<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Imtiaz Mahmood, Author at NE NEWS</title>
	<atom:link href="https://nenews.news/author/imtiaz-mahmood/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link></link>
	<description>people&#039;s agenda</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Dec 2025 11:28:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	

<image>
	<url>https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/06/cropped-NE-NEWS-LOGO-scaled-1-32x32.png</url>
	<title>Imtiaz Mahmood, Author at NE NEWS</title>
	<link></link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>একজন নারী নায়ক, একজন বীর যোদ্ধা ছিলেন করুণা বেগম</title>
		<link>https://nenews.news/nari-joddha-koruna-begum/</link>
					<comments>https://nenews.news/nari-joddha-koruna-begum/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 16:38:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[করুণা বেগম]]></category>
		<category><![CDATA[নারী]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তিযোদ্ধা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=8533</guid>

					<description><![CDATA[<p>করুণার তখন দিশেহারা অবস্থা, বুকে তাঁর শিশু সন্তান, স্বামী সদ্যমৃত। কী করবেন? শিশুকে মায়ের কাছে রেখে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/nari-joddha-koruna-begum/">একজন নারী নায়ক, একজন বীর যোদ্ধা ছিলেন করুণা বেগম</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>.বরিশালের বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার একজন নায়কের গল্প বলি। একজন নারী নায়ক, পৃথিবীর যে কোনো দেশের ইতিহাসেই দেশের মানুষ স্মরণে রাখবে পরম শ্রদ্ধায় ও ভালোবাসায় এইরকম একজন বীর যোদ্ধা, করুণা বেগম।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">পড়াশোনা কী করেছিলেন জানি না, খুব কম বয়সে বিয়ে হয়ে যায় করুণার। করুণার স্বামী একসময় সেই সময়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ইপিআরএ চাকরি করেছে কিছুদিন, পরে প্রাইমারি স্কুলের টিচার হয়েছে। একটি পুত্রসন্তান হয়েছে ওদের ঘরে, ছেলেটার নাম রেখছিল ওরা আবদুল মান্নান। তরুণী গৃহবধূ করুণা সুখে সংসার করছিল যখন ১৯৭১ শুরু হয়। যুদ্ধের সূচনায় করুণার স্বামী শহিদুল হাসান বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার তরুণদের ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠাতেন ভারতে আর নিজ এলাকায় কিছু ছেলে-মেয়েকে প্রাথমিক ট্রেনিং দিতেন। এপ্রিলে বরিশালে পাকিস্তানি বাহিনী প্রবেশ করে, রাজাকাররা ওদের সাথে যোগ দেয়। এর কিছুদিন পর পাকিস্তানি বাহিনী আর পাকিস্তান আর্মি শহিদুলসহ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায়। জয়ন্তী নদীর ধারে ওদেরকে গুলি করে হত্যা করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কি চমৎকার মিষ্টি নাম নদীটার! জয়ন্তী। এই জয়ন্তী নদীর ধারে আমাদের একদল উজ্জ্বল যোদ্ধাদের হত্যা করে পাকিস্তানিরা, ওদেরকে সাহায্য করেছিল রাজাকাররা। সেইসব শহীদদের দলে করুণার স্বামী শহিদুলও ছিল। করুণার তখন দিশেহারা অবস্থা, বুকে তাঁর শিশু সন্তান, স্বামী সদ্যমৃত। কী করবে? বেশিদিন কাঁদতে বসেনি করুণা। শিশু মান্নানকে মায়ের কাছে রেখে করুণা যোগ দেয় মুক্তিযুদ্ধে। কমান্ডার কুতুবউদ্দিনের অধীনে ট্রেনিং নেয় সে। শারীরিক ট্রেনিং, রাইফেল, স্টেনগান চালানো আর এক্সপ্লোসিভ ব্যবহারে দক্ষ হয়ে ওঠে। এরপর থেকে কখনও ভিখির বেশে একা একা, কখনও ছোট ছোট দলে গিয়ে চোরাগুপ্তা হামলা করা, গ্রেনেড ছুড়ে মারা এসব অভিযান চালায় করুণা।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>নভেম্বরের শেষের দিকে একটি বড় অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পায় করুণা। পনেরজন মুক্তিযোদ্ধার একটি দল, ওদের মধ্যে পাঁচজন নারী আর দশজন পুরুষ। নেতৃত্বে আমাদের করুণা বেগম। মাহিলারা নামে একটা জায়গায় মিলিটারি আর রাজাকারদের একটা সুরক্ষিত ক্যাম্পে সরাসরি হামলা করে এই দলটি। চারদিক ব্যাংকার করা সুরক্ষিত ঘাঁটিটি ওরা ঘিরে ফেলে। আক্রমণের সূচনা করে করুণা- পরপর পাঁচটি গ্রেনেড ছুড়ে ব্যাংকার আর ব্যাংকারে অবস্থান নেওয়া সৈন্যদের উড়িয়ে দেয়। এরপর চার ঘণ্টা ধরে চলে মুখোমুখি গুলি বিনিময়। দশজন পাকিস্তানি সেনা ঘায়েল হয়, বাকিরা কেউ পালিয়ে যায়, কেউ আত্মসমর্পণ করে। অভিযানের অধিনায়ক করুণার পায়ে গুলি লাগে, গুরুত্বর আহত হন তিনি।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আপনি যদি বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকায় যান কখনও, সেখানকার মুরুব্বিদের জিজ্ঞাসা করলে ওরা এখনও আপনাকে বলবে আমাদের এই বীর নারীর দুরন্ত সাহসী নেতৃত্বের কথা। আপনি ভাবুন তো, একটি আঠারো-উনিশ বছরের শাড়ি-ব্লাউজ-পেটিকোট পরা তরুণী, হাতে হয়তো পরেছিল সস্তার রঙিন চুড়ি, মাথার রুক্ষ কালো চুল শক্ত করে বাধা, এই মেয়েটা পনেরজন মুক্তিযোদ্ধার দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছে একটা অসম যুদ্ধে। ওর প্রতিপক্ষ সুশিক্ষিত ভারি অস্ত্র শস্ত্র গোলা বারুদে সজ্জিত পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একটি দল। কল্পনা করুন দৃশ্যটা। ক্যাম্পটি দখল করে ওরা যখন জয় বাংলা শ্লোগানে আকাশ-বাতাস বিদীর্ণ করছে তখন হয়তো শীতের শীর্ণ জয়ন্তী নদীটিও উত্তাল হয়ে উঠেছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>করুণার আঘাত গুরুতর ছিল। যুদ্ধের সময় ভালো চিকিৎসা হয়নি, স্বাধীনতার পর ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসা হয় এই অসমসাহসী বীরের। ২০০৯ বা ১০ সনের দিকে মারা যান তিনি। অসম সাহসিকতার জন্য কী পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি জানেন? বঙ্গবন্ধু তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন, চিঠিতে বঙ্গবন্ধু নিজের হাতে লিখে সম্বোধন লিখেছিলেন &#8216;প্রিয় বোন করুণা&#8217; বলে। ব্যক্তিগত প্যাডে লেখা সেই চিঠিতে বঙ্গবন্ধু লিখেছিলেন, &#8216;তাই, বাংলাদেশ সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আমি তোমাকে জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ&#8217;- এটাই এই সাহসী নারীর পাওয়া একমাত্র উল্লেখযোগ্য পুরস্কার।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">পৃথিবীর অনেক দেশেই দেখবেন ছোট ছোট শহরে ওরা ওদের বীরদের ভাস্কর্য বানিয়ে শহরের কেন্দ্রে রেখে দেয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম বীরদের স্মৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেয়। আমি এরকম কোথাও গেলে, এসব নায়কদের গল্প জানতে চেষ্টা করি। কখনও কখনও ওদেরকে বলি আমাদের বীরদের গল্প। ইন্দোনেশিয়ায় একবার স্থানীয় বন্ধুদের কাছে বলেছিলাম আমাদের নারী মুক্তিযোদ্ধা কয়েকজনের গল্প। ওরা মুগ্ধ হয়ে শুনেছে, একজনের চোখের কোনায় জলও দেখেছি। আমার দিকে তাকানোর দৃষ্টি ওদের বদলে গিয়েছিল, আমাকে ওরা দেখছিল এইসব সাহসী বীরদের উত্তরপুরুষ হিসেবে। একজন বললেন, তোমার নিশ্চয়ই ওদের ভাস্কর্য বানিয়ে রেখেছ দেশের সর্বত্র। আমি কোনো জবাব দিইনি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমাদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু তো তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তথাপি, চলেন আমরাও একবার এই বিজয়ের মাসে তাঁকে স্মরণ করে আরেকবার সালাম জানাই।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>করুণা বেগম আর আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু ওর স্বাধীন করা এই দেশ আছে। সেই জয়ন্তী নদী এখনও আছে। সেই বাবুগঞ্জ, সেই মুলাদী এখনও আছে। যে রাজাকাররা করুণার স্বামী শহিদুল মাস্টারকে ধরিয়ে দিয়েছিল, ওরাও গুটি গুটি পায়ে ফেরত আসতে চাইছে। আমাদের সবচেয়ে মহান যে কীর্তি, সবেচেয়ে গৌরবের যে অর্জন, সবকিছুকে নিয়ে ওরা প্রশ্ন তুলতে চাইছে। আমি ওদের ঐসব লাফালাফি দেখে হাসি। ওরে রাজাকারের বাচ্চারা, এই দেশ করুণা বেগমের দেশ। বুঝে-শুনে লাফ দিবি।</strong></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/nari-joddha-koruna-begum/">একজন নারী নায়ক, একজন বীর যোদ্ধা ছিলেন করুণা বেগম</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/nari-joddha-koruna-begum/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বৃদ্ধকে লাঠিপেটা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ</title>
		<link>https://nenews.news/dhaka-university-shibir-briddho-nirjaton/</link>
					<comments>https://nenews.news/dhaka-university-shibir-briddho-nirjaton/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 14:54:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বৃদ্ধকে লাঠিপেটা]]></category>
		<category><![CDATA[সর্বমিত্র চাকমা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=7414</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বৃদ্ধকে লাঠিপেটা করে তাড়িয়ে দিচ্ছে মধ্যরাতে! এই ছেলেদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্ররা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/dhaka-university-shibir-briddho-nirjaton/">বৃদ্ধকে লাঠিপেটা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>এই ছবিটা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধঃপতনের একটা চিত্র। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সদস্যরা ক্যাম্পাস থেকে গৃহহীন একজন বৃদ্ধকে লাঠিপেটা করে তাড়িয়ে দিচ্ছে মধ্যরাতে! আপনি ভাবতে পারেন? এই বিশ্ববিদ্যালয়টি এর ছাত্রদেরকে যে মানুষ করতে পারেনি সেকথা কি আর বাড়তি কোন উদাহরণ দিয়ে প্রমাণ করতে হবে? এইরকম ছেলেদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্ররা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে! এটা বিশ্ববিদ্যালয়? এটা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান? এখান থেকে ছেলেমেয়রা কি শিখছে? কি শিখবে?</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">আপনি ভাবতে পারেন অন্য কোন দেশে এইরকম একটা বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে ওদের ছাত্র সংসদের নেতারা গৃহহীন একজন বৃদ্ধকে লাঠিপেটা করে ক্যাম্পাস থেকে তাড়াচ্ছে? অক্সফোর্ডে, ক্যামব্রিজে? হার্ভার্ডে? আচ্ছা, থাক, পশ্চিমা দেশের ঐগুলির কথা বাদ দিলাম। আপনি কি ভারতের দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় বা জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় বা পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর এমনি শিলিগুড়িতে যে ইউনিভার্সিটিটা আছে সেখানেও এইরকম ঘটনা কল্পনা করতে পারেন? আচ্ছা ইন্ডিয়ার কথা বাদ দিলাম। আপনি ভাবুন তো পাকিস্তানের লাহোরে যে পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি আছে, বা অন্যত্র অন্য যেসব ইউনিভার্সিটি আছে সেগুলিতেও কি এরকম ঘটনা ভাবতে পারেন?</p>



