ধ করতে হবে। সেনা ক্যাম্প উঠিয়ে দিতে হবে। পাহাড়ে আদিবাসীদের ভাষা, সংস্কৃতি, শিক্ষায় প্রাধান্য দিতে হবে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/pahari-nagorik-morzada/">পাহাড়িদের স্বাধীন নাগরিকের মর্যাদা দাও</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph">পার্বত্য চট্টগ্রাম কি বাংলাদেশের বাইরে? সেখানে খালি চাকমা-মারমাই থাকবে? আমাদের কোনো অধিকার নেই?</p>



<p class="wp-block-paragraph">কেউ কোনোদিন বলেছে সেখানে চাকমা-মারমারা ছাড়া আর কেউ থাকতে পারবে না?</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাহলে সেখানে আমাদেরকে সেটেলার বলা হয় কেন? স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা যেকোনো জায়গায় বাস করতে পারি। খালি পাহাড়ে গেলেই কেন সমস্যা হয়?</p>



<p class="wp-block-paragraph">পাহাড়ে গিয়ে জমি কিনে তারপর বাস করো, কে মানা করছে? ধরো তোমার বাড়ি ফরিদপুর বা টাঙ্গাইল। তো তোমাদের গ্রামে সরকার চাকমা-মারমাদের ঢুকিয়ে দিল। তাদের ঘরবাড়ি বানিয়ে দিল। সরকারিভাবে তাদের গুচ্ছ গ্রাম করে দিল। তোমাদের জমি তোমরা এভাবে তাদের দিতে দেবে? কিন্তু কোনো চাকমা যদি নিজের টাকায় সেখানে জমি কিনে বাস করে, তাহলে তোমাদের কি কোনো আপত্তি আছে? পাহাড়ে বাংলাদেশের কয়েকটা বহুজাতিক কোম্পানি জমি কিনে হলুদ, রাবার, চাষ করে। কেউ কি তাদের বাধা দিয়েছে?</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাই নাকি! আমি তো জানতাম সেখানে আমরা জমি কিনতে পারবো না!</p>



<p class="wp-block-paragraph">সমতলের প্রায় সবাই এটাই জানে। আসলে তাদের এসবই বিকৃত করে জানানো হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাহলে সেটেলার কারা?</p>



<p class="wp-block-paragraph">জিয়াউর রহমান নদী ভাঙন মানুষ, ভূমিহীন মুসলমানদের পরিকল্পিতভাবে এই তিন পার্বত্য জেলায় এনে বসতি করে দেয়। ১৯৭৯ সালে শুরু হয় এই কার্যক্রম। এর উদ্দেশ্য ছিল পাহাড়ে মুসলমান আধিপত্য বিস্তার করা। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, লুসাই, পাংখোয়া, তঞ্চঙ্গ্যা… এই জাতিদের সাংস্কৃতিক ও জাতিগত আধিপত্যকে সংখ্যালঘু করে দিয়ে মুসলমান আধিপত্য প্রতিষ্ঠাই ছিল উদ্দেশ্য। ট্রাকে ভরে ভরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এইসব সেটেলারদের এনে পাহাড়িদের জমিতে তাদের জন্য ঘর তুলে দেয়া হয়। সরকার প্রতি পরিবারকে ২ থেকে ৫ একর জমি, টিনের ঘর, এক বছরের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ছিল আদিবাসীরা সংখ্যাগুরু। সরকার এত বেশি সেটেলার এনে এখানে আবাসন করে দেয় ও তাদের অধিক জন্মহারে দ্রুত পাহাড়ে আদিবাসীরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়ে যায়। তারা তাদের জমি হারায়। মুসলিম আধিপত্য এখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশের মারাত্মক অবনতি ঘটায়। পরিস্থিতি কতখানি খারাপ হয় সেটি বুঝা যায় যখন পাহাড়িরা শান্তিবাহিনী গঠন করতে বাধ্য হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাহলে পাহাড়িরা বাঙালি মাত্রই তাদের বিরোধিতা করে না?</p>



