<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>A R Khan Asad, Author at NE NEWS</title>
	<atom:link href="https://nenews.news/author/khan-asad/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link></link>
	<description>people&#039;s agenda</description>
	<lastBuildDate>Sun, 09 Nov 2025 14:17:35 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	

<image>
	<url>https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/06/cropped-NE-NEWS-LOGO-scaled-1-32x32.png</url>
	<title>A R Khan Asad, Author at NE NEWS</title>
	<link></link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>জামাত-শিবির তথা রাজাকার আলবদর পরিবারের রাজনীতির উত্থানের কারণ কী?</title>
		<link>https://nenews.news/jamat-shibir-rajakar-albadar-rajniti-utthan/</link>
					<comments>https://nenews.news/jamat-shibir-rajakar-albadar-rajniti-utthan/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[A R Khan Asad]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 14:17:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[জঙ্গিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[জামাত-শিবির]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মৌলবাদী]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=7514</guid>

					<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত বিরোধী জিহাদে 'ইসলামি' গোষ্ঠীগুলিকে কাজে লাগায়। শিবিরের কর্মীরা আফগান যুদ্ধে অংশ নেয়, ফিরে এসে চরমপন্থী সংগঠন গঠনে ভূমিকা রাখে </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/jamat-shibir-rajakar-albadar-rajniti-utthan/">জামাত-শিবির তথা রাজাকার আলবদর পরিবারের রাজনীতির উত্থানের কারণ কী?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামি ও এর ছাত্রসংগঠন শিবিরসহ সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী ও জঙ্গিবাদী সংগঠনের উত্থান কোনো একক কারণে হয়নি। এটি এক জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে আভ্যন্তরীণ (দেশীয়) ও আন্তর্জাতিক (বৈশ্বিক) — দুই ধরনের ফ্যাক্টরই ভূমিকা রেখেছে। তবে, প্রধান ভূমিকা রয়েছে বৈশ্বিক কুশীলবদের, ভু-রাজনীতির।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>(১) আভ্যন্তরীণ কারণগুলো হচ্ছে:</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৭১ <a></a>সালে স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিভাজন ও বুদ্ধিবৃত্তিক শূন্যতা (বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণে), এবং দেশ ছিল রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষিত মনে রাখতে হবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">১৯৭৫ সালের শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী সামরিক শাসনের (জিয়া ও এরশাদ আমল) সময় ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে ধর্মকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা হয়। এর ফলে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পুনরুত্থানের সুযোগ তৈরি হয়। শুরু হয় জামায়াতের বৈধতা ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা। জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বৈধ করেন। এর ফলে নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামী পুনর্গঠিত হয়ে সংগঠিতভাবে রাজনীতিতে ফিরে আসে। পরবর্তী সময়ে বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক জোটে অংশ নিয়ে তারা মূলধারার রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এরপর শুরু হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন দখল করা। ছাত্র শিবির বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সংগঠিতভাবে বিস্তার ঘটায়। মাদ্রাসা শিক্ষা বিস্তার ও পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণের অভাবও চরমপন্থী চিন্তার জন্ম দেয়। বিশেষ করে কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসার কিছু অংশ জামায়াতি চিন্তাধারার প্রভাবে পড়ে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রশ্নটি রাজনীতি থেকে আড়াল হয়ে যাওয়ায়, ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিলম্ব বা বন্ধ হয়ে যাওয়া দীর্ঘদিন সমাজে নৈতিক অস্পষ্টতা তৈরি করে। এতে জামায়াতসহ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিগুলি নিজেদের “বৈধ রাজনৈতিক শক্তি” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশে ক্রোনি পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটে, বিশ্বায়নের প্রভাবে। শুরু হয় নয়া উদারবাদী &#8216;অবকাঠামো নির্মাণ&#8217; উন্নয়ন, যা মানবিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নকে রুদ্ধ করে। এর ফলে তৈরি হয় অর্থনৈতিক অসন্তুষ্টি, বেকারত্ব ও সাংস্কৃতিক শূন্যতা।