<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো, Author at NE NEWS</title>
	<atom:link href="https://nenews.news/author/muktijuddhergolpo/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link></link>
	<description>people&#039;s agenda</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Dec 2025 16:44:05 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	

<image>
	<url>https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/06/cropped-NE-NEWS-LOGO-scaled-1-32x32.png</url>
	<title>মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো, Author at NE NEWS</title>
	<link></link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>তারামন বিবি: রণাঙ্গনের দুর্ধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা</title>
		<link>https://nenews.news/muktijoddha-taramon-bibi/</link>
					<comments>https://nenews.news/muktijoddha-taramon-bibi/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 16:43:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=8563</guid>

					<description><![CDATA[<p>পুরুষ সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্মুখসমরে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন তারামন বিবি। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/muktijoddha-taramon-bibi/">তারামন বিবি: রণাঙ্গনের দুর্ধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>মুক্তিযুদ্ধে যে দুইজন নারী মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক খেতাব পেয়েছিলেন তার মধ্যে তারামন বিবি অন্যতম। দুর্ধর্ষ এই মুক্তিযোদ্ধা একদিকে যেমন রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, তেমনি গুপ্তচর হয়ে হানাদারদের ক্যাম্পের গোপন খবর পৌঁছেছেন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু। জন্মেছিলেন কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরের শংকর মাধবপুর গ্রামে ১৯৫৭ সালের কোনো এক দিনে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। তারাবানু হঠাৎ দেখলেন দলে দলে ট্রাকে ট্রাকে সৈন্য নামছে। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে দেশে।<br>মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের গ্রামটি পড়েছিল ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে। তখন ১১ নম্বর সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের।<br>একদিন মুহিব হাবিলদার নামে স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধা তারাবানুদের বাড়িতে এসে বললেন তাদের কাজের বেশ ঝামেলা, সব পুরুষ মুক্তিযোদ্ধা। তারাবানু যদি ক্যাম্পে রান্না-বান্না, ধোয়া-মোছা করে দেন তবে বিনিময়ে তাকে কিছু টাকা দেবেন ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধারা। শুনে রাজি হলেন না তারাবানুর মা। মুহিব হাবিলদার দেখলেন বহু বোঝানোর পরেও কিছুতেই টলছেন না তারাবানুর মা। তাই মুহিব হাবিলদার তারাবানুর মাকে বললেন, &#8216;ও আমার ধর্ম মেয়ে, আমি তো ওর বাবার মতোই। সব দায়িত্ব আমার। আপনার মেয়ে ভালো থাকবে।&#8217; অবশেষে গ্রামের পাশে দশঘরিয়ায় মুক্তিবাহিনীর সেই ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্ব নিতে মেয়েকে ছাড়তে রাজি হলেন তারাবানুর মা। মুহিব হাবিলদারই তার নামের শেষে যুক্ত করেন তারামন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে তারামন রান্নার পাশাপাশি, ধোয়া-মোছা ও মাঝে মাঝে অস্ত্র সাফ করতেন। মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে তিনিই ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। একবার মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে তাকে অস্ত্র নিয়ে নাড়াচাড়া করতে দেখে মুহিব হাবিলদার খানিকটা অবাক হলেন। তারামনের যুদ্ধের প্রতি আগ্রহ দেখে তাকে অস্ত্র চালানো শেখান তিনি। বয়সে ছোট হওয়ায় তারামনকে স্টেনগান চালানো শেখালেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">একবার সম্মুখ যুদ্ধের ঘটনা। মধ্যদুপুরে সবাই খেতে বসেছে তখন, কেবল তারাবানু খেয়ে-দেয়ে চারপাশে নজর রাখছেন। সুপারি গাছের উপরে উঠে দৃষ্টি রাখছেন। হঠাৎ দেখলেন পাকিস্তানিদের একটি গানবোট দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে জানালেন কমান্ডারকে। সবার খাওয়া চলছে তখন। খাওয়া ছেড়ে সবাই নিজ নিজ অবস্থান নিয়ে নিলেন মুহূর্তের মধ্যেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত সম্মুখযুদ্ধ চলে। তারাবানু না দেখলে মুক্তিযোদ্ধারা সেদিন মাটির সঙ্গে মিশে যেতেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সম্মুখযুদ্ধ ছাড়াও তারাবানু গুপ্তচর সেজে পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে ঢুকে তথ্য নিয়ে আসতেন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। তারাবানু দারুণ অভিনয় করতে পারতেন চোখের পলকেই। কখনো পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে ঢুকেছেন মাথায় চুলে জট লাগানো পাগলের বেশে, কখনো সারা শরীরে কাদা লাগিয়ে, আবার কখনো পঙ্গুর অভিনয় করে পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে ঢুকতেন। শুনতেন নানা গোপন তথ্য। ক্যাম্পের সবাই মনে করতো পাগল নয়তো মাথায় ছিটগ্রস্ত। বিভিন্ন অপারেশনের আগে কলার ভেলায় করে তারামন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পের রসদ, অস্ত্র, গোলাবারুদ পৌঁছে দিয়েছেন জায়গামতো।