<p class="wp-block-paragraph">আগে থেকে যারা সেখানে বাস করে, যাদের নিজেদের কেনা জমি, তাদের নিয়ে তো কোনো প্রশ্ন নেই। পাহাড়ে সেটেলার হচ্ছে অবৈধ বসতি। সমস্যা হচ্ছে স্থানীয় বাঙালি (মুসলমান) তারাও এই সেটেলারদের সমর্থন করে। আসলে এখানে তো মুসলিম আধিপত্য বাস্তবায়নই উদ্দেশ্য। বাংলাদেশে এই পাহাড়ই ছিল অমুসলিম অবাঙালি সংখ্যাগুরু এলাকা। সেটিকে যেভাবেই হোক মুসলমান বানাতেই হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">শুনেছি সেখানে বাঙালি হিন্দু ও বড়ুয়া বাঙালি বৌদ্ধরাও সেটেলারদের হয়ে পাহাড়িদের সঙ্গে লাগে?</p>



<p class="wp-block-paragraph">পাহাড় যদি কোনোদিন চাকমা, মানমা, ত্রিপুরা, ম্রো, লুসাই, পাংখোয়া, তঞ্চঙ্গ্যা… শূন্য হয়ে যায় তখন এই হিন্দু বাঙালি আর বৌদ্ধ বাঙালিদের পরিণতি হবে সমতলের হিন্দু-বৌদ্ধদের মতো। আসলে এমন চোদনা সম্প্রদায় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই! দেশভাগের সময় যোগেন মন্ডল হিন্দুদের সহিত থাকার চাইতে মুসলমান ভাইদের সহি থাকাই অধিক মর্যাদার বলে তার সম্প্রদায়ের লোকজনকে পাকিস্তানে রাখলো। শেষে তিনি এদের একা ফেলে কলকাতা পালান মুসলমানদের হাতে মারা পড়ার ভয়ে। মুসলিম লীগের তাড়া খেয়ে দেশভাগের সময় যারা পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসামে উদ্বাস্তু হলো, এদের ইতিহাসে মুসলিম লীগ শব্দটি পর্যন্ত নেই! ঋত্বিক ঘটকের সিনেমায় কোথাও মুসলিম লীগের নির্মমতার ইতিহাস নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদী নিপীড়ন সাহিত্যে-সিনেমায় উঠে এলো, কিন্তু পূর্ববঙ্গের হিন্দুরা কোথাও স্থান পেল না। এদের শিক্ষা কোনোদিন হবে না। এই পাহাড়ে এরা ঠিক যোগেন মন্ডলের মত ক্যারেক্টার প্লে করলে তাদের পরিণিত যোগেন মন্ডলের মতোই হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পাহাড়ের সমাধান তাহলে কী?</p>



<p class="wp-block-paragraph">পাহাড়ে অবৈধ সেটেলার বসতি বন্ধ করতে হবে। সেনা ক্যাম্প উঠিয়ে দিতে হবে। পাহাড়ে আদিবাসীদের ভাষা, সংস্কৃতি, শিক্ষায় প্রাধান্য দিতে হবে। ঋতুপর্ণা চাকমা বাংলাদেশের ফুটবল দলের খেলোয়াড় না? তার অন্যান্য বাঙালি টিমমেটদের জেলায় এভাবে সেনা ক্যাম্প আছে? সেখানে তাদের জেরা করা হয়? সন্দেহ করা হয়? ঋতুপর্ণা কি বাংলাদেশের পতাকার ছাপওয়ালা জার্সি গায়ে খেলে না? তাকে স্বাধীন নাগরিক মর্যাদা দাও। এটাই সমাধান। যদি না দাও, তাহলে ভবিষ্যতের যেকোনো কিছুর জন্য দায় তোমাদের!</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/pahari-nagorik-morzada/">পাহাড়িদের স্বাধীন নাগরিকের মর্যাদা দাও</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/pahari-nagorik-morzada/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জেনারেল ওসমানীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি: মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর কাছে খোলা চিঠি</title>
		<link>https://nenews.news/osmani-attosomorpone-anuposthiti-faruqi/</link>
					<comments>https://nenews.news/osmani-attosomorpone-anuposthiti-faruqi/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Sep 2025 13:31:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[আত্মসমর্পণ]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[জেনারেল ওসমানী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মোস্তফা সরয়ার ফারুকী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=5393</guid>