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যুবকদের মধ্যে হতাশা, সামাজিক বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের অভাব জঙ্গিবাদী মতাদর্শে আকৃষ্ট হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="683" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-1024x683.jpg" alt="ঢাকার গণভবন অভিমুখে বিক্ষোভকারীদের পদযাত্রায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের পতাকা এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উড়ছিল, সাথে ছিল সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ।" class="wp-image-4127" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-1024x683.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-300x200.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-768x512.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-1536x1024.jpg 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-600x400.jpg 600w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>ঢাকা, ৫ আগস্ট ২০২৪,  বিক্ষোভকারীদের পদযাত্রায় জঙ্গি সংগঠন আই,এস,আই-এর পতাকা, সাথে সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ। (সূত্র: গেটি ইমেজ)</em></figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph"><strong>(২) আন্তর্জাতিক কারণ; পুঁজিবাদী বিশ্বায়ন ও সাম্রাজ্যবাদী ভু-রাজনিতি</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ইসলামী মৌলবাদী জঙ্গিবাদের উত্থান সোভিয়েত সমাজতন্ত্র বিরোধী &#8216;ঠান্ডা যুদ্ধ&#8217; থেকে। ১৯৮০–এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তি সোভিয়েত বিরোধী আফগান জিহাদে &#8216;ইসলামি&#8217; গোষ্ঠীগুলিকে কাজে লাগায়। এতে বাংলাদেশ থেকে শিবিরের কর্মীরা আফগান যুদ্ধে অংশ নেয়, ফিরে এসে তারা চরমপন্থী সংগঠন গঠনে ভূমিকা রাখে (যেমন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী)।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিশ্বায়নের অভিঘাতে ব্যাপক শ্রমিক অভিবাসন ঘটে মধ্যপ্রাচ্যে। মার্কিন মদদে সৌদি আরবসহ কিছু মধ্যপ্রাচ্যের দেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাধ্যমে ওয়াহাবি ও সালাফি মতাদর্শ দেশে প্রবেশ করে। তৈরি হয় এনজিও, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, এবং এই সকল প্রতিষ্ঠা ও মসজিদ-মাদ্রাসায় অর্থায়নের মাধ্যমে ধর্মীয় র&#x200d;্যাডিকাল ভাবধারার বিস্তার ঘটে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ইউরোপ আমেরিকায় একধরনের &#8216;ইসলাম&#8217; ভীতি তৈরি হয় টুইন টাওয়ার হামলা ও সাম্রাজ্যবাদী &#8216;ওয়ার অন্ টেরর&#8217; এর অন্যায় যুদ্ধের ফলে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তা মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রসারে ভূমিকা রাখে। জঙ্গি সংগঠনগুলো এই ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে ধর্মীয় “জিহাদের” ডাক দেয়, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জামাত -শিবির আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে ওঠে। আল-কায়েদা ও পরবর্তীতে আইএস-এর অনলাইন প্রচারণা ও আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে (যেমন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, জেএমবি ইত্যাদি) শক্তিশালী করে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" width="1024" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/Jamat-Islami-and-USA-1024x1024.jpg" alt="" class="wp-image-7515" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/Jamat-Islami-and-USA-1024x1024.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/Jamat-Islami-and-USA-300x300.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/Jamat-Islami-and-USA-150x150.jpg 150w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/Jamat-Islami-and-USA-768x767.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/Jamat-Islami-and-USA-1536x1536.jpg 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/11/Jamat-Islami-and-USA.