<p class="wp-block-paragraph">না। কোন প্রপার বিশ্ববিদ্যালয়েই এইরকম ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক নয়। কেন? এইটা বলি, শোনেন। প্রথমে বলে নিই, বিশ্ববিদ্যালয় জিনিসটা কি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল কাজ হচ্ছে জ্ঞানচর্চা- অর্থাৎ জ্ঞান সৃজন করা আর জ্ঞান বিতরণ করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মানুষের অর্জিত জ্ঞান অধ্যয়ন করবেন, গবেষণা করবেন আর এই প্রক্রিয়ায় জ্ঞানের বিকাশ করবেন আর সেইগুলি ছাত্র ছাত্রীদেরকে শেখাবেন। একটা পার্থক্যের কথা মনে রাখবেন, প্রশিক্ষণ আর জ্ঞানবিতরণ এই দুইটা এক জিনিস না। ইংরেজিতে বলে ট্রেইনিং আর এডুকেশন- এই দুইটা দুই জিনিস। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কাজ হচ্ছে জ্ঞান লাভ।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>ছাত্ররা কিভাবে জ্ঞান অর্জন করে? ক্লাসরুমে পড়ে জ্ঞানলাভ এইটা তো আছেই। কিন্তু জ্ঞান অর্জন কিন্তু কেবল ক্লাসরুমেই হয়না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নানারকম কর্মকাণ্ড হয়, রাজনীতি হয়, গান বাজনা হয়, শিল্প সাহিত্য খেলাধুলা এইসবও, দলাদলি তর্কাতর্কি এসব তো হয়ই, মাঝেমাঝে মারামারিও হয়। এই সবকিছু থেকেই ছেলেমেয়েরা শিখতে থাকে। বলা হয় যে ক্যাম্পাসের দেয়ালে লাগানো পোস্টার, ক্যান্টিন ক্যাফেটেরিয়ার আড্ডা এমনকি ক্যাম্পাসের হাওয়া বাতাস এইসব থেকেই নাকি ছাত্রদের মুল শিক্ষাটা হয়, যেগুলি ক্লাসরুমে মাস্টার মশায়দের দেওয়া পাঠকে পূর্ণ করে। দেখবেন যে কেমিস্ট্রি পড়ে যে মেয়েটা সে ফেমিনিজম নিয়ে লিখছে, একাউন্টিং পড়া ছেলেটা সিনেমা নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছে আর চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়া ছেলেটা অন্যদেরকে সমাজতন্ত্র শেখাচ্ছে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এইজন্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল হয়। কেননা জ্ঞান চর্চার মানেই তো হচ্ছে বিদ্যমান জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করা, বিদ্যমান প্রথা প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস এইসবকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা। মুখস্ত করলে তো সেটা জ্ঞান হচ্ছে না, খুব বেশী হলে সেটাকে প্রশিক্ষণ বলতে পারেন, জ্ঞান নয়। জ্ঞান চর্চা মানেই হচ্ছে এযাবৎ মানুষ যা শিখেছে সেইগুলিকে পরখ করা, আর অর্জিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ না করলে আপনি আর কিভাবে পরখ করবেন? যারা বিজ্ঞান পড়ে, ওরা বিদ্যমান গানকে পরখ করে ল্যাবে আর যারা সমাজবিজ্ঞান পড়ে ওরা চ্যালেঞ্জ করে সমাজের প্রতিটা ক্ষেত্রে। শিল্প সাহিত্যের ক্ষেত্রেও একই কথা- যারা সাহিত্য পড়ে ওরা, এবং যারা নাটক সিনেমা গান এইসব পড়ে, ওরাও- বিদ্যমান জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করে পরখ করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">জ্ঞানের এই চর্চার মধ্যেই ছেলেমেয়েরা ওদের পৃথিবীকে চিনতে পারে, সমাজকে চিনতে পারে, মানুষকে চিনতে পারে আর, ক্লিশে শুনালেও, ছেলেমেয়রা নিজেকে চিনতে শেখে; এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যখন একটা ছেলে বা মেয়ে স্নাতক হয়, সে আসলে জ্ঞানার্জন শিখে। জ্ঞানার্জন শিখে মানে কি? মানে হচ্ছে, স্নাতক হওয়ার অর্থ হচ্ছে পড়তে শেখা। বিশ্ববিদ্যালয় সন্দ প্রদান করে বলে দেয় যে এই ছেলেটা বা এই মেয়েটা এখন সমাজবিজ্ঞান পড়তে শিখেছে বা ইতিহাস বা রসায়ন বা অন্য যে কোন শাখায় জ্ঞানঅর্জন করতে শিখেছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এইজন্যে পৃথিবীর যে কোন ভাল বিশ্ববিদ্যালয়েই আপনি দেখবেন ছাত্র ছাত্রীরা খুব সংবেদনশীল হয়। গৃহহীন যারা থাকে সমাজে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে একটা উল্লেখযোগ্য অংশের ছেলেমেয়েকে পাবেন যারা আপনাকে বলে দিতে পারবে একটা সমাজে মানুষ কেন গৃহহীন হয়, ধনী গরীবের বৈষম্য কেন হয়। কিছু ছেলেমেয়েকে পাবেন যারা বিদ্যমান সমাজ কাঠামো ভেঙে ফেলতে চায়, কিছু ছেলেমেয়ে পাবেন যারা মনে করে যে নৈরাজ্যের মাধ্যমেই নয়া সমাজ তৈরি হবে। কিছু ছেলেমেয়েকে দেখবেন বিচিত্র সব আইডিয়া, উদ্ভট সব থিওরি বলবে আপনাকে। এই সবকিছুই স্বাভাবিক। কিছু ছেলেমেয়ে তো থাকবেই যারা গৃহহীন দশার জন্যে গৃহহীন মানুষটাকেই দোষারোপ করবে। ওরা এইগুলি নিয়ে তর্ক করবে, কিন্তু কোন গৃহহীনকে মারতে যাবে না। কেননা জ্ঞানচর্চাতে গণতন্ত্র শিক্ষা হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এইজন্যেই দেখবেন, কোন ক্যাম্পাসে যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি কোন অন্যায় করে ছেলেমেয়েরা তখন মানি না মানবো না বলে মিছিল করতে থাকে। ওদের কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, তবুও। কেন? কারণ নিজের অজান্তেই ওরা ক্যাম্পাসের হাওয়া বাতাস থেকেই এই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শিখে যায়, যে, অপরের অধিকার রক্ষা মানেই আমার নিজের অধিকার রক্ষা। না, ঐসব মিছিলে নিশ্চয়ই সব ছেলেমেয়ে যায় না, কিন্তু কিছু ছেলেমেয়ে তো যাবেই। আর কেউ কেউ হতো বিরোধও করবে, কিন্তু গণতান্ত্রিক মূল্যবোধটা কোন না কোন জায়গায় ঠিকই বিরাজমান থাকবে। একটা গল্প বলি তাইলে, গল্প না, সত্যি ঘটনা।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>কয়েক বছর আগে ইংল্যান্ডে একটা বিস্ববিদ্যালের ক্যাম্পাসে একদিন সকাল বেলা একটা ছেলে পুরা ন্যাংটো হয়ে আসা যাওয়ার পথের ধারে একটা গাছে নিচে এসে বসেছে, হাতে একটা প্ল্যাকার্ড। ঘটনা কি? না, সেই ছেলেটা কি একটা ব্যাপারে প্রতিবাদ করছে, সেইজন্যে তাঁর এই দিগম্বর অবস্থান কর্মসূচী। অন্য ছেলেমেয়রা পথ দিয়ে হেঁটে যায়, ওর দিকে কেউ তাকায়, কেউ তাকায়ও না, কেউ হয়তো ওর পাশে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সলিডারিটি জানায়। একদিন যায়, দুইদিন যায়, তিনদিনের দিন বা চারদিনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর গার্ড পাঠিয়ে নাঙা ছেলেটাকে গাড়ীতে তুলে নিয়ে যেতে আসে। ব্যাস, এইবার দেখা গেল পঞ্চাশ ষাটজন ছেলেমেয়ে মিছিল বের করেছে যে না, ওকে জোর করে তাড়ানো যাবে না, প্রতিবাদ করা তো ওর অধিকার।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">একটা বুড়া মানুষ, অশক্ত দরিদ্র। লোকটা ক্যাম্পাসের কোথাও কোন একটা ফুটপাতে রাতে ঘুমায়। আপনি ভাবুন তো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে? কেউ ওকে একটু সাহায্য করতে চাইবে, কেউ ওর জন্যে একটা থাকার জায়গা ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেই চেষ্টা করবে, কেউ এই দৃশ্যপটটা ওর কোন সৃজনশীল লেখায় বা ছবিতে জুড়ে দিবে, কেউ এইটা নিয়ে রাজনৈতিক বক্তৃতা জোরালো করবে। কেউ কেউ হয়তো পুলিশেও খবর দিবে বা কর্তৃপক্ষকে বলবে যে এইসব গৃহহীন বাউন্ডুলেদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হোক। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সদস্যরা লাঠি নিয়ে ওকে পিটিয়ে তাড়াতে যাবে? না, এটা তো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের কাছে প্রত্যাশিত না।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আর কেবল প্রত্যাশার ব্যাপারই তো নয়, এই কাজটা তো বৈধও নয়। ছাত্র সংসদের সদস্যরা কি দারওয়ান? নাকি পুলিশ? ওরা কেন লোকজনকে তাড়াতে বা মারধর করতে যাবে? ওদের তো সেই ক্ষমতা বা দায়িত্ব দেয়নি। লাঠি নিয়ে বৃদ্ধ একটা মানুষকে পেটাবেন, এটা তো ফৌজদারি অপরাধ।</strong></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/dhaka-university-shibir-briddho-nirjaton/">বৃদ্ধকে লাঠিপেটা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/dhaka-university-shibir-briddho-nirjaton/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঘটনাস্থল আমাদের খাগড়াছড়ি, আর মেয়েটি আমাদেরই একজন আদিবাসী</title>
		<link>https://nenews.news/khagrachori-paharider-nirapatta-andolon/</link>
					<comments>https://nenews.news/khagrachori-paharider-nirapatta-andolon/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 14:06:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[খাগড়াছড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ষণ]]></category>
		<category><![CDATA[পাহাড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=6177</guid>