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তেমনই এক ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের অক্টোবর মাসের। একপাশে খালিয়াভাঙ্গা, অন্যপাশে ভেড়ামারি খাল। এক পাশের গ্রামে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প, অন্য গ্রামে পাকিস্তানিদের। মধ্যে একটা খাল পড়েছে। সারা শরীরে কাদা মেখে আর পাগলের বেশ ধরে সেবার পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে গিয়েছিলেন তারামন। সামনে তখন হানাদার বাহিনীর সদস্যরা। তারামনের সারা গায়ে কাদা, মাথায় চুলের জট, কাপড় ছেঁড়া, হাত-পা যেন অনেকখানি বিকলাঙ্গ। তারামনকে দেখে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা অশ্লীলভাবে গালি দিচ্ছিল, জবাবে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করছিলেন তারামন। এদিকে আর্মির সদস্যরা ভাবলো পাগলের কত রকমফের। নিজেদের মধ্যে হাসি-ঠাট্টায় লিপ্ত হলো তারা। এই ফাঁকে তারামন পাগলের বেশে মোটামুটি রেকি করে নিলেন ক্যাম্পের সমস্ত জায়গা। কোন পাশে হামলা করলে সবচেয়ে ভয়ংকর হবে পাকিস্তানিদের জন্য, কোন পয়েন্ট দিয়ে হামলা করতে হবে- এসব মাথায় নিয়ে ফিরে গেলেন। পাকিস্তানিদের ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সাঁতরে খাল পেরিয়ে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে এলেন। মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডারকে সব বললেন খোলাখুলিভাবে। তার নির্ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নদীর অপর পাড়ে পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে আক্রমণ হলো পরদিনই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কেবল এই দুটো অপারেশনই নয়। মোহনগঞ্জ, তারাবর কোদালকাটি, গাইবান্ধার ফুলছড়ির বহু বিখ্যাত যুদ্ধে পুরুষ সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্মুখসমরে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন তারামন বিবি। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে। কিন্তু এ খবরও জানতে পারেননি তারামন। একসময় পুরোপুরি লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন। ১৯৯৫ সালে তার খোঁজ মিলে ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজের অধ্যাপক গবেষক বিমল কান্তি দে&#8217;র মাধ্যমে। তাকে সহযোগিতা করেছিলেন তারামন বিবির জন্মস্থান কুড়িগ্রামের রাজীবপুরের কলেজের অধ্যাপক আবদুস সবুর ফারুকী। মূলত মুক্তিযুদ্ধের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর কাজ করতে গিয়ে দেখলেন তারামন বিবিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে অধ্যাপক আবদুর সবুর ফারুকী ও সোলায়মান আলীর মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায় তাকে।<br>এমনকি বিয়ের পর তারামন বিবির স্বামী আব্দুল মজিদও জানতেন না যে তার স্ত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, &#8216;হ্যায় যে মুক্তিযোদ্ধা, হেইটা বিয়ের পরও বুঝি নাই। লেহাপড়া নাই। চর্যার মধ্যে বাড়ি। পেটের ভাত জোগাড় করতেই দিন চইলা যাইত, হ্যাই খবর কেমনে নিমু?&#8217; তারা তাকে জানতেন তারাবানু। তাদের বাড়িতে তারামন বিবির খোঁজে গিয়ে খোঁজ নেয়া অধ্যাপকেরাই কাগজপত্র দেখিয়ে বলেছিলেন– এই তারাবানুই হচ্ছে তারামন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাকে খুঁজে পাওয়ার খবরটি ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম পাতায় ছাপা হয়েছিল। ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তারামন বিবির হাতে তুলে দেন বীর প্রতীক সম্মাননা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সবাইকে ছেড়ে যান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক। বিজয়ের মাসে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি এই কিংবদন্তী মুক্তিযোদ্ধাকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong><em>তথ্যসূত্র: নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক– তাজুল মোহাম্মদ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও নারী মুক্তিযোদ্ধা (প্রথম খণ্ড)– মেহেরুননেসা মেরী, রণাঙ্গনের দুর্ধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক– দ্যা ডেইলি স্টার, ১ ডিসেম্বর ২০২১</em></strong></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/muktijoddha-taramon-bibi/">তারামন বিবি: রণাঙ্গনের দুর্ধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/muktijoddha-taramon-bibi/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সপ্তম নৌবহরের আবির্ভাব, সঙ্গে আছে পারমাণবিক বোমা।</title>
		<link>https://nenews.news/markin-soptom-noubohor-songey-achey-paromanobik-boma/</link>
					<comments>https://nenews.news/markin-soptom-noubohor-songey-achey-paromanobik-boma/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনো]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 12:16:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মার্কিন নৌবহর]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=2603</guid>