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p class="wp-block-paragraph">মূলত জামাত শিবিরের রাজনৈতিক কার্যক্রম সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক &#8211; একটি সমন্বিত রূপ পায়, যা গড়ে ওঠে সিআইএ ও পাকিস্থানি আইএসআইএর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে, ভু-রাজনৈতিক কৌশলগত যুদ্ধের লক্ষ্যে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পরিশেষে, আমরা দেখি, ২০২৪ সালের কালার রেভোলিউশন ও জামাতের ক্ষমতা, এবং বর্তমান &#8216;আঙ্গুল বাঁকা করে ঘি খাওয়ার&#8217; ঔদ্ধত্য। এই ঔদ্ধত্যের পেছনে একটি বাস্তব কারণ আছে, এদের সামরিক শাখা বা জঙ্গি সংগঠন এর সশস্ত্র ক্যাডাররা, যা আর কোন রাজনৈতিক দলের নেই।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/jamat-shibir-rajakar-albadar-rajniti-utthan/">জামাত-শিবির তথা রাজাকার আলবদর পরিবারের রাজনীতির উত্থানের কারণ কী?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/jamat-shibir-rajakar-albadar-rajniti-utthan/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ কিভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের &#8216;হাইব্রিড উপনিবেশে&#8217; পরিণত হল?</title>
		<link>https://nenews.news/markin-samrajjobad-policy-bangladesh/</link>
					<comments>https://nenews.news/markin-samrajjobad-policy-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[A R Khan Asad]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 20:22:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[জামায়াত ইসলামি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সাম্রাজ্যবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=6814</guid>

					<description><![CDATA[<p>২০২৪-এ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বে জামায়াতের সশস্ত্র পদক্ষেপে ক্ষমতা দখল পর্ব সম্পন্ন হয়। চূড়ান্ত রূপে 'হাইব্রিড উপনিবেশ' প্রতিষ্ঠা পায় </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/markin-samrajjobad-policy-bangladesh/">বাংলাদেশ কিভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের &#8216;হাইব্রিড উপনিবেশে&#8217; পরিণত হল?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph">ঐতিহাসিকভাবে, ঠান্ডা যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র। যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক প্রভাব ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিরোধ করতে &#8216;ইসলাম&#8217;কে একটি অস্ত্র হিসেবে দেখে। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামপন্থী দল হিসেবে, সোভিয়েতপন্থী সমাজতন্ত্র ও ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা করত। ফলে, মার্কিন গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক মহলে জামায়াতকে আদর্শিক মিত্র হিসেবে দেখা হতো।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>১৯৭১</strong> সালে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কিসিঞ্জার পাকিস্তানকে সমর্থন করে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান ও জামাত তথা রাজাকার আলবদর পরিবার মিলে একটি অশুভ জোট গড়ে তোলে। জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন (<strong>ইসলামী ছাত্র সংঘ</strong>) সরাসরি পাকিস্তানি সেনার সহযোগী হিসেবে আল-বদর/আল-শামস গঠন করে গণহত্যায় অংশ নেয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>১৯৭৫</strong> এর শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ড নয়া-উপনিবেশিক পর্বের সূচনা করে। ১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে প্রথম স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার আলবদর পরিবারের বুদ্ধিজীবী হত্যার ফল দিতে শুরু করে; ইসলামপন্থীদের পুনর্বাসন শুরু হয়। জামায়াত নেতারা নির্বাসন থেকে দেশে ফেরে। সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রকে সরিয়ে ‘ইসলামীকরণ’ শুরু হয়। এই সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ইসলামপন্থী প্রভাব বাড়তে থাকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>১৯৮০</strong> এর দশকে শুরু হয় ইসলামপন্থীদের &#8216;<strong>সমাজ দখলের</strong>&#8216; প্রকল্প। এরশাদের শাসনে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা হয় (১৯৮৮)। ইসলামপন্থী এনজিও (জামায়াত সংশ্লিষ্ট), মাদ্রাসা, ইসলামি ব্যাংকিং, ওয়াজ মাহফিল, দাওয়াহ মুভমেন্ট সমাজে প্রভাব বাড়াতে থাকে। মার্কিন প্রশাসন তখন ইসলামপন্থীদের “অ্যান্টি-কমিউনিস্ট বন্ধু” হিসেবে নতুনকরে গুরুত্ব দিতে থাকে। পাকিস্থানি আইএসআই থাকে পেছনে, গোপনে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>১৯৯১-২০০১</strong> এর সময়কালে গণতন্ত্রের নামে