					<description><![CDATA[<p>ধর্ষণ ঘটনার দুইদিন পার হয়েছে। ঘটনাস্থল কাশ্মীর নয়, খাগড়াছড়ি, আর মেয়েটি মুসলিম নয়, একজন আদিবাসী। এইবার আপনার প্রক্রিয়া কি হবে বলেন?</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/khagrachori-paharider-nirapatta-andolon/">ঘটনাস্থল আমাদের খাগড়াছড়ি, আর মেয়েটি আমাদেরই একজন আদিবাসী</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">আজ যদি একটা খবর দেখেন যে <strong>কাশ্মীরে তেরো বছর বয়সী একটি মুসলিম মেয়েকে দলবেঁধে ধর্ষণ </strong>করেছে ভারতের অন্য প্রদেশ থেকে আসা তিনজন যুবক, <strong>আপনার প্রতিক্রিয়া কি হবে?</strong> আপনি চাইলে ছোট একটা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। এইরকম একটা ফেইক নিউজ তৈরি করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন, দেখবেন বাংলার লাখো বীরপুরুষ যুদ্ধ ঘোষণা করে ফেলবে, প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যাবে দেশের এই মাথা থেকে ঐ মাথা। সমাজবিজ্ঞানের অভিধান থেকে কঠিন কঠিন সব জার্গন তুলে এনে সিরিয়াস গবেষণাধর্মী পোস্ট লিখবে পণ্ডিতরা। ভুল বললাম? পরীক্ষা করে দেখেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">উপরে যে খবরটা বললাম, সেটা কাল্পনিক। কিন্তু এইরকম ঘটনা ঘটেছে, আপনার নিজের দেশে- ঘটনার দুইদিন পার হয়েছে। ঘটনাস্থল কাশ্মীর নয়, আমাদের <strong>খাগড়াছড়ি</strong>, আর <strong>মেয়েটি মুসলিম মেয়ে নয় </strong>আমাদেরই <strong>একজন আদিবাসী</strong>। এইবার আপনার প্রক্রিয়া কি হবে বলেন? এই খবরটা কাগজেও এসেছে- প্রথম আলোতে এসেছে, আরও অনেক কাগজে এসেছে। আমার প্রিয় মাতৃভূমির এতো বড় জনসংখ্যা, কেউ বলে আঠারো কোটি কেউ বলে বিশ- <strong>কি প্রতিক্রিয়া হয়েছে?</strong> কিসসু না। আপনারা সবই ঠিকমত খাচ্ছেন দাচ্ছেন, শুক্রবার উদযাপন করছেন, সন্তানের মুখে চুমু দিয়ে জুমার নামাজ পড়তে গেছেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ও ভাই, তেরো বছর বয়সী একটি বাচ্চা, হোক সে আমার মেয়ে আপনার মেয়ে বা কোন ইংরেজ জার্মান বা স্লোভাক পিতার কন্যা, ওর সাথে যে অন্যায়টা হয়েছে সেটা তো পৃথিবীর সর্বত্রই অন্যায়। আমি দুই কন্যার পিতা, আমি অনুভব করতে পারি খাগড়াছড়ির ঐ <strong>বাচ্চাটার পিতার হৃদয়ের কি অবস্থা </strong>হতে পারে। আমার দুইজন বোন আছে, ওরাও একসময় ছোট ছিল, আমি অনুভব করতে পারি এই অবস্থায় একজন ভাইয়ের হৃদয়ে কি ঝড় বয়ে যেতে পারে। আপনিও তো কোন না কোন <strong>কন্যা শিশুর পিতা বা ভ্রাতা</strong>&#8211; হয়তো কোন সময় আপনার কন্যা বা ভগ্নী ঐ বয়সী ছিল। আপনি বলুন।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="771" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Khagrachori-burning-02-NE-NEWS-1024x771.jpg" alt="" class="wp-image-6184" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Khagrachori-burning-02-NE-NEWS-1024x771.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Khagrachori-burning-02-NE-NEWS-300x226.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Khagrachori-burning-02-NE-NEWS-768x578.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Khagrachori-burning-02-NE-NEWS-1536x1157.jpg 1536w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Khagrachori-burning-02-NE-NEWS.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>পার্বত্য চট্টগ্রামের <strong>খাগড়াছড়ি</strong> জেলার গুইমারা উপজেলার রামেসু বাজারে আগুন দেয়া হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত</em></figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">খাগড়াছড়ির মানুষ প্রতিবাদ করছে। কেন করবে না। <strong>ওদের হৃদয়ে আগুন</strong>। আমার বোন ধর্ষিতা হয়েছে, আমার কন্যা ধর্ষিতা হয়েছে আমি বিক্ষুব্ধ হবো না? আর <strong>পাহাড়ে তো এইরকম ঘটনা নিয়মিত ঘটছে</strong>, নারীদের উপর অত্যাচার হয়, <strong>ধর্ষকদের কোন বিচার হয় না</strong>। উল্টো যারা প্রতিবাদ করে, বিচার দাবী করে ওদের উপর অত্যাচার নির্যাতন হয়। উদাহরণ চান? এতো উদাহরণ দিতে পারি যে আপনি চমকে উঠবেন। বিচারই তো চাইছি আমরা, আমরা তো ধর্ষকদের হত্যা করতে চাইনি! আমরা তো দাঙ্গা হাঙ্গামা করতে চাচ্ছি না, <strong>আমরা কেবল বিচার চাইছি</strong>&#8211; আমার কন্যাকে <strong>যারা ধর্ষণ করেছে ওদেরকে গ্রেফতার কর, বিচার কর</strong>।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি তো <strong>আছি খাগড়াছড়ির তরুণদের পাশে</strong>। আজ ওরা খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ করছে, আপনারা জানবেন, ঢাকায় একজন ইমতিয়াজ মাহমুদ ওদের পাশে আছে। আমার কেবল একটা আফসোস, কম বেশী দুই কোটি মানুষ নাকি ঢাকায় বাস করে, দুই কোটি মানুষের শহর যদি একবাড় গর্জন করে উঠত, তাইলে হয়তো বিচার নিশ্চিত হতো। মেয়েটি পাহাড়ি আদিবাসী ঘরে জন্মেছে, ওর জন্যে আপনারা গর্জন কেন করবেন! করবেন না। কাশ্মীরি কন্যা হলে করতেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>পাহাড়ের আদিবাসী মানুষের লড়াই পাহাড়ের মানুষকেই লড়তে হবে।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/khagrachori-paharider-nirapatta-andolon/">ঘটনাস্থল আমাদের খাগড়াছড়ি, আর মেয়েটি আমাদেরই একজন আদিবাসী</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/khagrachori-paharider-nirapatta-andolon/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মায়া লাগছে নেপালের জন্যে</title>
		<link>https://nenews.news/nepal-gen-z-color-revolution/</link>
					<comments>https://nenews.news/nepal-gen-z-color-revolution/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Sep 2025 17:31:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[World]]></category>
		<category><![CDATA[color revolution]]></category>
		<category><![CDATA[Gen z]]></category>
		<category><![CDATA[আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[কাঠমান্ডু]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=5643</guid>