					<description><![CDATA[<p>১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সপ্তম নৌবহরের আটটি জাহাজ অবশেষে বঙ্গোপোসাগরে এসে উপস্থিত। বহরে আছে ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ; ৭৫টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান F-4 Phantom II বহন করে আসছিল। সঙ্গে আছে পারমাণবিক বোমা। শুরুতে পূর্ব পাকিস্তানে আটকে পরা ১৯৪ নাগরিক কে উদ্ধারের কথা বললেও সময়ের সাথে সাথে মার্কিনীরা খোলস খুলে বেড়োয়। &#8220;রক্তপাতের সম্ভাবনা&#8221; দেখা দেওয়ায় এখন তারা পাকিস্তানী সৈন্য ও...</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/markin-soptom-noubohor-songey-achey-paromanobik-boma/">সপ্তম নৌবহরের আবির্ভাব, সঙ্গে আছে পারমাণবিক বোমা।</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph">১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১</p>



<p class="wp-block-paragraph"><a></a>সপ্তম নৌবহরের আটটি জাহাজ অবশেষে বঙ্গোপোসাগরে এসে উপস্থিত। বহরে আছে ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ; ৭৫টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান F-4 Phantom II বহন করে আসছিল। সঙ্গে আছে পারমাণবিক বোমা। শুরুতে পূর্ব পাকিস্তানে আটকে পরা ১৯৪ নাগরিক কে উদ্ধারের কথা বললেও সময়ের সাথে সাথে মার্কিনীরা খোলস খুলে বেড়োয়। &#8220;রক্তপাতের সম্ভাবনা&#8221; দেখা দেওয়ায় এখন তারা পাকিস্তানী সৈন্য ও বেসামরিক নাগরিকদেরও উদ্ধার করতে চায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">দোরগোড়ায় সপ্তম নৌবহরের আবির্ভাবে পাকিস্তান খানিকটা স্বস্তি পায়। তাদের ধারণা – মার্কিনীদের উপস্থিতি দেখে মিত্রবাহিনী বোধহয় ভড়কে যাবে। পরমাণু বোমার ভয়ে, কিংবা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ না আবার বেঁধে বসে সেই আশঙ্কা থেকে হলেও ভারত হয়ত নমনীয় হবে। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া নিয়াজীকে &#8220;প্রয়োজন হলে&#8221; যুদ্ধবিরতির কথা বিবেচনা করতে বলে। নিয়াজী সেই মতে আশায় বুক বেঁধে ভারত বাহিনী-প্রধান মানেকশ কে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব দেয়। &#8220;ভারত আত্মসমর্পণে বাধ্য না করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে আপাতত কোথাও সটকে পরার সুযোগ দিক, পরে সুস্থির মত তারা পূর্ব পাকিস্তান ছেড়ে পশ্চিম পাকিস্তানে পাড়ি জমাবে&#8221; – মানেকশ&#8217;র কাছে আবদার জুড়ে বসে নিয়াজী।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ঢাকা প্রবেশের সব পথ ইতোমধ্যে মিত্রবাহিনীর দখলে। নরসিংদী থেকে শীতলক্ষ্যা নদী পার হয়ে ঢাকায় আসছে মুক্তিবাহিনী। মিত্রবাহিনীর মানসিংয়ের নেতৃত্বে আরেক দল সাভারের নবীনগর হয়ে ঢাকায় ঢুকছে। মুক্তিবাহিনীর বিজয় চোখের সামনে। এমন সময় কীসের যুদ্ধবিরতি? মার্কিনীরা পাকিস্তানের হয়ে লড়বে? চীন তার সৈন্য দিয়ে ভারতের সীমান্তে আক্রমণ করবে?</p>



<p class="wp-block-paragraph">আসুক মার্কিনীরা, আসুক চীনারা! মা ভৈঃ!</p>



<p class="wp-block-paragraph">জেনারেল মানেকশ স্পষ্ট বলে দিলেন – নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া আর কোন কথাই শোনা হবে না। মিত্রবাহিনীর পক্ষ হতে সদিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৫টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকার ওপর বিমান হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন তিনি। এর মধ্যে পাকিস্তানকে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতি নিতে হবে। নাহলে ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টার পর প্রবল আক্রমণ শুরু হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সংহার মূর্তিতে দুয়ারে দাঁড়িয়ে মুক্তিবাহিনী। আত্মসমর্পণ না করলে পাকিস্তান বাহিনীর ধ্বংস ছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই। নিয়াজীর প্রস্তাবে মানেকশ&#8217;র প্রত্যুত্তরঃ</p>



<p class="wp-block-paragraph">&#8216;&#8230;পাকিস্তানি বাহিনী নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করবে কি না, তা জানানোর জন্য বিশেষ বেতার কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং কোড নম্বর দেওয়া হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টার মধ্যে শর্তহীন আত্মসমর্পণ না করা হলে ফের বিমান হামলা শুরু হবে। ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করলে জেনেভা কনভেনশনের পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হবে&#8230;&#8217;</p>



<p class="wp-block-paragraph">তথ্যসূত্রঃ<br>বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র<br>​​যুগান্তর (১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)<br>&#8216;৭১ এর দশ মাস – রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদী</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/markin-soptom-noubohor-songey-achey-paromanobik-boma/">সপ্তম নৌবহরের আবির্ভাব, সঙ্গে আছে পারমাণবিক বোমা।</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/markin-soptom-noubohor-songey-achey-paromanobik-boma/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