ইসলামোফ্যাসিবাদের বৈধতা দিতে বিএনপি-জামায়াত জোট গঠিত হয়। জামায়াত সরকারে অংশ নেয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আন্তর্জাতিক মঞ্চে জামায়াতকে &#8220;মডারেট ইসলামিস্ট&#8221; হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, মার্কিন নেতৃত্বে। সমাজের ভেতরে ধর্মীয় চেতনার নামে &#8216;ইসলামি জাতীয়তাবাদ&#8217; ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। <strong>রাজনৈতিক ইসলাম </strong>প্রতিষ্ঠা করার কৌশল হয় &#8216;শুক্রবারের মুসলমান&#8217; ও হিজাব বোরখার প্রসারে। বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এবং একই সাথে সাধারণ মানুষের লোকজ আধ্যাত্মিক &#8216;ধর্ম ইসলাম&#8217; এর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিত হতে থাকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>২০০১-২০০৬</strong> কালপর্বে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ৯/১১ এর কারণে দ্বিমুখী নীতি গ্রহণ করে। একদিকে ইসলামী জঙ্গিবাদ বিরোধিতা, কিন্তু অন্যদিকে জামাতকে পৃষ্টপোষকতা করে। এর ফলে বাংলাদেশে তৎকালীন জামায়াত নেতা আলী আহসান মুজাহিদ ও নিজামী মন্ত্রিত্বে থাকে। জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির ক্যাম্পাসে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>২০০৯–২০১৫</strong> সময়কালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবী সামনে চলে আসে, যার প্রধান ভূমিকায় ছিলেন জাহানারা ইমাম। আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে জামায়াত নেতাদের বিচার করে, কিন্তু মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রভাবে জামাতকে নিষিদ্ধ করেনা। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিকভাবে বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো দ্বৈত অবস্থান নেয়। একদিকে নৈতিক সমর্থন, অন্যদিকে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ সমালোচনা শুরু করে। কিছু &#8216;বাম&#8217; এই সমালোচনায় যুক্ত হয়। আওয়ামীলীগ হেফাজতে ইসলাম এর উত্থানে ভূমিকা রাখে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>২০১৪–২০২৪</strong> এই দশ বছরে লিবারেল &#8216;গণতন্ত্রের&#8217; গভীর সংকট দেখা দেয়, বাংলাদেশের ক্রনি পুঁজিবাদের কারণে জন্ম নেয়া দুর্নীতিবাজ পুঁজিপতি শ্রেণীর বিকাশের ধারায়। ইসলামপন্থীদের সামরিক শাখার (জঙ্গিবাদ) বিরুদ্ধে আইনি কঠোর অবস্থান থাকলেও কৌশলগত সহযোগিতা অব্যাহত থেকে যায়। যেমন ইসলামী শিক্ষাক্রমকে মেনে নেওয়া।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="683" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-1024x683.jpg" alt="ঢাকার গণভবন অভিমুখে বিক্ষোভকারীদের পদযাত্রায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের পতাকা এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উড়ছিল, সাথে ছিল সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ।" class="wp-image-4127" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-1024x683.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-300x200.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-768x512.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-1536x1024.jpg 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka-600x400.jpg 600w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/BD-Army-and-ISI-Flag-05-Aug-2024-Dhaka.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>ঢাকা, ৫ আগস্ট ২০২৪,  বিক্ষোভকারীদের পদযাত্রায় জঙ্গি সংগঠন আই,এস,আই-এর পতাকা, সাথে সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ। (সূত্র: গেটি ইমেজ)</em></figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph"><strong>২০২৪ এর রেজিমচেঞ্জ </strong>এর মধ্য দিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বে জামায়াতের সশস্ত্র পদক্ষেপে ক্ষমতা দখল পর্ব সম্পন্ন হয়। ফলে ২০২৫ সালে চূড়ান্ত রূপে &#8216;হাইব্রিড উপনিবেশ&#8217; প্রতিষ্ঠা পায়। মার্কিন সৈন্যের পদচারনায়, মার্কিন নিয়ন্ত্রিত কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দর তুলে দেয়ার মাধ্যমে, নতুন যুগের সূচনা ঘটে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশ কীভাবে &#8216;হাইব্রিড উপনিবেশে&#8217; পরিণত হলো? সহজ কথায়, একটি অনন্য জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করলেও, ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বায়ন, সাম্রাজ্যবাদী নয়া-উদারবাদী উন্নয়ন নীতি, দেশীয় সামরিক আমলা, দুর্নীতিগ্রস্থ পুঁজিবাদী শ্রেণি ও রাজনৈতিক ইসলামের একটি যৌথ দ্বন্দ্বপূর্ণ সম্পর্কের বলয়ে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। ক্রমে তা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী রাজাকার আলবদর পরিবারের সাথে সহাবস্থান করতে বাধ্য হয়। যার চূড়ান্ত রূপ আজকের মৌলবাদ নিয়ন্ত্রিত সমাজ ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিয়ন্ত্রিত রাজনীতি &#8211; হাইব্রিড উপনিবেশ।