					<description><![CDATA[<p>জনাব ফারুকী, জিয়াউর রহমান বা ওসমানী কেউ মাঠে গিয়ে যুদ্ধ করেন নাই, ওসমানী সাহেব কি জবাব দিয়েছিলেন সেটা সরাসরি তুলে ধরছি। একটু পড়ে দেখবেন</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/osmani-attosomorpone-anuposthiti-faruqi/">জেনারেল ওসমানীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি: মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর কাছে খোলা চিঠি</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph">জনাব ফারুকী সাহেব, আপনি সংস্কৃতি উপদেষ্টা, মন্ত্রী পদমর্যাদার কেউ আমাদের দেশে লেখাপড়া জানা লোক হয় না তেমন একটা। দুই একটা বেতিক্রম ছাড়া। মানে একাডেমি অর্থে বুঝাই নাই, তাদের ইতিহাস দর্শন সাহিত্য সম্পর্কে জ্ঞান নিয়ে আমার ধারণা ভালো না। তবে সংস্কৃতি জগতের লোকজনের এইসব লেখাপড়া জানা খুব জরুরী। কারণ তারা ভুলভাল ইতিহাস জানলে জনসাধারণের ক্ষতি। মাস ছয়েক আগেও আপনি সেই কাজটি করেছিলেন, আমাদের ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিলেন, তখনো আমি সেটা নিয়ে লিখেছিলাম। তবু দেখলাম আপনি সেই একই কাজ করে যাচ্ছেন এবং <strong>জাতির স্বীকৃত ইতিহাস নিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করছেন</strong>। ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে কমেন্ট সেকশন বন্ধ বন্ধ করে রাখলে আপনাকে সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানানো সম্ভবপর নয়। তাই এই খোলা চিঠি লিখতে হলো। আশা করি উদার মন নিয়ে আপনি চিঠিটা (যদি আপনার শুভাকাঙ্খি কেউ পড়ায়) গ্রহণ করবেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আপনি জেনারেল ওসামানীকে সম্মান জানাতে গিয়ে কিছু কথা বলেছেন আপনার ফেইসবুক পোস্টে। আপনি এদেশের বুদ্ধিজীবীদের খোঁচা দিয়ে বলেছেন, <strong>এদেশের ইন্টেলিজেন্সিয়া জিয়া ও ওসমানী সাহেবকে সেলিব্রেট করেন না</strong>। তারপর বলেছেন, যারা মাঠে যুদ্ধটা করলো, যুদ্ধের ঘোষণা দিলো তাদেরকে আমাদের ইতিহাসের পাতা থেকে দূরে অথবা কম আলোকিত করে রাখা হয়েছে। আপনার এই কথায় খুবই হাস্যকর একটা ইঙ্গিত দেখতে পাওয়া যায়। “<strong>যারা মাঠে যুদ্ধ করলো</strong>” এই খোঁচাটা কি শেখ মুজিব, তাজউদ্দীনদের ঘিরে দিলেন? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কি স্টালিন, রুজভেল্ট, চার্চিল নিজেরা মাঠে গিয়ে যুদ্ধটা করেছিলেন? আপনি এখনো মধ্যযুগের রাজাদের যুদ্ধের ময়দানে গিয়ে যুদ্ধ করা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি? <strong>আধুনিককালের যুদ্ধে নেতারা যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তারা কেউ অস্ত্র চালাতেই জানেন না</strong>। আর মাঠে গিয়ে যদি যুদ্ধের কথাই বলেন, জনাব ফারুকী, <strong>জিয়াউর রহমান বা ওসমানী কেউ মাঠে গিয়ে যুদ্ধ করেন নাই!</strong> কোন সেক্টর কমান্ডারই মাঠে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেন নাই! ফলে সম্মুখ যুদ্ধে বীরত্বের পদক দেয়ার সময় জিয়াউর রহমানসহ সেক্টর কমান্ডারদের বীর উত্তম দেয়ায় খোদ সেনাবাহিনী থেকেই আপত্তি এসেছিল যে, যারা সম্মুখ যুদ্ধে কোন বীরত্ব দেখান নাই তাদের কেন বীর উত্তম দেওয়া হলো? সেক্টর কামান্ডাররা কেবল যুদ্ধ ট্রেনিং ও যুদ্ধের অপারেশনের পরিকল্পনা করেছিলেন ভারতের মাটিতে বসে। সেই যুদ্ধ পরিকল্পনাটাও হয়েছিল ভারতীয় বাহিনীর নেতৃত্বে! মুক্তিযুদ্ধ থেকে ভারতে কি করে আলাদা করবেন, বলুন?</p>