					<description><![CDATA[<p>ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত নেপাল এখন রাজনৈতিক সংকটে। তৃতীয় কোনো শক্তি নিজেদের স্বার্থে নেপালকে ব্যবহার করছে?</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/nepal-gen-z-color-revolution/">মায়া লাগছে নেপালের জন্যে</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"><strong>গত কুরবানির ঈদে নেপালে ছিলাম। এর আগেরবার নেপালে গিয়েছিলাম সেটা মোটামুটি বছর দুয়েক তো হয়ে গেছে আরকি। সেবার ত্রিভুবন বিমানবন্দর থেকে থামেল যাচ্ছি, গাড়ীর রেডিওতে র&#x200d;্যাপ বাজছে। শুনতে বেশ লাগছিল, জিজ্ঞাসা করতে চালক জানালেন যে এই র&#x200d;্যাপ শিল্পীর নাম বলেন শাহ্‌, তিনি কাঠমান্ডুর নয়া মেয়র। বাহ, রাজধানীর মেয়র একজন র&#x200d;্যাপার, চমৎকার নয়! জিজ্ঞাসা করলাম, কোন পার্টির লোক? না, তিনি কমিউনিস্ট পার্টির নন, নেপালি কংগ্রেসের নন, এমনকি অন্য যেসব পার্টি আছে নেপালে সেগুলির কোনটার সাথে তাঁর কোন সম্পর্ক নেই, তিনি স্বতন্ত্র।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">এটা বেশ চমকপ্রদ খবর। স্বতন্ত্র নির্বাচন করে কাঠমান্ডুর মেয়র হয়ে গেছে, কে এই যুবক? খোঁজ খবর নিয়ে যেটা জানলাম, বলেন্দ্র শাহ্‌, বলেন শাহ্ নামেই লোকে চেনে তাঁকে, তিনি একজন সিভিল এঞ্জিনিয়ার। স্নাতক ডিগ্রী নিয়ছেন নেপালেই, স্নাতকোত্তর পড়েছেন দক্ষিণভারতের একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে। একটা এঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম চালাতেন, আর র&#x200d;্যাপ করতেন। কাঠমান্ডু সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে কমিউনিস্ট পার্টি ইউএমএল, নেপালি কংগ্রেস এবং অন্য সব দলের প্রার্থীদের হারিয়ে জিতেছেন। কিভাবে জিতলেন? প্রথাগত রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আর যৌবনের তারুণ্যের শ্লোগান লোকে পছন্দ করেছে, ভোট দিয়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>বলেন শাহ্‌র গল্পটা বেশ লেগেছিল সেবার। সেই সাথে মনের মধ্যে একটু কৌতূহলও ছিল। না, একজন জনপ্রিয় শিল্পী নির্বাচন করে মেয়র হয়েছেন সেটা তো হতেই পারেন। কিন্তু নেপালের রাজনীতির যে কাঠামো, সেখানে কমিউনিস্ট পার্টি ইউএমএল, কমিউনিস্ট পার্টি মাওবাদী, নেপালি কংগ্রেস এরা তো আছেই, ওদের ছাড়াও ২০০৮এর পর বেশ কিছু আঞ্চলিক ও জাতীয় পার্টি আছে যাদের জনসমর্থন কমিউনিস্ট বা কংগ্রেসের চেয়ে খুব বেশী পিছিয়ে নেই। ওদের সবাইকে টপকে কাঠমান্ডুর মেয়র হয়ে আসা এককভাবে একজন র&#x200d;্যাপারের জন্যে খুবই কঠিন। তাইলে কে আছে এর পেছনে? ডিজাইনটা কে করে দিয়েছে? ‌</strong></p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" width="1024" height="682" src="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Balen-Shah-Nepal-1024x682.jpg" alt="" class="wp-image-5645" srcset="https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Balen-Shah-Nepal-1024x682.jpg 1024w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Balen-Shah-Nepal-300x200.jpg 300w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Balen-Shah-Nepal-768x512.jpg 768w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Balen-Shah-Nepal-820x545.jpg 820w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Balen-Shah-Nepal-600x400.jpg 600w, https://nenews.news/wp-content/uploads/2025/09/Balen-Shah-Nepal.jpg 1400w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption"><em>কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ্‌ বা বলেন শাহ্</em> <em>(সংগৃহীত)</em> </figcaption></figure>
</div>


<p class="wp-block-paragraph">এই মধ্য রাতে বলেন শাহ্‌র কথা কেন বলছি? কাঠমান্ডু এবং পোখারায় গতকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে- ব্লকেড, মার্চ টু পার্লামেন্ট ইত্যাদি। আজ কাঠমান্ডু জ্বলছে, পার্লামেন্ট ভবন তছনছ হয়েছে, পোখারা জ্বলছে, আরও কয়েকটা শহরও জ্বলছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, মৃতের সংখ্যা সম্ভবত বেড়েছে। পুলিশ গুলি ছুড়েছে, পুলিশের উপরও আক্রমণ হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। সরকার পতনের দাবী উঠেছে। এইসব দেখে কাঠমান্ডু পোস্ট এবং অন্য কয়েকটা কাগজের অনলাইন সংস্করণ দেখলাম।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমাদের বলেন শাহ্‌ আন্দোলনকারীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছেন, রাস্তায় নেমেছেন আরও বেশ কিছু সঙ্গীত শিল্পী অভিনেতা ও সোশ্যাল মিডিয়া তারকা। এছাড়া কিছু ডাক্তার, এঞ্জিনিয়ার অধ্যাপক এনারাও আছেন। ভাল করে ঘটনাবলী দেখতে গিয়ে দেখি এই বিক্ষোভ দৃশ্যত স্বতঃস্ফূর্ত মনে হলেও ঠিক পুরোপুরি স্বতঃস্ফূর্ত নয়, খানিকটা পরিকল্পনার ছাপ আছে, খুব স্পষ্ট আমার পক্ষে ঢাকায় বসে বুঝা সম্ভন না, কিন্তু মনে হয় কেউ যেন আন্দোলনটা ডিজাইন করেছে। ডিজাইনটা কতোটুকু মেটিকিউলাস সেটা ঠিক এখনই বলা সম্ভব নয়, তবে ডিজাইন একটা আছে, এবং ডিজাইনটা কেমন যেন চেনা চেনা। রঙিন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বলেন শাহ্‌র বক্তৃতা বিবৃতি ছেপেছে কাগজগুলি। বলেন শাহ্‌ বলছেন আমি ওদের সাথে আছি, বিক্ষোভে আমি নিজেই যেতাম কিন্তু বিক্ষোভে নামার একটা বয়সও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, ২৮ বছরের বেশী কেউ যাবে না, এই জন্যে আমি যাচ্ছি না। ও, তাইলে আগে থেকে অংশগ্রহণকারীদের একটা বয়স সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে! বেশ। এইজন্যেই কি তবে সব কয়টা ব্যানারে ফেস্টুনে এটাকে জেন-জি প্রটেস্ট লেখা হচ্ছে? সেইভাবেই ডিজাইন করা? এবং সংবাদ মাধ্যমগুলিকে ব্রিফ করা হচ্ছে একইভাবে, জেন-জি প্রোটেস্ট, ওড়া খবরের শিরোনামও করছে সেইভাবেই।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>আন্দোলনটা শুরু হয়েছে কিভাবে? নেপাল সরকার ফেসবুক টুইটার ইন্সটাগ্রাম হোয়াটসএপ এইগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে- ওদেরকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, তোমরা নেপালে নিবন্ধন কর, নেপালে ট্যাক্স দাও, নাইলে বন্ধ করে দেওয়া হবে। সরকার কেন এটা করতে গেল? নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করো, সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করেছে। সরকারের নিজস্ব কিছু কারণও আছে। অপপ্রচার হচ্ছিল ইত্যাদি। সোশ্যাল মিডিয়াগুলি সরকারের নির্দেশ মানেনি। সরকার দিয়েছে সব বন্ধ করে। এইটা থেকে বিক্ষোভ শুরু। জেন-জি প্রোটেস্ট। আমাদের বাক ও চিন্তার স্বাধীনতা খর্ব করেছে সরকার। সাথে দুর্নীতি এবং অন্য কিছু অভিযোগ।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">না, অভিযোগগুলি মোটেই ভুল নয়। সোশ্যাল মিডিয়া এইরকম সম্পুর্ন বন্ধ করে দেওয়া সেটা তো অবশ্যই বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বটেই। এইরকম ন্যায্য একটা ক্ষোভ না থাকলে তো বিক্ষোভে লোক আসতো না। গত কুরবাণীর সময় যখন পোখারায় ছিলাম, তখন দেখলাম কয়েকটা দল মিলে রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবীতে একটা দুইটা হরতাল এবং বিক্ষোভ ইত্যাদি কর্মসূচী নিয়েছিল। সেইগুলি কর্মসূচী খুব একটা জমেনি। আমরা ঠাট্টা করে নিজেদের মধ্যে আলাপ করছিলাম, অনেক দেশেই ইএরকম ফার্স্ট ওয়েভ সেকেন্ড এটেম্পট ফেইল করার পরই মুল বঙটা বিকশিত হয়- বিস্ফোরিত হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখন যে সরকারটা রয়েছে নেপালে, কমিউনিস্ট পার্টির সরকার, নেতৃত্বে আছেন কে পি শর্মা অলি, এরা কিন্তু নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার। এরা জনপ্রিয়তা হারায়নি। কিন্তু কয়েক বছর ধরে প্রচারণাটা চলছিল যে, না, এইসব ন্রিবাচত সরকারগুলি সব চোর, স্বার্থপর, জনগণের কথা ভাবেনা ইত্যাদি। আমরা কোন দলীয় সরকার চাই না, সব দল খারাপ ইত্যাদি। একটা চেতনা তৈরির চেষ্টা চলছিল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিপক্ষে। এটার উপর ভিত্তি করেই রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনটা জমানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল, কাজ হয়নি। কারা এইরকম প্রচারণার পৃষ্ঠপোষক সেটা আমি অনুমা করতে পারি, আপনিও হয়তো পারছেন, এগুলি তো নিশ্চিত করা যায় না আরকি।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>নেপালের মানচিত্রটা তো আপনারা জানেন- একপাশে চীন, আরেকপাশে ভারত। দেশটার উপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় এই দুই দেশের মধ্যে টানাটানি তো পুরনো। সম্প্রতি তো আবার ভারত চীন খানিকটা ঘনিষ্ঠ হয়ে এসেছে- ওদের মধ্য পুরনো বৈরিতা নাকি কমে এসেছে। সেই ক্ষেত্রে নেপালের খুবই সুবিধা হতো। চীনের সাথে ভারতের এই নয়া মুহব্বত কি তবে কারো চোখে বালির মতো বিঁধছে? কেউ কি চীন ও ভারতের মাঝখানের এই চমৎকার দেশটাকে নিজেদের স্বার্থে ঐ দুই দেশের বিপক্ষেই ব্যবহার করতে চাইছে? চীন ও ভারতের মাঝখানে নিজের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাইছে? জানিনা।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">মায়া লাগছে নেপালের জন্যে। আমার নিজের দেশের পরে এই দেশটার প্রতিই আমার প্রবল ভালোবাসা আছে। নেপালে গেলেই আমার ভাল লাগে, এতো সুন্দর দেশ, এতো সুন্দর ওদের মানুষ! সুযোগ থাকলে বছরের যে কোনদিন আমি ছুটে যেতে পারি নেপালে। নেপালি ডাল ভাত আমি প্রতিবেলা খেতে পারি, ওদের যে দিশী পানীয়টা আছে, রক্সি, মিলেট থেকে বানায় (মিলেটকে বাংলায় কি বলে? বজরা?), স্বাদটা একটু ভিন্ন হলে তবে বানানোর পদ্ধতিটা মোটামুটি আমাদের দচুনির মতোই, সেটা যে কি সুস্বাদু। আহা, এতো সুন্দর দেশটা কি তবে বীভৎস রঙে তছনছ হবে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">মায়া লাগছে। আপনি কি জানেন, নেপাল হচ্ছে তথাগত বুদ্ধের নানাবাড়ি আবার শ্রী রামের শ্বশুরবাড়ি! মায়া লাগছে নেপালের জন্যে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/nepal-gen-z-color-revolution/">মায়া লাগছে নেপালের জন্যে</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/nepal-gen-z-color-revolution/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নাম বদলালেই কি অতীত মুছে যায়? শিবিরের কৃতকর্ম নিয়ে প্রশ্ন</title>
		<link>https://nenews.news/chatro-shibir-history/</link>
					<comments>https://nenews.news/chatro-shibir-history/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 05 Sep 2025 09:33:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[History]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[১৯৭১]]></category>
		<category><![CDATA[আলবদর]]></category>
		<category><![CDATA[জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[রাজাকার]]></category>
		<category><![CDATA[শিবির]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=5477</guid>