</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/markin-samrajjobad-policy-bangladesh/">বাংলাদেশ কিভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের &#8216;হাইব্রিড উপনিবেশে&#8217; পরিণত হল?</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/markin-samrajjobad-policy-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কালার রেভোলিউশন: গণতন্ত্রের মোড়কে অস্থিতিশীলতা ও গৃহযুদ্ধের আসল চেহারা</title>
		<link>https://nenews.news/color-revolution-arab-bosonto-bangladesh/</link>
					<comments>https://nenews.news/color-revolution-arab-bosonto-bangladesh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[A R Khan Asad]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 28 Aug 2025 12:38:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[আরব বসন্ত]]></category>
		<category><![CDATA[কালার রেভোলিউশন]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[জঙ্গিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=5223</guid>

					<description><![CDATA[<p>স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে পরিচিত কালার রেভোলিউশন ও আরব বসন্তের আসল চেহারা উন্মোচিত। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে দেশগুলোকে গৃহযুদ্ধের দিক়ে</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/color-revolution-arab-bosonto-bangladesh/">কালার রেভোলিউশন: গণতন্ত্রের মোড়কে অস্থিতিশীলতা ও গৃহযুদ্ধের আসল চেহারা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">কালার রেভোলিউশন (যেমন জর্জিয়া, ইউক্রেন, কিরগিজস্তান) এবং আরব বসন্ত (তিউনিসিয়া, মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া ইত্যাদি) স্বৈরাচার বিরোধী ও &#8216;গণতন্ত্র&#8217; প্রতিষ্ঠার আন্দোলন হিসেবে হাজির করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এদের আসল চেহারা দেখা গেছে। </p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>কালার রেভোলিউশন-এর প্রধান ৫টি প্রবণতা হলো:</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>১. অস্থিতিশীলতা ও গৃহযুদ্ধ:</strong> আরব বসন্তের পর লিবিয়া ও সিরিয়ায় পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করে দেয়। সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মিলিশিয়া শক্তিশালী হয়। কালার রেভোলিউশন পরবর্তী অনেক দেশে ধারাবাহিক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করা হয়েছে। ইউক্রেন হয়েছে প্রক্সি যুদ্ধের ক্ষেত্র, হারিয়েছে মানুষ, ভূমি ও রেয়ার আর্থ মূল্যবান খনিজ।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>২. স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ও সহিংসতা: </strong>&#8216;আন্দোলনের&#8217; ফলশ্রুতিতে স্বৈরশাসক বা পুরনো রেজিম ক্ষমতাচ্যুত হলেও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। মিশরে হোসনি মুবারকের পতনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই সামরিক বাহিনী আবার ক্ষমতা দখল করে নেয়। নতুন শাসকগোষ্ঠী অনেক সময় আগের শাসকদের তুলনায় আরও দমনমূলক হয়ে ওঠে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>৩. সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপ ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা: </strong>আরব বসন্তে ন্যাটো লিবিয়ায় সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করে, যার ফলে দেশটি ভেঙে যায় এবং যুদ্ধবাজ গোষ্ঠীর হাতে পড়ে। সিরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক প্রভৃতি শক্তির হস্তক্ষেপ সংঘাতকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে। কালার রেভোলিউশনগুলোও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অঙ্গ হয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>৪. ইসলামী মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের উত্থান: </strong>আরব বসন্ত–পরবর্তী শূন্যতায় মুসলিম ব্রাদারহুড, আইএসআইএস, আল-নুসরা ইত্যাদি গোষ্ঠী শক্তিশালী হয়। জনগণের হতাশা ও বিভ্রান্তিকে ধর্মীয় মৌলবাদীরা রাজনৈতিক পুঁজিতে রূপান্তর করে। এর