<p class="wp-block-paragraph">আর হ্যাঁ, জিয়াউর রহমান বলেন বা ওসমানী, তারা সকলেই মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী ছিলেন! যুদ্ধের ঘোষণা দেয়ার, স্বাধীনতার ডাক দেয়ার কোন রাইট তাদের নাই। তারা কোনদিন সে দাবী করেনও নাই। যুদ্ধটা হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকারের পরিচালনায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জনাব ফারুকী, এরপর আপনি ভয়ংকর একটা বিতর্ক তুলেছেন যা এদেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্ত করবে। ঘটনা সত্যি হলে আমার কোন আপত্তি ছিল না। কিন্তু আপনি একদমই জামাত শিবিরের প্রোপাগন্ডা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আছেন। আপনি ফেইসবুকে লিখেছেন, ‘আমাদের ইতিহাসের ওই ক্রিটিক্যাল প্রশ্নগুলো অ্যাড্রেস করা হয়নাই যে, <strong>যুদ্ধ চলাকালীন ওসমানীর বক্তব্য কী ছিল</strong>। ওনার কি কোনো বিষয়ে ভিন্নমত ছিল? <strong>১৬ ডিসেম্বর তিনি কেন হাজির ছিলেন না?</strong> মুক্তিবাহিনী অথবা মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ না করে কেন ভারতীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করানো হলো? সময় এসেছে এ রকম সব প্রশ্ন তোলার। শুধু প্রশ্নই না, এই বিষয়ে ইতিহাসের সত&#x200d;্যগুলোও নির্মোহভাবে তুলে ধরার।’</p>



<p class="wp-block-paragraph">জনাব ফারুকী, ওসমানী সাহেব বেঁচে থাকলে আপনাকে আজকে আরেকটা ধমক দিতেন কারণ এই বিতর্ক মুজিবনগর সরকারের কারোর কারোর মুখে উঠলে তিনি সেদিন ধমকে উঠেছিলেন। সেদিন আপনার মতই যাদের এইসব প্রশ্ন মাথায় এসেছিল <strong>ওসমানী সাহেব তাদের কি জবাব দিয়েছিলেন </strong>সেটা সরাসরি তুলে ধরছি। একটু পড়ে দেখবেন-</p>