					<description><![CDATA[<p>জগন্নাথ হলের ছেলেরা শিবিরের প্রার্থীদের আবার প্রশ্ন করে কেন? প্রশ্নের কি আছে? আমাদের বুদ্ধিজীবীদের ঘাতকরা তো শিবিরই- নাম বদলালেই কি একটি সংগঠনের কৃতকর্ম মুছে যাবে? না, যাবে না। যাহা শিবির তাহাই সংঘ, তাহাই আলবদর। এইটা নিয়ে প্রশ্নের কিছু নাই, উত্তরেরও কিছু নাই। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা আমাদের বিপক্ষে পাকিস্তানী মিলিটারির অঙ্গ আধা সামরিক বাহিনী করেছিল...</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/chatro-shibir-history/">নাম বদলালেই কি অতীত মুছে যায়? শিবিরের কৃতকর্ম নিয়ে প্রশ্ন</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">জগন্নাথ হলের ছেলেরা শিবিরের প্রার্থীদের আবার প্রশ্ন করে কেন? প্রশ্নের কি আছে? আমাদের বুদ্ধিজীবীদের ঘাতকরা তো শিবিরই- নাম বদলালেই কি একটি সংগঠনের কৃতকর্ম মুছে যাবে? না, যাবে না। যাহা শিবির তাহাই সংঘ, তাহাই আলবদর। এইটা নিয়ে প্রশ্নের কিছু নাই, উত্তরেরও কিছু নাই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা আমাদের বিপক্ষে পাকিস্তানী মিলিটারির অঙ্গ আধা সামরিক বাহিনী করেছিল ওদেরকে আমরা সাধারণভাবে রাজাকার বলি বটে, কিন্তু ওরা সকলে রাজাকার ছিল না। তিনটা বাহিনী ছিল, ওদের একটা ছিল রাজাকার। রাজাকারের সদস্যরা ছিল সাধারণ মানুষজন, ওরা একটা ভাতার বিনিময়ে সেই বাহিনীতে কাজ করতো, ওদের নিয়োগ করা হতো মাস্টার রোলের ভিত্তিতে। বাকি দুইটা বাহিনী ছিল আলবদর আর আল শামস। এই দুইটাই ছিল জামায়াতে ইসলামী ও ওদের ছাত্র সংগঠনের লোকজন নিয়ে গঠিত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আলবদরের সদস্যরা ছিল সেই সময়ের ইসলামী ছাত্র সংঘ সংক্ষেপে যারা নিজেদেরকে বলতো আইজেটি। আইজেটির পূর্ণ রূপটা ছিল খুব সম্ভবত ইসলামিক জমিয়ত-ই-তালাবা বা তালিবান। সম্ভবত বলছি কারণ স্মৃতি থেকে বলছি, হুবহু নামটা তালাবা ছিল নাকি তালিবান ছিল মনে করতে পারছি না। বাংলায় নাম ছিল ইসলামী ছাত্র সংঘ। ১৯৭১ সনের নভেম্বরে ছাত্র সংঘের সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় আলবদর বাহিনী। এর প্রধান বা নাজিমে আলা ছিল মতিউর রহমান নিজামি। আর কয়েকজন শীর্ষ নেতা ছিল আলী আহসাম মুজাহিদ, চৌধুরী মইনুদ্দিন আর মীর কাসেম আলী। নিয়াজি ছিল এদের পৃষ্ঠপোষক।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আপনারা জানেন যে ওরা আমাদের সাথে যুদ্ধে করুন পরাজয় বরণ করে। ১৬ই ডিসেম্বরের পর ওদের পক্ষে এদেশে বিরাজ করাটাই কঠিন হয়ে যায়। নেতৃস্থানীয় আলবদররা অনেকেই দেশত্যাগ করে। চৌধুরী মইনুদ্দিনের কথা আপনারা জানেন, সে চলে যায় লন্ডনে। মীর কাসেম আলী পালিয়ে যায় সৌদি আরবে। ১৯৭১ সনের শেষদিকে মীর কাসেম আলী আইজেটির প্রাদেশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছিল। চিটাগাং কলেজে পড়তো, মুক্তিযুদ্ধের সময় নৃশংসতার জন্যে চট্টগ্রামে ওর নাম পড়েছিল বাঙালী খান।</p>