ফলে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ এমন মাত্রায় শক্তিশালী হয় যে এখানে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>৫. সামাজিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক সংকট: </strong>জাতিগত, ধর্মীয় ও আঞ্চলিক বিভাজন গভীরতর হয়েছে। সিরিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়ায় শরণার্থী সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বিপর্যয়ে রূপ নেয়। অর্থনৈতিক সংকট, মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব বাড়ছে ফলে জনগণের মধ্যে হতাশা বাড়িয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাংলাদেশের কালার রেভোলিউশনের সাথে এসব প্রবণতা মেলান। তাহলে বাংলাদেশের আগামীর দুরবস্থার গতিপ্রকৃতি বুঝতে পারবেন। বাংলাদেশের দুরবস্থার জন্য কাদের দায়ী করবেন? মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, স্থানীয় ষড়যন্ত্রকারী, নাকি আপনার মূর্খ &#8216;অসচেতন বিশ্বাসঘাতক&#8217; বন্ধুদের? আসলে দোষারোপ করে লাভ নেই, আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কিভাবে কাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলা যায়, সেই দিকে মনোযোগ দিন।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>&#8220;লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার&#8221;</strong>।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/color-revolution-arab-bosonto-bangladesh/">কালার রেভোলিউশন: গণতন্ত্রের মোড়কে অস্থিতিশীলতা ও গৃহযুদ্ধের আসল চেহারা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/color-revolution-arab-bosonto-bangladesh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আদিবাসী সমাজ ও সাম্যবাদ</title>
		<link>https://nenews.news/adibasi-somaj-orthoniti/</link>
					<comments>https://nenews.news/adibasi-somaj-orthoniti/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[A R Khan Asad]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Aug 2025 17:23:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Economy]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃতন্ত্র]]></category>
		<category><![CDATA[সমাজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাম্যবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=4668</guid>

					<description><![CDATA[<p>আদিবাসী সমাজ কি সত্যিই শ্রেণীভেদহীন? জানুন কীভাবে ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের যৌথ মালিকানা তাদের আদি-সাম্যবাদী সমাজব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেছে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/adibasi-somaj-orthoniti/">আদিবাসী সমাজ ও সাম্যবাদ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আদিবাসীরা এখনও আদি-সাম্যবাদী সমাজের অনেক বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। যেমন উৎপাদনের উপকরণ (ভূমি, বন, পানি) ব্যক্তিগত মালিকানায় নয়, বরং গোত্র বা কমিউনিটির যৌথ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে শ্রেণীভেদ তৈরি হয়না, কারণ এই ব্যবস্থায় সম্পদের উপর ব্যক্তিগত একচেটিয়া মালিকানার সুযোগ থাকে না।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">একইভাবে সামাজিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক আদিবাসীদের &#8220;পরিষদ&#8221; ও প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আছে, যেখানে নেতৃত্বে নারী-পুরুষ সমানভাবে বা যৌথভাবে অংশ নিতে পারে। সাম্যবাদী প্রথা অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সমতার মূল্যবোধ জাগিয়ে রাখে, যা বংশানুক্রমে যৌথ উৎসব, পারস্পরিক সহায়তা, এবং পারিবারিক কাঠামোয় মাতৃতান্ত্রিক বা সমতাভিত্তিক ধারায় প্রবাহিত হতে থাকে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে বাইরের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় শক্তির প্রভাবে আদিবাসী সমাজে শ্রেণীভেদ প্রবেশ করেছে। আধুনিক কৃষি ও বাজার অর্থনীতি অনেক দেশে ব্যক্তিগত সম্পদ সঞ্চয়ের সুযোগ দেয়, যা আদিবাসীদের মধ্যে ধনী ও দরিদ্রের বিভাজন তৈরি করছে। রাষ্ট্রের ভূমি-নীতি, বহিরাগতদের জমি দখল, এবং দালাল-মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণীর উত্থান &#8211; সব মিলিয়ে ঐতিহ্যগত সামাজিক মালিকানা ব্যবস্থায় ভাঙ্গন সৃষ্টি করে। ফলে কিছু পরিবার বা ব্যক্তি অধিক সম্পদ ও ক্ষমতা অর্জন করে, অন্যরা বঞ্চিত হয়, এবং এভাবে আদিবাসী সমাজে শ্রেণী তৈরি হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>অন্যদিকে