<p class="wp-block-paragraph">মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সরকারের মুক্তিবাহিনীর সদরদফতরের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছিলেন নজরুল ইসলাম। তিনি তার বই “একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা&#8221;-তে লিখেছেন, <strong>“পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্ব শেষ হওয়ার দুদিন পর জেনারেল ওসমানী বিক্ষুব্ধ-উত্তপ্ত মুজিবনগর সরকারের সদর দফতরে ফিরে আসেন। ঢাকায় পাকিস্তানি সৈন্যদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষোভ ও বিভ্রান্তির সৃষ্টির হয়, যা মুজিবনগর সরকারের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের এই অতিগুরুত্বপূর্ণ সময়ে মুজিবনগরে জেনারেল ওসমানীর অনুপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা সরকারের নেতারাও তার ওপরে কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলা সরকারের সদর দফতরে পা রেখে জেনারেল ওসমানী উত্তাপ কিছুটা টের পেয়েছিলেন।”</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>“&#8230; জেনারেল ওসমানীর এডিসি সবিস্তারে জেনারেল সাহেবের অনুপস্থিতিতে তাকে ঘিরে কে কী মন্তব্য করেছেন, সব কথা তাকে রিপোর্ট করেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও অবহিত হওয়ার জন্য জেনারেল সাহেব আমাকে তার কক্ষে ডাকেন। খুব ধীরস্থির হয়ে বসে জেনারেল ওসমানীকে জানালাম, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আপনার অনুপস্থিতি নিয়ে এখানে রাজনৈতিক মহলে বিরূপ সমালোচনা হয়েছে।”</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>“জেনারেল ওসমানী কিছুটা কর্কশ কণ্ঠে বললেন, ‘দেখুন, আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনও চেতনা এখনও জন্ম হয়নি। আমাকে নিয়ে রিউমার ছড়ানোর সুযোগটা কোথায়? কোনও সুযোগ নেই। তার অনেক কারণ রয়েছে। নাম্বার ওয়ান- পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করবে, আমি জানতাম না। আমি কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাদের আত্মসমর্পণের প্রস্তাব এসেছে।”</strong></p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" width="1024" height="534" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Pakistan-surrenders-on-16-December-1971-1024x534.jpg" alt="" class="wp-image-5394" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Pakistan-surrenders-on-16-December-1971-1024x534.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Pakistan-surrenders-on-16-December-1971-300x156.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Pakistan-surrenders-on-16-December-1971-768x400.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Pakistan-surrenders-on-16-December-1971.jpg 1280w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী (মাঝে) ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করছেন।</em></figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">নজরুল ইসলাম এরপর লিখেন ওসমানী সাহেবের আত্মসমর্পনের অনুষ্ঠানে যাবার কোন সুযোগ ছিল না আর্মি প্রটোকল হিসেবে। জেনারেল ওসমানী তাকে বলেন, <strong>“নাম্বার টু- ঢাকায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ, এই সশস্ত্র যুদ্ধ ভারত-বাংলাদেশের যৌথ কমান্ডের অধীনে হলেও যুদ্ধের অপারেটিং পার্টের পুরো কমান্ডে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল শ্যাম মানেকশ। সত্যি কথা আমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনও নিয়মিত সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানও নই। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারে না। কারণ, বাংলাদেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী কোনও দেশ নয়। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে আমার যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো। সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশের সমান। সেখানে জেনারেল মানেকশের অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়, এটা প্রটোকলের ব্যাপার।&#8230;প্রটোকল সম্পর্কে আমাদের লোকদের কোনও ধারণা নেই, তাই এত ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি। লোকজনকে বুঝিয়ে বলুন।”</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এই কথোপকথনের সময় সিলেটের আওয়ামী লীগের নেতা <strong>দেওয়ান ফরিদ গাজী </strong>ওসমানীর ঘরে ঢুকে বলেন, “পিআরও (নজরুল ইসলাম) সাহেব ঠিকই কইছুন। মানুষ চায় পাকিস্তানি সৈন্যরা মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করুক।” জবাবে বিরক্ত হয়ে ওসমানী বলেন, <strong>“তোমরা লোকজনকে অন্ধকারে রেখেছো। দুনিয়ার রীতিনীতি সম্পর্কে মানুষকে কিছু জানতে দাও। যুদ্ধ-বিগ্রহ, জয়-পরাজয়, আত্মসমর্পণ সম্পর্কে জেনেভা কনভেনশনের আন্তর্জাতিক নীতিমালা আছে। জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো যুদ্ধ-বিগ্রহ, জয়-পরাজয়, আত্মসমর্পণ ইত্যাদির ব্যাপারে এ নীতিমালা মানতে বাধ্য। আমরা মানে বাংলাদেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নই। এই কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে রাজি হবে না। কারণ, তাদের (পাক বাহিনী) ধারণা, আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলে আমরা তাদের সঙ্গে জেনেভা কনভেনশনে বর্নিত নীতিমালা অনুযায়ী আচরণ করবো না। যেহেতু আমরা জেনেভা কনভেনশনের আওতায় পড়ি না, তাই জেনেভা কনভেনশনের নীতিমালা মানতে আমরা বাধ্যও নই। আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা তাদের হত্যা করে ফেলবে। কিন্তু জেনেভা কনভেশন অনুযায়ী পরাজিত আত্মসমর্পণকারী সৈন্যদের হত্যা করা বা কোনও রূপ নির্যাতন করা যায় না। তাদের নিরাপত্তায় আইনি প্রটেকশন দিতে হয়। সামরিক রীতিনীতি অনুযায়ী তাদের সঙ্গে আচরণ করতে হয়। উন্নত খাবার, নানান সুযোগ-সুবিধা দিতে হয়। বন্দিকালীন সময়ে নিরস্ত্র অবস্থায় এক্সারসাইজ, খেলাধুলা ইত্যাদির সুযোগ-সুবিধা দিতে হয়। কিন্তু আমরা তো এখনও ভারতের মাটিতেই রয়ে গেছি। বাংলাদেশই তো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমাদের সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কোনও নিয়মিত সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী নেই। এমনকি পুলিশ বাহিনীও নেই। এ অবস্থায় ৯০ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলে, আমরা তাদের রাখবো কোথায়? তাদের প্রটেকশন দেবো কিভাবে? ৯০ হাজার সৈন্যকে তিন বেলা উন্নত খাবার দেবো কোথা থেকে। দেশে গিয়ে তো আমরাই খাবার পাবো না।”</strong> <em>(একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা, নজরুল ইসলাম, পৃষ্ঠা ২৪২-২৪৬)</em>।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জনাব ফারুকী, আমাদের নাটক সিনেমা জগতের লোকজনের অন্তত নিজেদের দেশের ইতিহাসটা ভালো মত পড়া থাকা দরকার। একটা কালচারাল অশিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ যদি দেশের সংস্কৃতি জগতের কল্কে পায় সেটি জাতির জন্য ভালো নয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ভারত ছিনতাই করে নিয়েছিল, তারা ক্রেডিট নিয়ে নিয়েছে এসব বলে বিভ্রান্ত করা যাবে কিছু সময়ের জন্য, কারণ মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম যতটুকু ইতিহাস লিখে গেছে সেটাই যথেষ্ঠ মিথ্যাকে পরাজিত করতে। ধন্যবাদ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সুষুপ্ত পাঠক</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/osmani-attosomorpone-anuposthiti-faruqi/">জেনারেল ওসমানীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি: মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর কাছে খোলা চিঠি</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/osmani-attosomorpone-anuposthiti-faruqi/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লাশের সংখ্যা গোপনের রাজনীতির পূর্বাপর</title>
		<link>https://nenews.news/lasher-songkha-goponer-rajnitir-purbapor/</link>
					<comments>https://nenews.news/lasher-songkha-goponer-rajnitir-purbapor/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Susupto Pathok]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Jul 2025 13:46:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[মাইলস্টোন]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[লাশের]]></category>
		<category><![CDATA[সংখ্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=4023</guid>