<p class="wp-block-paragraph">স্বাধীনতার পর ওদের অনেকেই জাসদে ঢুকে বা অন্যভাবে ঘাপটি মেরে ছিল। ১৯৭৫ সনে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর একসময় জিয়াউর রহমান ক্ষমতা গ্রহণ করেন। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করার সুযোগও তখন তৈরি হয়। সেইসময় এসে ১৯৭৭ সনের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে একটা সভা করে ছাত্র সংঘ নতুন নামে আত্মপ্রকাশ করে, আর সেই নতুন নামই হচ্ছে ইসলামী ছাত্র শিবির। আর এই সংগঠনের সভাপতি হয় মীর কাসেম আলী, যে কিনা ১৯৭১ সনে ছাত্র সংঘের সাধারণ সম্পাদক ছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখনকার যারা ছাত্র শিবির নেতা কর্মী, এরা সেই আইজেটি বা ছাত্র সংঘেরই নয়া রূপের নেতা কর্মী, সেই অপ আদর্শেরই ধারক ও বাহক। এটা নিয়ে প্রশ্ন করার বা সাফাই দেওয়ার কোন অবকাশ নেই।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/chatro-shibir-history/">নাম বদলালেই কি অতীত মুছে যায়? শিবিরের কৃতকর্ম নিয়ে প্রশ্ন</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/chatro-shibir-history/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিভুরঞ্জন সরকারের মৃত্যু ও আতঙ্কিত সাংবাদিকতা</title>
		<link>https://nenews.news/bivuronjon-sorkarer-mrityu-o-atongkito-sangbadikota/</link>
					<comments>https://nenews.news/bivuronjon-sorkarer-mrityu-o-atongkito-sangbadikota/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Aug 2025 13:25:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[আতঙ্কিত]]></category>
		<category><![CDATA[বিভুরঞ্জন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সাংবাদিকতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=5068</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের অসংখ্য সাংবাদিক শারীরিকভাবে নিহত বা আহত না হলেও গুরুতর আহত বা নিহত হওয়ার মতো অবস্থায় বাস করছেন এই দেশে এই মুহূর্তে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bivuronjon-sorkarer-mrityu-o-atongkito-sangbadikota/">বিভুরঞ্জন সরকারের মৃত্যু ও আতঙ্কিত সাংবাদিকতা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph">তারিখ ইব্রাহিম নামে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ লিখতেন তিনি। আমরা তখন অপেক্ষা করে থাকতাম, আজ যায় যায় দিন বের হবে, তারিখ ইব্রাহিমের বিশ্লেষণ পড়বো। আমি আপনাদেরকে একরকম নিশ্চিত বলতে পারি, আমাদের জীবদ্দশায় আমি বাংলায় ঐরকম চমৎকার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ আর পড়িনি। সংবাদে দরবার-এ-জহুর কলামটা লিখতেন জহুর আহমেদ চৌধুরী আর অনিকেত নামে আরেকটা নিয়মিত কলাম লিখতেন নির্মল সেন। ওঁরা তো মুরুব্বি মানুষ, অনেক বড় সাংবাদিক, লিখতেনও চমৎকার- ওদের প্রতি সম্মান রেখেই কথাটা বলছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সংবাদেই &#8216;সময় বহিয়া যায়&#8217; লিখতেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী গাছপাথর নামে। সেটা একটু ভিন্ন মেজাজের ছিল, সেটা আমি অন্যদের কাতারে ফেলতে চাই না। একইভাবে আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখাও আমি অন্যদের সাথে তুলনার ঝামেলায় যাবো না। এছাড়া অন্য কেউ হয়তো থাকতেও পারেন যাদের লেখা আমি পড়িনি বা ঠিক এই সময় মনে পড়ছে না। এছাড়া অন্য সকলের লেখার চেয়ে আমি তারিখ ইব্রাহিমেক এগিয়ে রাখবো। তারিখ ইব্রাহিম ছদ্মনামে সেই রাজনৈতিক বিশ্লেষণগুলি লিখতে বিভুরঞ্জন সরকার।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিভুদা আমার ছাত্র ইউনিয়ন করা বড়ভাই বলে তাঁকে পছন্দ করি সেজন্য এরকম কথা বলছি? না, জনাব। বরং বলতে পারেন তারিখ ইব্রাহিম নামের পেছনে মানুষটা তিনিই ছিলেন জেনে উল্টো তাঁর প্রতি আমার ভক্তি-ভালোবাসা বেড়ে গিয়েছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>যে পরিস্থিতিতে বিভুদার মৃত্যু হলো সেটাকে তো আমি কোনো অবস্থাতেই আত্মহত্যা বলতে পারছি না। এটা একটা হত্যাকাণ্ড। আমি জানি বিভুদার দেহ ওরা কাটাছেঁড়া করবে, একটা ময়নাতদন্ত হবে- এগুলো ঠিকঠাক মতো হবে কি না জানি না। যদি ঠিকঠাক মতো হয়ও, সেটা তো নিতান্ত শারীরিক ময়নাতদন্ত হবে আর কি। কিন্তু একজন মানুষকে তো শারীরিকভাবে হত্যা করা ছাড়াও হত্যা করা যায়। সেটার জন্য যে সমাজবৈজ্ঞানিক ময়নাতদন্ত প্রয়োজন সেই ময়নাতদন্ত তো আপনারা কোনোদিনই করবেন না। সেই তদন্তটা যদি কোনোদিন করতে পারতেন তাহলে বুঝতেন, একজন বিভুরঞ্জন সরকার কেন নিহত হয়েছেন বা কিভাবে নিহত হয়েছেন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">সাংবাদিক বন্ধুদের বলি- কেবল সাংবাদিক বন্ধুরাই নয়, দেশের সকল মানুষকেই বলি- কেবল বিভুরঞ্জন সরকারই তো নয়, বাংলাদেশের অসংখ্য সাংবাদিক শারীরিকভাবে নিহত বা আহত না হলেও গুরুতর আহত বা নিহত হওয়ার মতো অবস্থায় বাস করছেন এই দেশে এই মুহূর্তে। কেউ কারাগারে, কেউ একটু ভাগ্যবান এখনও জেলে যাননি। ওদের ওপর এসব হয়রানি হচ্ছে শুদ্ধ সাংবাদিক হিসেবে ওদের মতামত প্রকাশের কারণেই। কোনো কোনো সিনিয়র সাংবাদিক আছেন, যারা প্রতিদিনের সংসার খরচ চালানোর মতো অর্থ যোগাড় করতেও হিমশিম খাচ্ছেন। আপনারা কি দাঁড়াবেন না আপনাদের বিপন্ন বন্ধুদের পাশে ওদের অধিকার রক্ষায়?</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিভুদার এরকম মৃত্যুতে আমি শোকাহত তো বটেই, সেই সাথে আমি শঙ্কিতও বটে। আসলেই শঙ্কিত, গুরুতর শঙ্কায় শঙ্কিত। শঙ্কিত সেইসব সাংবাদিকদের জন্য যারা এখনও বেঁচে তো আছেন বটে, কিন্তু বেঁচে আছেন প্রবল আতঙ্ক নিয়ে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/bivuronjon-sorkarer-mrityu-o-atongkito-sangbadikota/">বিভুরঞ্জন সরকারের মৃত্যু ও আতঙ্কিত সাংবাদিকতা</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/bivuronjon-sorkarer-mrityu-o-atongkito-sangbadikota/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সংবিধান কারা বদলাতে চায়, কেন চায়</title>
		<link>https://nenews.news/songbidhan-kara-bodlate-chay-keno-chay/</link>
					<comments>https://nenews.news/songbidhan-kara-bodlate-chay-keno-chay/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 11:48:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[Regional]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবর্তন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সংবিধান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=4285</guid>

					<description><![CDATA[<p>জনাকয়েক ইংরেজি জানা লোক বসে বসে চা-কফি খেতে খেতে সংবিধান সংশোধন করবেন! মাফ করবেন, মুখ দিয়ে কটু বাক্য বের হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/songbidhan-kara-bodlate-chay-keno-chay/">সংবিধান কারা বদলাতে চায়, কেন চায়</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>একটা কথা মনে রাখবেন, বাংলাদেশের সংবিধান যেটার গ্রন্থনা আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ১৯৭২ সালে করেছেন সেটা একটা চমৎকার সংবিধান। আমি তুলনা পছন্দ করি না, কিন্তু আইন, রাজনীতি, সংবিধান এসব বিষয়ে সচেতন যারা তুলনা করতে পছন্দ করেন, তাঁরা সবসময়ই বলেছেন যে এই সংবিধানটা পৃথিবীর অন্যতম সেরা সংবিধান। এটা নিয়ে তর্কের কিছু নেই। কেউ যদি আপনার সাথে এটা নিয়ে তর্ক করতে চায়, হাসবেন। আর কিছু না, হাসবেন।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">ত্রুটি কি সংবিধানে নেই? আছে। ১৯৭২ সালের সংবিধান ধরলে মৌলিক ত্রুটি খুবই কম। পরে যেসব সংশোধন ইত্যাদি হয়েছে, সেগুলো মিলে কিছু গড়বড় হয়েছে। এসব ত্রুটি ঠিক করা খুব কঠিন কাজ নয়। কিন্তু এটা করবে জনগণ, জনগণের প্রতিনিধিরা। আপনার, আমার কাজ হচ্ছে ত্রুটি যদি কিছু দেখি সেটা চিহ্নিত করা, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা, জনমত তৈরি করা। জনপ্রতিনিধিরা সেগুলো সংশোধন করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে তারা মানুষের কাছে যাবেন, ম্যান্ডেট নেবেন ইত্যাদি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু জনাকয়েক ইংরেজি জানা লোক বসে বসে চা-কফি খেতে খেতে সংবিধান সংশোধন করবেন! মাফ করবেন, মুখ দিয়ে কটু বাক্য বের হয়ে যেতে পারে এই ভয়ে আর কিছু বললাম না। কেননা গালি একটা দিলে আপনাদের কিছু হবে না, বদনাম হবে আমার। লোকে বলবে- দেখো, ইমতিয়াজ মাহমুদের পরিচ্ছন্ন জিহ্বাটা এসব বদ, কুৎসিত লোকেদের নাম লেগে ময়লা হয়ে গেছে। থাক, কিছু বললাম না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">২. কেন বাহাত্তরের সংবিধানকে প্রশংসা করি আমরা? এর অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে একটা হচ্ছে সপ্তম অনুচ্ছেদ। এই অনুচ্ছেদটা একটু অভিনব, অন্যান্য খুব বেশি দেশের সংবিধানে এটা পাবেন না। সেখানে কি বলা হয়েছে জানেন? বলা হয়েছে- &#8220;৭। (১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।&#8221; এর মানে কি? পড়ুন, ভাবুন, প্রশ্ন করুন, আবার ভাবুন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এটা একটা অনিবার্য কথা, কেউ কেউ বলবেন যে সংবিধানে এটা লিখে রাখার দরকারটা কি। এখন আমরা জানি, ওই ছোট একটা অনুচ্ছেদ যে রাজনৈতিক দর্শনটাকে আমাদের রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে স্থাপন করেছে সেটাই সঠিক এবং এখান থেকে যেন আমাদের বিচ্যুতি না হয় সেজন্য এই কথাগুলো লিখে রাখা প্রয়োজন ছিল, জরুরি ছিল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখন আমাদের হাসনাত কাইউম ভাই এবং আরও কিছু জারগণপছন্দওয়ালা লোক দেখবেন ফুচুত করে এসে বলে কিনা, সংস্কার চাই সংস্কার চাই- সংবিধান পাল্টাতে হবে। কৌতূহল হয় এসব কথা শুনলে, মনে হয় আচ্ছা দেখি তো ওরা কি সংস্কার চায়, কি সংশোধন চায়, কেন চায়? এটা বললে এরা নানারকম এলেবেলে জারগণ শুরু করে যেগুলো আসলে অর্থহীন, অপ্রাসঙ্গিক বাচালতা ছাড়া কিছুই না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">৩. না, সংবিধান বদলানো যাবে না কেন, নিশ্চয়ই যাবে। চাইলে এই সংবিধানের পরিবর্তে নয়া আরেকটা সংবিধানও করা যাবে। কিন্তু কেন করবেন? কী কারণে করবেন? সুনির্দিষ্ট করে বলেন এই সংবিধানের কোন বিধান, কোন চারিত্র্য, কোন বৈশিষ্ট্যটি বদলাতে চান, কেন চান। এটা বলবেন না, তাহলে সংবিধান বদলাতে চাইছেন কেন? আপনার শখের জন্য?</p>