পিতৃতন্ত্রের অনুপ্রবেশ মূলত দুই পথে হচ্ছে:  <br></strong><br>এক, উপনিবেশবাদী ও রাষ্ট্রীয় শাসন কাঠামোর মাধ্যমে, যেখানে পুরুষপ্রধান নেতৃত্ব ও উত্তরাধিকার প্রথা চাপিয়ে দেওয়া হয়। দুই, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের মাধ্যমে, যা নারীর ভূমিকা সীমিত করে। নারীকে শিক্ষার সুযোগ, বাজারে অংশগ্রহণ ও সমাজে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় থেকে বঞ্চিত করে। বাইরের সমাজর পিতৃতান্ত্রিক প্রবণতা আদিবাসী সংস্কৃতিতেও ঢুকে পড়ে। ফলে কিছু আদিবাসী গোষ্ঠীতে আগের সমতাভিত্তিক বা মাতৃতান্ত্রিক ধারা ভেঙে গিয়ে পুরুষতান্ত্রিক শ্রেণীভিত্তিক বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে। যা মূলত পুঁজিবাদ ও রাষ্ট্রের আধিপত্যের কারণে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আদিবাসী সমাজে শ্রেণী ও পিতৃতন্ত্রের অনুপ্রবেশ ঘটেছে কয়েকটি ধাপে:</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>প্রথম ধাপ (আদি সাম্যবাদী যুগ): </strong>অধিকাংশ আদিবাসী সমাজে জমি, বন, পানি ও শিকারক্ষেত্র ছিল সমষ্টিগত মালিকানায়, যেখানে উৎপাদন ও ভোগের সম্পর্ক ছিল পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে। পরিবার ও গোত্রের মধ্যে সমতার সম্পর্ক বজায় থাকত, এবং অনেক গোষ্ঠীতে মাতৃতান্ত্রিক বা সমতাভিত্তিক পারিবারিক কাঠামো ছিল, যেখানে নারী-পুরুষ উভয়েই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সম্পদ ব্যবহারে সমান অধিকার ভোগ করত। এই সময় ব্যক্তিগত সম্পদ সঞ্চয়ের সুযোগ খুব সীমিত ছিল, ফলে শ্রেণীভেদ গড়ে ওঠেনি।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>দ্বিতীয় ধাপ (শ্রেণীর উদ্ভব ও রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ):</strong> বাণিজ্যিক কৃষি, নগদ ফসল উৎপাদন, এবং বাইরের ব্যবসায়ীদের আগমনের ফলে ব্যক্তিগত জমি দখল ও সম্পদ সঞ্চয়ের মাধ্যমে শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে। উপনিবেশবাদী প্রশাসন এবং পরবর্তীতে আধুনিক রাষ্ট্র ভূমি জরিপ, কর ব্যবস্থা ও আইনি মালিকানা নীতি চালু করে, যা সমষ্টিগত মালিকানা ভেঙে দেয়। ফলে কিছু ব্যক্তি বা পরিবার বেশি সম্পদ ও ক্ষমতা পায়, অন্যরা বঞ্চিত হয়। এভাবেই শ্রেণীভেদ আদিবাসী সমাজে প্রবেশ করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>তৃতীয় ধাপ (পিতৃতন্ত্রের অনুপ্রবেশ):</strong> বাইরের ধর্মীয় প্রভাব, পুরুষপ্রধান রাষ্ট্রীয় কাঠামো, এবং উপনিবেশ ও পরবর্তী আমলের প্রশাসনিক নেতৃত্ব পুরুষদের হাতে কেন্দ্রীভূত করে। নারীর ভূমিকা সীমিত করে দেওয়া হয় শিক্ষা, বাজার ও রাজনীতিতে অংশগ্রহণে। উত্তরাধিকার প্রথা ও নেতৃত্ব নির্বাচনে পুরুষকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে পূর্বের সমতাভিত্তিক বা মাতৃতান্ত্রিক ধারা ভেঙে গিয়ে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা দৃঢ় হয়, যা শ্রেণীভেদের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে আদিবাসী সমাজের রূপান্তর ঘটায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তবে সমাজ বিবর্তনের ধারায় শ্রেণী ও পিতৃতন্ত্র শেষ কথা নয়। পুঁজিবাদ উত্তর সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা এখন ইউটোপিয়া নয়, বাস্তব ব্যবস্থা। সমাজতন্ত্রও শেষ কথা নয়। সমাজ সাম্যবাদের দিকেই এগুচ্ছে। যারা সাম্যবাদী রাজনীতি বুঝতে চান, আদিবাসীদের আদি সাম্যবাদী সমাজের ইতিহাস ও মূল্যবোধ থেকে অনেক কিছুই শেখার আছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/adibasi-somaj-orthoniti/">আদিবাসী সমাজ ও সাম্যবাদ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/adibasi-somaj-orthoniti/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মৌলবাদীদের সহজে চেনার উপায় এদের ভাষা</title>
		<link>https://nenews.news/bangladeshey-moulobadider-bhasha-diye-sohojei-chena-jaye/</link>
					<comments>https://nenews.news/bangladeshey-moulobadider-bhasha-diye-sohojei-chena-jaye/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[A R Khan Asad]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 19 Jul 2025 18:04:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলামি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[মৌলবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[সূফী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=3824</guid>