					<description><![CDATA[<p>হতাহত বেশি হলে পাবলিকের সশস্ত্রবাহিনীর ওপর ক্ষোভ, অশ্রদ্ধা, বিদ্রোহ বেড়ে যাবে। জনগণ যদি আর তাদের ভয় না পায়, তাহলে তাদের জন্য এটা সমস্যা। </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/lasher-songkha-goponer-rajnitir-purbapor/">লাশের সংখ্যা গোপনের রাজনীতির পূর্বাপর</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>লাশের সংখ্যা গোপন করলে সরকারের কোনো লাভ আছে? না নেই, তবে সমস্যা আছে! হতাহত বেশি হলে পাবলিকের সশস্ত্রবাহিনীর ওপর ক্ষোভ, অশ্রদ্ধা, বিদ্রোহ বেড়ে যাবে। জনগণ যদি আর তাদের ভয় না পায়, তাহলে তাদের জন্য এটা সমস্যা। সরকার তো এটা হতে দেবে না।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এই যে আয়নাঘর নিয়ে হাসিনা একা অপবাদ ভোগ করছেন। অথচ এই আয়নাঘর চালাতো সেনাবাহিনী। তারা হয়ে গেল ৫ আগস্টের পর ছাত্র-জনতার সঙ্গে সহযোদ্ধা! মেগা প্রকল্পের সবগুলোর সঙ্গে তারা জড়িত ছিল। কেউ তাদের দিকে আঙুল তোলে?</p>



<p class="wp-block-paragraph">দু&#8217;দুটো প্রেসিডেন্টকে হত্যা করে, জেলের ভেতর জাতীয় নেতাদের হত্যা করে তারাই জিয়ার নেতৃত্বে হয়ে গেল সিপাহী জনতা নামে কী হ্যানত্যান যেন! একবেলা ভাত খেতো সাধারণ সৈনিকরা। হাসিনা করে দিল তিনবেলা ভাত। এখন তারাই জুজু দেখায় হাসিনা চলে আসবে ঐক্য ধরে না রাখলে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">গতকাল প্রধান উপদেষ্টা চার দলের সঙ্গে বসেছিলেন মিটিং করতে। কিসমিস নাকি কাঠ বাদাম খেতে খেতে হাসছিলেন মহাজন। তারপর বললেন, এইসব গ্যাঞ্জামে যদি ফাঁক দিয়ে হাসিনা চলে আসে তাহলে সবার গলায় দড়ি পড়বে…। ব্যস, জাতীয় ঐক্য হয়ে গেল! গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে বিএনপি-এনসিপি মিলে আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার ঘোষণা দিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মাঝখান দিয়ে যাদের ভুলে, অসতর্কতায়, পাবলিক প্লেসে বিমান প্রশিক্ষণ করে এতগুলো বাচ্চা মেরে ফেলল, নিহত সেই পাইলট পেল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অর্নার!</p>



<p class="wp-block-paragraph">আজকে যারা মানুষের ক্ষোভের শেষ দেখিয়ে ছাড়ছে, তাদের পরিণতি ভয়াবহ হবে সত্যি। কিন্তু দেশপ্রেমিকদের জন্য বরাদ্দ বাড়তেই থাকবে!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/lasher-songkha-goponer-rajnitir-purbapor/">লাশের সংখ্যা গোপনের রাজনীতির পূর্বাপর</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/lasher-songkha-goponer-rajnitir-purbapor/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