<p class="wp-block-paragraph">না, আপনার শখের জন্যও আপনি সংবিধানের পরিবর্তন চাইতে পারেন। আইনে তাতে কোনো বাধা নেই। চান। চাইলে কী করবেন? নতুন একটা বই ছেপে দিয়ে দিলেই সেটা নয়া সংবিধান হয়ে যাবে? জি না জনাব। আপনি নির্বাচনে যাবেন, সেখানে গিয়ে মানুষের কাছে বলবেন যে আমি সংবিধান বদল করতে চাই, আমাকে সংসদে পাঠান। মানুষ যদি ভোট দেয়, করে ফেলেন নয়া বই। সিম্পল। আগে ইলেকশনটা করে ফেলেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু কয়েকজন লোক মিলে একটা ঘরে বসে সংবিধান কাটাছেঁড়া করতে চাইবেন, সেটা তো হবে না হে মামুর ব্যাটা। এটাকে একটা ষড়যন্ত্র বলতে পারেন, তামাশা বলতে পারেন, ফাইজলামি বলতে পারেন, কিন্তু এসব কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই সংবিধান সংক্রান্ত বা প্রজাতন্ত্র সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাজ বলা যাবে না। আর এসব অকাজে রাষ্ট্রের একটা টাকাও যদি খরচ করে থাকেন, হিসাব দিতে প্রস্তুত থাকেন।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/songbidhan-kara-bodlate-chay-keno-chay/">সংবিধান কারা বদলাতে চায়, কেন চায়</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/songbidhan-kara-bodlate-chay-keno-chay/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাম্প্রদায়িক একটা দেশ কখনোই সভ্য হতে পারে না</title>
		<link>https://nenews.news/samprodayik-ekta-desh-kokhonoi-sovvo-hote-pare-na/</link>
					<comments>https://nenews.news/samprodayik-ekta-desh-kokhonoi-sovvo-hote-pare-na/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 12:47:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সভ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সাম্প্রদায়িক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=3038</guid>

					<description><![CDATA[<p>এমনকি আপনি যাদেরকে বাম, প্রগতিশীল, লিবারেল বা সেক্যুলার হিসেবে চেনেন, ওদের পেটের মধ্যেও ঠিকই লুকিয়ে থাকে সাম্প্রদায়িকতা।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/samprodayik-ekta-desh-kokhonoi-sovvo-hote-pare-na/">সাম্প্রদায়িক একটা দেশ কখনোই সভ্য হতে পারে না</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"><strong>মুরাদনগরে একজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের ঘটনাটির বর্ণনা দেখেছেন আপনি? না, নারীটিকে কোথাও একা পেয়ে ধর্ষণ করেছে বা সেরকম কোনো ঘটনা নয়। মেয়েটি যে বাড়িতে ছিল, সেখানে গিয়ে ধর্ষক তার ধর্ষ্ণের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে। ভয়ে নারীটি ঘরের দরজা আটকে দেয়। ধর্ষক দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ও নারীটিকে ধর্ষণ করে চলে যায়। ভাবখানা এমন যে ধর্ষণ করা তার অধিকার এবং ধর্ষণ করা থেকে কেউ তাকে বাধা দিতে পারবে না। বিস্ময়কর লাগছে? আরেকটা তথ্য যুক্ত করি, তাইলে আর অবাক লাগবে না।</strong></p>



<p class="wp-block-paragraph">নারীটি ধর্ম বিশ্বাসে হিন্দু আর ধর্ষক একজন মুসলমান। এই পোড়ার দেশে একটি হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ করতে চাওয়া খুব বড় কোনো অপরাধ বিবেচিত হয় না। আসলে ধর্ষণ ব্যাপারটাকেই আমাদের দেশে এমনিতে বড় কোনো অপরাধ বিবেচনা করে না বেশিরভাগ মানুষ। ধর্ষণের শিকার নারীকেই সাধারণত কোনো না কোনোভাবে দায়ী করা হয় ধর্ষণের জন্য। মুরাদনগরের মেয়েটি শুধু যে নারী সেটাই কেবল নয়, তিনি একজন হিন্দু নারী। নারীকে আমরা পূর্ণ মানুষ মনে করি না এবং হিন্দুদেরকে আমরা পূর্ণ নাগরিক মনে করি না। ফলে হিন্দু নারীকে ধর্ষণ করতে গিয়ে ধর্ষক যদি কোনো সঙ্কোচ না করে বা ভয় না পায়, সেটাতে তো বিস্ময়ের কিছু নেই।</p>



<p class="wp-block-paragraph">না, কেবল বিচারের দাবি করছি না। বিচার পাওয়া তো ভিক্টিমের অধিকার, আর সেটা নিশ্চিত করা সে তো সরকারের দায়িত্ব। বিচার তো হবে। আমি আপনাদেরকে অনুরোধ করছি, সত্যটা এড়িয়ে যাবেন না। মুরাদনগরের এই ঘটনাটি একটি সাম্প্রদায়িক অত্যাচারের ঘটনা। এটা যতদিন আমরা স্বীকার না করবো, ততদিন আমরা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ করতে পারবো না। এটা একটা সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, এই নারীটি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তিনি হিন্দু বলেই। ওঁর জায়গায় একজন মুসলিম নারী হলে ধর্ষক সম্ভবত এতো বেপরোয়া হতো না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আপনি আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলুন, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো মানুষ কি নিজেকে পূর্ণ নিরাপদ মনে করে? করে না। হিন্দুরা আমাদের এখানে সবসময় আতঙ্কে থাকে। একজন হিন্দু এই দেশে মুসলমানদের সমান ভাবতে পারে না নিজেকে। কেন? কারণ সেই ১৯৪৭ থেকে অদ্যাবধি এই দেশে আমরা সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারিনি। আমি এমন পরিবার জানি, যারা নিজের মেয়েকে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে, সেখানেই পড়াশোনা, বিবাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা করেছে। কেন? কারণ মেয়েটির বাবা-মা এদেশে নিজের কন্যাকে নিরাপদ মনে করেননি। আপনি কি এরকম কাউকে জানেন না? খোঁজ নিন আপনার আশপাশে, দেখবেন, পাবেন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">প্রকৃত সমস্যা উপেক্ষা করবেন না। প্রকৃত কারণটি চিহ্নিত করুন এবং সেটা স্পষ্ট কণ্ঠে স্বীকার করুন। আমাদের দেশে তীব্র সাম্প্রদায়িকতা বিরাজ করে এবং প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে দেশের কোথাও না কোথাও হিন্দুদের সাথে অন্যায় করি আমরা। এমনিতেই দেশের সকল মানুষই আতঙ্কে থাকে, পুলিশ ঠিকমতো কাজ করে না, প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার নাই, গুণ্ডার দল কখন কার বাড়িতে দলবেঁধে এসে হাজির হবে কেউ জানে না। হিন্দু নাগরিকদের এই নিরাপত্তাহীনতা মুসলিম নাগরিকদের তুলনায় দ্বিগুণ, কেননা বাড়তি হিসেবে ওদের প্রতিনিয়ত শঙ্কায় থাকতে হয় সম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের। কেবল ধর্মবিশ্বাসের কারণে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হওয়া এই দেশে অভিনব কিছু নয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">মেহেরবানী করে সাম্প্রদায়িকতাকে আরেকটি আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি ইস্যু ভাববেন না। সাম্প্রদায়িকতা এখন এমনভাবে ছড়িয়েছে যে এমনকি আপনি যাদেরকে বাম, প্রগতিশীল, লিবারেল বা সেক্যুলার হিসেবে চেনেন, ওদের পেটের মধ্যেও ঠিকই লুকিয়ে থাকে সাম্প্রদায়িকতা। আমি তো এমনকি এক-দুইজন কমিউনিস্টের মুখেও ঐসব কথা শুনেছি, যেগুলো স্পষ্টতই পেটের অভ্যন্তরে বিরাজমান সাম্প্রদায়িকতা থেকে উৎসারিত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ভুলে যাবেন না, সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে একটা দেশ কখনোই সভ্য হতে পারে না, গণতন্ত্র তো দূর কি বাত।</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/samprodayik-ekta-desh-kokhonoi-sovvo-hote-pare-na/">সাম্প্রদায়িক একটা দেশ কখনোই সভ্য হতে পারে না</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/samprodayik-ekta-desh-kokhonoi-sovvo-hote-pare-na/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আপনার সামনে আপনার পিতাকে পেটাচ্ছে, আপনার কেমন লাগবে!</title>
		<link>https://nenews.news/briddho-pita-ebong-putrer-upor-mob-akromon-lalmonirhatey/</link>
					<comments>https://nenews.news/briddho-pita-ebong-putrer-upor-mob-akromon-lalmonirhatey/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Imtiaz Mahmood]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 10:46:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[News]]></category>
		<category><![CDATA[Opinion]]></category>
		<category><![CDATA[পরেশ চন্দ্র শীল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[লালমনিরহাট]]></category>
		<category><![CDATA[হামলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://nenews.news/?p=2805</guid>