					<description><![CDATA[<p>'বাঙালি মুসলমান' ভাষায় আছে বাস্তবে নেই। বাস্তবে আছে 'মৌলবাদী মুসলমান' ও 'সূফী মুসলমান' যাদের ভাষা দিয়ে চেনা যায়  </p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladeshey-moulobadider-bhasha-diye-sohojei-chena-jaye/">মৌলবাদীদের সহজে চেনার উপায় এদের ভাষা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>&#8216;বাঙালি মুসলমান&#8217; ভাষায় আছে বাস্তবে নেই। বাস্তবে আছে &#8216;মৌলবাদী মুসলমান&#8217; ও &#8216;সূফী মুসলমান&#8217; (অন্য ধরনের মুসলমানও আছে, যেমন সেক্যুলার মুসলমান, কালচারাল মুসলমান বা এক্স মুসলিম)।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>মৌলবাদী মুসলমান কারা?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">মৌলবাদীদের সহজে চেনার উপায় এদের ভাষা। বিশেষ করে পরকালের জীবন নিয়ে ভোগবাদী কল্পনা বর্ননায়। যেমন বেহেশতের কল্পনা, যা ভোগ ও যৌনলিপ্সা প্রভাবিত। এরা স্বর্গের বর্ণনাকে (যেমন, ‘হুর’, ‘রাইহান’, ‘নদী’, ‘পানীয়’) ভোগের ভাষা ও কল্পনায় ব্যাখ্যা করে।এই ব্যাখ্যায় বেহেশতের বর্ণনা হয়ে ওঠে ইহজাগতিক ভোগ-বাসনার এক পরকালীন প্রতিস্থাপন। যেমন ৭২ হুরীর কল্পনা (যা কোরআনের কোথাও নির্দিষ্টভাবে নেই), অনন্ত যৌন সুখের প্রতিশ্রুতি, শরাব, সোনা, গহনা, বিলাস, ইত্যাদি শরীরী সুখের সঙ্গে যুক্ত। এটি কিন্তু আসলে &#8216;ইসলামের&#8217; নামে পুঁজিবাদী সংস্কৃতির আধিপত্য।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মৌলবাদীর ভোগবাদ আবার পিতৃতান্ত্রিক, যা পুরুষতান্ত্রিক শিক্ষার। এদের কল্পনায় নারী একটি পুরস্কার বা ব্যক্তি মালিকানার ভোগ্য বস্তু। এতে নারীকে স্বাধীন আত্মা নয়, বরং পুরুষতান্ত্রিক ভোগের উপকরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তাই বলা যায়, এই চিন্তা পিতৃতান্ত্রিক যৌন আধিপত্য ও দেহভিত্তিক ভোগবাদী কল্পনার রূপ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মৌলবাদী মুসলমানের &#8216;ধার্মিকতা&#8217; আসলে ধর্মের নামে পুঁজিবাদী ও যৌনবাদী ভোগবাদের চিন্তাচর্চা। এই দৃষ্টিভঙ্গি ইসলামি সূফী আধ্যাত্মিক দর্শনের বিপরীত। এটি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিয়ন্ত্রিত &#8216;রাজনৈতিক ইসলাম&#8217;। সহজ আবেগ, রাগ ও যৌন বাসনার মিশ্রণে একটি সাংস্কতিক হাতিয়ার, যা দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ তৈরি ও ব্যবহার করা যায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>সূফী মুসলমান কারা?</strong><br><br>একই ভাবে, সূফীদের বোঝা যায় এদের ভাষা ও আধ্যাত্মিক কল্পনা দিয়ে। সুফিবাদে বেহেশত বা জান্নাত একটি প্রেমময়, নৈতিক ও ঈশ্বর-ঘনিষ্ঠ আত্মিক অবস্থান। এখানে জান্নাত মানে ঈশ্বরের সান্নিধ্য (Qurb), আত্মিক প্রশান্তি (Sakinah), স্বত্তার বিলুপ্তি ও আত্মমুক্তি (Fana, Baqa), দেহ নয়, রূহানিয়াত বা আত্মা-কে কেন্দ্র করে কামনা ও প্রেমের রূপান্তর।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" width="1024" height="1024" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Sufism-Practice-Gemini-NE-NEWS-1024x1024.png" alt="" class="wp-image-3835" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Sufism-Practice-Gemini-NE-NEWS-1024x1024.png 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Sufism-Practice-Gemini-NE-NEWS-300x300.png 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Sufism-Practice-Gemini-NE-NEWS-150x150.png 150w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Sufism-Practice-Gemini-NE-NEWS-768x768.png 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Sufism-Practice-Gemini-NE-NEWS-1536x1536.png 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/07/Sufism-Practice-Gemini-NE-NEWS.png 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>সূফী নাচের প্রতীকী ছবি &#8211; এআই দ্বারা নির্মিত</em> </figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">সত্যিকার সূফীরা নারীবাদী। সূফী কবিতায় নারী কেবল ভোগের বস্তু নয়, বরং ঈশ্বরের রূপ, যার মধ্যে প্রেমিক হারিয়ে যেতে চায়। যেমন হাফিজ, রুমি, লালন বা বুল্লে শাহ-এর কাব্যে নারী/পুরুষের শরীরী বা প্রাকৃতিক পার্থক্য গৌণ হয়ে যায়। জান্নাত এখানে দেহ নয়, চেতনাশীল আত্মার প্রশান্তি। সূফীরা ‘হুর’ বা বেহেশতের সৌন্দর্যকেও একধরনের রূপক ভাষা (symbolic language) হিসেবে দেখেন, ঐশ্বরিক গুণের প্রতীক হিসেবে, কোন যৌন বস্তুরূপে নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bangladeshey-moulobadider-bhasha-diye-sohojei-chena-jaye/">মৌলবাদীদের সহজে চেনার উপায় এদের ভাষা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bangladeshey-moulobadider-bhasha-diye-sohojei-chena-jaye/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