					<description><![CDATA[<p>আপনার সামনে আপনার পিতাকে পেটাচ্ছে বা আপনার সামনে আপনার যুবক পুত্রের সামনে আপনাকে পেটাচ্ছে- এই অপমান এই গ্লানি এইটা আপনার কেমন লাগবে!</p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/briddho-pita-ebong-putrer-upor-mob-akromon-lalmonirhatey/">আপনার সামনে আপনার পিতাকে পেটাচ্ছে, আপনার কেমন লাগবে!</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>



<p class="wp-block-paragraph">লালমনিরহাটের পরেশ চন্দ্র শীল এবং তাঁর পুত্র বিষ্ণু চন্দ্র শীল পেশায় নাপিত। নাপিতের দোকানে গেলে মানুষ নানারকম গপসপ করে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">পরেশ চন্দ্র বা ওঁর পুত্র নাকি এইরকম গপসপ করার সময় প্রফেটের নাম নিয়েছেন, কিন্তু তাঁর নামের শেষে যে দরুদ বা দোয়াটা পড়তে হয় সেটা পড়েননি। ব্যাস, পরেশের দোকানে ও দোকানের আশেপাশে থাকা কিছুসংখ্যক মুসলিম ওদের ইচ্ছেমতো মারধর করেছে। মারধর করে পিতা-পুত্র দুইজনকে ধরে পুলিশে হস্তান্তর করেছে। ঐসব মুসলমানের নাকি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। যতটুকু জেনেছি, পরেশ ও বিষ্ণু এখনো কারাগারে আছে। থাকুক কারাগারে। পরেশ আর পরেশের ব্যাটা, ওরা গরিব মানুষ। গরিব মানুষের জন্য জেলে থাকা আর জেলের বাইরে থাকার মধ্যে কিই বা পার্থক্য আছে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি ভিডিওটা দেখেছি। আপনিও নিশ্চয়ই দেখেছেন। না দেখে থাকলে দেখে নেন।</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-4-3 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="লালমনিরহাট জেলায় মব আক্রমণের ভাইরাল ভিডিও" width="640" height="480" src="https://www.youtube.com/embed/yQZLtKKkQ28?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p class="wp-block-paragraph">পরেশকে দাঁড়িওয়ালা একজন লোক ধরে রেখেছে আর অন্যরা ওকে কিল-ঘুষি-লাথি মারছে। ওঁর পুত্র বিষ্ণু, হাতজোর করে সকলের কাছে মাফ চাইছে, মানুষের হাতে-পায়ে ধরছে। কিন্তু ঐ লোকগুলো উম্মত্ত- লেনিন যেটাকে বলেছেন spiritual booze, সেই মাদকে মত্ত। ওরা পরেশ ও বিষ্ণুর কান্নায় মোটেই বিচলিত নয়। ওরা বাপ-ব্যাটাকে পেটাতে থাকে নির্দয়ভাবে। বাপ-ব্যাটা কাঁদছে। আমি একবার পরেশের কথা ভাবি, একবার বিষ্ণুর কথা ভাবি। যত বড় অপরাধই করুন, আপনার সামনে আপনার পিতাকে পেটাচ্ছে বা আপনার সামনে আপনার যুবক পুত্রের সামনে আপনাকে পেটাচ্ছে- এই অপমান, এই গ্লানি আপনার কেমন লাগবে!</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার কোনো ক্রোধ হয় না। আমি কোনো প্রতিবাদ করার জন্য এই পোস্ট লিখছি না। আমার কান্না পায়। কান্না পায়, কেননা এই পরেশকে আমি চিনতে পারি। আমি যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়ি, আমি দেখেছি আমার সমবয়সী বন্ধুরা স্কুলে আসতে পারছে না বা পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে কেবল ওদের পিতা-মাতার আর্থিক সামর্থ্য নেই বলে। শৈশবে আমি ভাবতাম, দেশে সমাজতন্ত্র আনবো। সমাজতন্ত্রের জন্যে আমার আকাঙ্ক্ষার কারণ সমাজতন্ত্র হলে দেশের প্রতিটা শিশু স্কুলে যাবে, প্রতিটা শিশুর সমান অধিকার থাকবে শিক্ষালাভের। পরেশকে আমি চিনতে পারি, কারণ পরেশ হচ্ছে আমার সেইসব বন্ধুদের একজন যে কিনা ছোটবেলায় স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">না, আমি সেই লড়াইটা জিততে পারিনি। দেশে সমাজতন্ত্র হয়নি। সমাজতন্ত্র হয়নি বলে পরেশের পুত্রও খুব একটা লেখাপড়া করতে পারেনি। কি করে করবে! পরেশরা তো কেবল দরিদ্র নয়, সে হচ্ছে আবার হিন্দু। শুধু হিন্দুও না, হিন্দুর মধ্যে আবার ওরা হচ্ছে শীল- জাতে নিচু। পরেশের পুত্র বিষ্ণু সমাজে বিদ্যমান সকল বৈষম্যের আদর্শ শিকার। ওর জন্য এটাই ছিল ভবিতব্য- শীলের ব্যাটা, নাপিতের ছেলে নাপিতই হবে। আমি সারাটা ছাত্রজীবন চিৎকার করেছি &#8216;শিক্ষা সুযোগ নয় অধিকার&#8217;। শ্লোগানই দিয়ে গেছি, সেটাকে আর বাস্তবায়ন করতে পারিনি। না, লড়াই ছাড়িনি, কিন্তু বিষ্ণুর জন্যে তো শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে পারিনি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">যারা এই পোস্ট পড়ছেন, আপনাদের কাছে অনুরোধ করি- মেহেরবানি করে দৃশ্যটা দেখুন। বৈষম্য, শোষণ, বঞ্চনা নির্যাতন সবকিছুরই কি রিয়ালিস্টিক ডেপিকশন হয়েছে ঐ কয়েক মিনিটের রিয়্যাল লাইফ ভিডিওতে। আপনি মোটা মোটা বইতে যেসব ইতিহাস, রাজনীতি, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান পড়েছেন, সেইগুলি যদি আপনাকে এই দৃশ্যের প্রকৃত মাজেজা দেখতে সাহায্য না করে, তাইলে ছুঁড়ে ফেলুন সেইসব বই। নতুন করে পড়ুন। জীবন আমাদের জন্য শিক্ষার উপকরণ খুলে রাখে জীবনের প্রতিটি স্তরে। আপনার দেখার চোখ নাই। আপনি সমাজকে দেখার সেই চোখটা তৈরি করুন। পরেশ আর বিষ্ণুর আজ যে দুর্গতি- সেটা ঠিকমতো দেখুন, দেখতে শিখুন।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তরুণ বন্ধুরা, জীবন মানুষের সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ। আর এই সম্পদ আমরা পাই কেবল একবার। আমরা ছাত্রজীবনে &#8216;ইস্পাত&#8217; থেকে এই উদ্ধৃতি খুব পড়তাম। আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এই জীবন আপনি কিভাবে ব্যয় করবেন। যুগ-যুগান্তর ধরে চলে আসা এই পচাগলা সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ার লড়াইয়ে কি আপনি অংশ নেবেন না? আপনি কি বলবেন না যে পরেশ আর বিষ্ণু এই দেশের যে কোনোনাগরিকের মতোই দুইজন নাগরিক, কারো চেয়ে ছোট নয়। আপনি কি বলবেন না যে জাত-পাত, ধর্ম বিশ্বাস এসবের কারণে পরেশ আর বিষ্ণুর সাথে অন্যায় করা হয়েছে? আপনি কি বলবেন না মানুষের অধিকারের কথা?</p>



<p class="wp-block-paragraph">বিদ্রোহ করবেন না? লড়বেন না পরেশ ও বিষ্ণুদের জন্য?</p>



<p class="wp-block-paragraph"></p>
<p>The post <a href="https://nenews.news/briddho-pita-ebong-putrer-upor-mob-akromon-lalmonirhatey/">আপনার সামনে আপনার পিতাকে পেটাচ্ছে, আপনার কেমন লাগবে!</a> appeared first on <a href="https://nenews.news">NE NEWS</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://nenews.news/briddho-pita-ebong-putrer-upor-mob-akromon-lalmonirhatey/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
